ইয়ামিন আহমেদ,যবিপ্রবি প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ২৩ জুন ২০২৬, ০৯:৪৩ পিএম
বুধবার ২৪, জুন ২০২৬ -- : -- --
আইইইই আইসিএডিএইচআই ২০২৬-এর আইডিয়া শেয়ার প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয়েছে যবিপ্রবির দল নেফ্রোনোভা। ছবি: ক্যাম্পাস রিপোর্ট
যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) শিক্ষার্থীদের দল ‘নেফ্রোনোভা’ ইন্সটিটিউট অব ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ার্স (আইইইই) ইন্টারন্যাশনাল কংগ্রেস অন এআই অ্যান্ড ডিজিটাল হেলথ ইনোভেশন (আইসিএডিএইচআই) ২০২৬-এর আইডিয়া শেয়ার প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয়েছে।
চ্যাম্পিয়ন দলের সদস্যরা হলেন যবিপ্রবির ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং (ইইই) বিভাগের শিক্ষার্থী মো. ইশতিয়াক আরেফিন ও মো. শরিফুল ইসলাম।
গত ১৫ ও ১৬ জুন ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে (ডিআইইউ) অনুষ্ঠিত এ আয়োজনের চারটি প্রধান সেগমেন্ট ছিল আইডিয়া প্রতিযোগিতা, প্রকল্প প্রদর্শনী, মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন এবং কর্মশালা ও প্রশিক্ষণ। এর মধ্যে আইডিয়া শেয়ার প্রতিযোগিতাটি অনলাইনে অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডিআইইউর উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম. আর. কবির। বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস অ্যান্ড টেকনোলজির (বিইউবিটি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ.বি.এম. শাখাওয়াত আলী, আইইইই কম্পিউটার সোসাইটি বাংলাদেশ চ্যাপ্টারের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. ওবায়দুর রহমান, সেক্রেটারি ড. মোহাম্মদ আমিনুর রহমান এবং ডিআইইউর বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. ফোকরে হোসেন।
আয়োজনটির মূল উদ্দেশ্য ছিল স্বাস্থ্যসেবা খাতে প্রযুক্তিনির্ভর উদ্ভাবনী ধারণা উপস্থাপন এবং শিক্ষার্থী ও গবেষকদের মধ্যে জ্ঞান বিনিময়ের সুযোগ সৃষ্টি করা। প্রতিযোগিতায় বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণকারী দলগুলো তাদের সৃজনশীল ও গবেষণাভিত্তিক ধারণা উপস্থাপন করে।
আইডিয়া শেয়ার প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন দলকে ৫ হাজার টাকা, প্রথম রানারআপ দলকে ৩ হাজার টাকা এবং দ্বিতীয় রানারআপ দলকে ২ হাজার টাকা পুরস্কার দেওয়া হয়। পাশাপাশি অংশগ্রহণকারী সবাইকে সনদ প্রদান করা হয়।
চ্যাম্পিয়ন দলের সদস্য মোঃ ইশতিয়াক আরেফিন বলেন, 'আইইইই আইসিএডিএইচআই ২০২৬' আইডিয়া শেয়ার প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হওয়া আমার শিক্ষাজীবনে সত্যিই খুশি এবং স্মরণীয় সম্মানের বিষয়। এই অর্জনের জন্য আমি সর্বশক্তিমানের কাছে গভীরভাবে কৃতজ্ঞ এবং সকল শ্রদ্ধেয় শিক্ষক, পরামর্শদাতা, আয়োজক ও বিচারকদের প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ, যাদের নির্দেশনা, উৎসাহ এবং সমর্থন এই সাফল্যকে সম্ভব করেছে। এই অর্জন শুধু আমাদের পরিশ্রমের পুরস্কারই নয়, বরং এমন উদ্ভাবনী কাজ চালিয়ে যাওয়ার অনুপ্রেরণাও বটে। এছাড়াও এই পুরো সময়ে আমার সতীর্থ মোঃ শরিফুল ইসলামের চেষ্টা ও দলগত প্রচেষ্টার জন্য আমি বিশেষভাবে কৃতজ্ঞ।
উল্লেখ্য, অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যসেবা খাতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, চিকিৎসাসংক্রান্ত তথ্য বিশ্লেষণ এবং ইন্টারনেট অব থিংস (আইওটি) বিষয়ক প্রশিক্ষণ ও কর্মশালার আয়োজন করা হয়। এসব কার্যক্রমের মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীরা আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার ও সম্ভাবনা সম্পর্কে ধারণা লাভ করেন।