নোবিপ্রবি থেকে রাকিব মোহাম্মদ আরজু
প্রকাশিত: ২৪ জুন ২০২৬, ০৬:২২ পিএম
বুধবার ২৪, জুন ২০২৬ -- : -- --
প্রতীকী ছবি।
জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (নোবিপ্রবি)।
যুক্তরাজ্যভিত্তিক শিক্ষা বিষয়ক প্রতিষ্ঠান টাইমস হায়ার এডুকেশনের প্রকাশিত ‘সাসটেইনেবিলিটি ইমপ্যাক্ট রেটিংস ২০২৪’-এ বিশ্বব্যাপী ৪০১ থেকে ৬০০ ব্যান্ডে স্থান পেয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়টি। একই সঙ্গে দেশের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে প্রথম এবং তালিকাভুক্ত বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে সমন্বিতভাবে তৃতীয় অবস্থান অর্জন করেছে নোবিপ্রবি।
বুধবার (২৪ জুন) টাইমস হায়ার এডুকেশনের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এ র্যাংকিংয়ে বিশ্বের ১ হাজার ৬৪৬টি বিশ্ববিদ্যালয় মূল্যায়নের আওতায় আসে। এর মধ্যে নোবিপ্রবি ৪০১ থেকে ৬০০ ব্যান্ডে অবস্থান নিশ্চিত করে। বাংলাদেশের ২২টি বিশ্ববিদ্যালয় এ তালিকায় স্থান পেয়েছে। দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে ডেফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, যা বৈশ্বিক তালিকায় ৮৭তম স্থান অর্জন করেছে।
প্রতিবছর টাইমস হায়ার এডুকেশন জাতিসংঘের ১৭টি টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর গবেষণা কার্যক্রম, প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থাপনা, সামাজিক সম্পৃক্ততা এবং শিক্ষাদানের মান মূল্যায়ন করে এ র্যাংকিং প্রকাশ করে। এবারের সংস্করণে বিশ্বের ১১৬টি দেশের বিশ্ববিদ্যালয় অংশ নেয়।
বিশ্বমঞ্চে নোবিপ্রবির এ সাফল্য উপলক্ষে বুধবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের প্রেস কনফারেন্স রুমে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে র্যাংকিং অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক ডেভেলপমেন্ট সেল। এ সময় র্যাংকিংয়ের বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে সেলের অতিরিক্ত পরিচালক ও নোবিপ্রবি সাস্টেইনঅ্যাবিলিটি কমিটির সদস্য সচিব ড. ফাহদ হুসাইন বলেন, “টাইমস হায়ার এডুকেশন (THE) ইমপ্যাক্ট র্যাংকিংয়ে এই অর্জন নোবিপ্রবির টেকসই উন্নয়ন ও প্ল্যানেটারি হেলথের প্রতি দৃঢ় অঙ্গীকারের স্বীকৃতি। শিক্ষা, গবেষণা, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং সমাজকল্যাণে আমাদের বহুমাত্রিক উদ্যোগ এই সাফল্যের ভিত্তি তৈরি করেছে। টিম লিড হিসেবে আমি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং সংশ্লিষ্ট সকলের আন্তরিক সহযোগিতা ও সম্মিলিত প্রচেষ্টার প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।
নোবিপ্রবির উপউপাচার্য ও র্যাংকিং সেলের প্রধান অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম বলেন, “এই অর্জন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা কর্মচারী সহ সকলের। আমি চাই এই অর্জনের আনন্দ সকলের মাঝে ছড়িয়ে পড়ুক।”
নোবিপ্রবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রাব্বানী বলেন, “আমি রিসার্চ সেলকে ধন্যবাদ জানাই। আমরা এসডিজির প্রতিটি লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে পেরেছি। বাংলাদেশে পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় আমরা সম্মানজনক অবস্থান করতে পেরেছি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম স্থান অর্জন করেছি। সরকার ইতিমধ্যেই এসডিজি গোল অর্জনে প্রচুর কাজ করে যাচ্ছে, এই র্যাংকিং এর ফলে আমরা সেই এসডিজি গোল অর্জন করত সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।”