সানজানা শওকত,বুটেক্স প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ১২:৪০ পিএম
সোমবার ২৭, এপ্রিল ২০২৬ -- : -- --
ছবি। ক্যাম্পাস রিপোর্ট
বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুটেক্স) বিভিন্ন বিভাগের ল্যাবের বর্তমান অবস্থা নিয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে অসন্তোষ বাড়ছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের গুরুত্বপূর্ণ ব্যবহারিক শিক্ষাকেন্দ্র হিসেবে বিবেচিত ল্যাবগুলোতে পর্যাপ্ত জায়গা, আধুনিক যন্ত্রপাতি ও নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের অভাব শিক্ষার মানকে প্রভাবিত করছে। সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলোর একাধিক ল্যাবে পুরাতন ও অচল মেশিন ব্যবহারের অভিযোগ রয়েছে, যা আধুনিক শিল্পক্ষেত্রের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ইন্ডাস্ট্রিয়াল এন্ড প্রোডাকশন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ল্যাবগুলোতে এখনো পুরোনো মডেলের যন্ত্রপাতি ব্যবহৃত হচ্ছে। এই বিভাগটির ল্যাবে যে মৌলিক যন্ত্রাংশ থাকা প্রয়োজন—যেমন বয়লার, সেন্ট্রিফিউগাল পাম্প, রেসিপ্রোকেটিং পাম্প—তার অনেক কিছুই অনুপস্থিত। ফলে শিক্ষার্থীদের ক্লাস রুমে প্রজেক্টরের মাধ্যমে নেয়া হচ্ছে ব্যবহারিক ল্যাব। ল্যাবের ইউনিভার্সাল টেস্টিং মেশিনটি দীর্ঘদিন ধরে অচল অবস্থায় পড়ে আছে। এছাড়াও ল্যাবের জায়গা তুলনামূলকভাবে ছোট হওয়ায় শিক্ষার্থীদের ব্যবহারিক ক্লাস পরিচালনায় ভোগান্তি তৈরি হচ্ছে। প্রয়োজনীয় যন্ত্রাংশের সংকটের কারণে একাধিক শিক্ষার্থীকে একই উপকরণ ভাগাভাগি করে কাজ করতে হচ্ছে, ফলে প্রত্যাশিত দক্ষতা অর্জন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।
আইপিই বিভাগের ৪৯তম ব্যাচের শিক্ষার্থী নাহিদ হোসেন রিয়াদ বলে, আইপিই বিভাগের ল্যাবগুলোতে এখনো পুরোনো মডেলের যন্ত্রপাতি ব্যবহার করা হচ্ছে। যার অনেকগুলোই বর্তমানে অকার্যকর এবং শিল্পক্ষেত্রে আর ব্যবহৃত হয় না। এ ধরনের যন্ত্র দিয়ে আধুনিক ইন্ডাস্ট্রির বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জন করা সম্ভব হচ্ছে না। শিল্পখাতে বর্তমানে যে আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর মেশিন ব্যবহার করা হচ্ছে, সেগুলো ল্যাবে সংযোজন করা গেলে শিক্ষার্থীরা বাস্তবমুখী জ্ঞান ও দক্ষতা অর্জনের সুযোগ পাবে এবং তাদের শিক্ষার মানও উন্নত হবে।
ল্যাব সংক্রান্ত সমস্যা নিয়ে আইপিই বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. মো. আলী বলেন, আমাদের ল্যাবে ব্যবহারিক উপকরণের কিছু ঘাটতি রয়েছে। এছাড়াও কিছু বেশ কয়েকটা মেশিন মেরামতের দরকার। মূলত বাজেট সংকটের কারণেই এই সমস্যাগুলো সমাধান করা যাচ্ছে না।
কটন ল্যাবে অবস্থিত ফেব্রিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের উইভিং সেকশনেও আধুনিকায়নের ঘাটতি লক্ষ্য করা গেছে। অধিকাংশ মেশিন পুরোনো এবং কিছু মেশিন শুধু প্রদর্শনীর জন্য রাখা থাকলেও সচল নয়। বর্তমানে শিল্পক্ষেত্রে উন্নত প্রযুক্তিনির্ভর উইভিং ব্যবস্থার ব্যবহার বাড়লেও ল্যাবে সেই প্রযুক্তির সংযোজন হয়নি। ফলে শিক্ষার্থীরা সমসাময়িক প্রযুক্তি সম্পর্কে সরাসরি ব্যবহারিক অভিজ্ঞতা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। পাশাপাশি ল্যাবে নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার অভাবের কারণে প্রচুর ধুলোবালি জমে থাকে, যা মেশিনগুলোর কার্যক্ষমতা হ্রাস করছে এবং ধীরে ধীরে সেগুলো নষ্ট হওয়ার ঝুঁকি বাড়াচ্ছে।
উইভিং ল্যাবের অ্যাসিস্ট্যান্ট টেকনিক্যাল অফিসার মোঃ খোরশেদ আলম বলেন, ল্যাবের দেওয়াল গুলোর মেরামত দরকার, বিশেষ করে কিছু জায়গায় বেশ বড় ধরনের ফাটল আছে,জরুরি ভিত্তিতে জায়গা গুলো মেরামত করা দরকার। ল্যাবের কনভেনশনাল মেশিনগুলো সচল অবস্থায় আছে। তবে হাই স্পিড ওয়ার্পিং মেশিন, সেকশনাল ওয়ার্পিং মেশিন বেশ ধীরে চলে। আমাদের ল্যাবে মেশিনগুলো রাখার জন্য উপযুক্ত পরিবেশ নেই। ল্যাবে মেশিনগুলোর মধ্যে যে ইলেকট্রিকাল কানেকশন রয়েছে সেগুলোর তার সাধারণত ফ্লোরের নিচ থেকে নেয়া হয়, আমাদের ল্যাবে এই লাইনগুলো ধুলাবালির জন্য ব্লক হয়ে থাকে। ল্যাবে একটা উপযুক্ত পরিবেশ প্রয়োজন যেন ধুলাবালি থেকে মেশিনের যন্ত্রাংশ, বৈদ্যুতিক সংযোগ গুলোকে ঠিক রাখা যায়।
নাজেহাল দশা কটন ল্যাবে থাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইয়ার্ন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের মেশিনগুলোর। প্রায় ৪০টি মেশিনের মধ্যে অর্ধেকের বেশি কনভেনশনাল, বিশেষ করে ব্লোরুম সেকশনের পুরো অংশই পুরোনো প্রযুক্তিনির্ভর। প্রায় ২৫টি মেশিন চালু থাকলেও বাকিগুলো দীর্ঘদিন ধরে অচল। চালু থাকা মেশিনগুলোর মধ্যেও বেশিরভাগ পূর্ণাঙ্গ রূপে সচল নয়। কেবল মেশিনের কিছু চলমান। আবার আধুনিক মেশিনগুলোতে সফটওয়্যার আপডেট করা হচ্ছে না। সর্বশেষ সংযোজন হিসেবে ৪৩তম ব্যাচ একটি মিনি কার্ডিং মেশিন তৈরি করেছিল, এরপর নতুন কোনো প্রযুক্তি যুক্ত হয়নি। ল্যাবের মেঝে ভাঙাচোরা, অধিকাংশ মেশিনে ধুলো জমে আছে এবং নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের অভাব স্পষ্ট। পলিটেকনিকের সঙ্গে সংঘর্ষের সময় ভাঙা জানালার কাচ এখনো মেরামত না হওয়ায় নিরাপত্তা ঝুঁকিও রয়ে গেছে। এছাড়াও ভূমিকম্পের সময়ে ল্যাবের একটি কক্ষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। কক্ষটিতে বেশ কিছু ফাটল তৈরি হয়। ভূমিকম্প পরবর্তী সময়ে শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে প্রকৌশলীরা পর্যবেক্ষণে এসে জানান কক্ষটিতে থাকা মেশিন চালানো হলে কম্পনে কক্ষটি ধসে পরতে পারে। ভূমিকম্পের পর কয়েকমাস পেরিয়ে গেলেও এখনো কক্ষটির মেরামতের উদ্যোগ নেয়া হয়নি।
ইয়ার্ণ ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ৫০তম ব্যাচের শিক্ষার্থী জান্নাতুল আহসান নাঈম বলেন, আমাদের ল্যাবে অধিকাংশ মেশিনই পুরাতন মডেলের, যেগুলো বর্তমানে ইন্ডাস্ট্রিতে ব্যবহার করা হয় না। এর ফলে আমরা আধুনিক শিল্পক্ষেত্রের প্রযুক্তির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ ব্যবহারিক অভিজ্ঞতা অর্জন করতে পারছি না। দুঃখজনকভাবে কোনো মেশিনই বর্তমানে সচল নেই; প্রায় সবগুলো মেশিনই নষ্ট অবস্থায় রয়েছে। দ্রুত মেরামত এবং আধুনিক মেশিন সংযোজন এখন সময়ের দাবি। আমাদের ইয়ার্ণ ল্যাবে মূলত ন্যাচারাল ফাইবার নিয়ে কাজ করা হয়। কিন্তু বর্তমান সময়ে ম্যানমেইড ফাইবারের ব্যবহার সবচেয়ে বেশি। আমরা চাই, ম্যানমেইড ফাইবার নিয়েও যেন ল্যাবে কাজের সুযোগ তৈরি করা হয়, যাতে আমরা সমসাময়িক শিল্প বাস্তবতার সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে পারি। ল্যাবে শিক্ষার্থীর সংখ্যা বেশি হওয়ায় অনেক সময় ক্লাস ঠিকভাবে বোঝা যায় না। পাশাপাশি ল্যাব অপরিষ্কার থাকে এবং মেশিনের নিয়মিত মেইনটেইনেন্স করা হয় না। মেশিনের ওপর ময়লা জমে থাকে, যা শিক্ষার পরিবেশের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
ইয়ার্ন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অন্তর্ভুক্ত ফাইবার এন্ড ইয়ার্ন টেস্টিং(এফওয়াইটি) ল্যাবরেটরিতেও শিক্ষার্থীদের ব্যবহারিক কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষেত্রে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা চিহ্নিত হয়েছে। এর মধ্যে অন্যতম হলো ল্যাবে পর্যাপ্ত বসার ব্যবস্থা না থাকা। বর্তমানে শিক্ষার্থীদের জন্য মাত্র একটি বড় বেঞ্চ থাকায় একসাথে একটি গ্রুপের বেশি ল্যাব কার্যক্রম পরিচালনা করা সম্ভব হচ্ছে না। এছাড়াও ল্যাবের অবকাঠামোগত অবস্থাও প্রয়োজনের তুলনায় যথেষ্ট উন্নত নয়। এ ধরনের পরীক্ষাগারে সাধারণত টাইলস করা ফ্লোরিং এবং শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত পরিবেশ থাকা প্রয়োজন হলেও বর্তমান ল্যাব সেই মানদণ্ড পুরোপুরি পূরণ করে না। ল্যাবে বিদ্যমান যন্ত্রপাতিগুলোর অধিকাংশই সচল থাকলেও সেগুলোর বেশিরভাগই পুরোনো মডেলের, যেখানে অধিকাংশ কাজ ম্যানুয়ালি সম্পন্ন করতে হয়; অথচ আধুনিক যন্ত্রে এসব কাজ স্বয়ংক্রিয়ভাবে করা সম্ভব। এর পাশাপাশি জনবল সংকটও ল্যাব পরিচালনার একটি বড় সমস্যা হিসেবে দেখা দিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে দুটি পদ (স্কিল্ড ওয়ার্কার ও ওয়ার্কশপ অ্যাটেনডেন্ট )শূন্য থাকায় ল্যাবের সার্বিক কার্যপ্রবাহ ব্যাহত হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট পদগুলোতে দ্রুত নিয়োগ দেওয়া হলে ল্যাবের কার্যক্রম আরও সুষ্ঠু, কার্যকর ও শিক্ষাবান্ধবভাবে পরিচালনা করা সম্ভব হবে বলে জানিয়েছেন ল্যাবের দায়িত্বরত রা।
ল্যাব সংক্রান্ত সমস্যার বিষয়ে ইয়ার্ন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ড. মো জাহিদুল ইসলাম বলেন, আমাদের ইয়ার্ন ল্যাবের অবস্থা বেশ পুরোনো। বিশ্ববিদ্যালয় হওয়ার পর থেকে এখানে নতুন মেশিন তেমনভাবে আসেনি। তবে অন্যান্য ল্যাবে নতুন মেশিন এসেছে। ইয়ার্ন ল্যাবের যেই মেশিন গুলো নষ্ট হয়ে গেছে, সেগুলো পুরোটাই বাদ দিয়ে নতুন ইনস্টলমেন্ট করতে হবে। একদম আধুনিক ও অ্যাডভান্সড মেশিনারিজ নিয়ে আসার পরিকল্পনা রয়েছে। আমরা ইতোমধ্যে মিটিংয়ে বিষয়গুলো তুলে ধরেছি, এখন দেখা যাক কতটা বাস্তবায়ন করা যায়। কর্তৃপক্ষ আমাদের আশ্বাস দিয়েছে যে এগুলো ঠিক করে দেওয়া হবে।
ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত কক্ষটি সম্পর্কে বিভাগীয় প্রধান বলেন, আমরা ইতোমধ্যে এ বিষয়ে আবেদন করেছি। পরিকল্পনা করা হয়েছে, এখন শুধু ফলো-আপ করতে হবে।
এছাড়াও এফওয়াইটি ল্যাবের সমস্যা গুলোর ব্যাপারে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, আমি এই ব্যাপারে অবগত ছিলাম না। এখন অবগত হলাম। এই ব্যাপারেও আমরা ব্যবস্থা নিব।
অ্যাপারেল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ল্যাবেও অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা রয়েছে। ল্যাবের জায়গা কম হওয়ায় একাধিক গ্রুপ একসঙ্গে কাজ করতে গেলে শেখার স্বাভাবিক পরিবেশে বিঘ্ন সৃষ্টি হয়। ল্যাবে থাকা একটি কম্পিউটার এইডেড মেশিনের বেল্ট ছিঁড়ে গেছে এবং তা মেরামত করা হয়নি। বেশ কয়েকটি কম্পিউটার অচল, সফটওয়্যার আপডেটও দেওয়া হয়নি দীর্ঘদিন। কিছু মেশিনের নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ প্রয়োজন হলেও বাজেট সংকটের কারণে তা সম্ভব হচ্ছে না বলে জানা গেছে। অতিরিক্ত শব্দ ও সেকশন বিভাজনের অভাব কাজের পরিবেশকে প্রভাবিত করছে।
বিশ্ববিদ্যালের উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইঞ্জিনিয়ার মোঃ জুলহাস উদ্দিন বলেন, আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে ধারাবাহিকভাবে ল্যাবসমূহের আধুনিকায়ন ও উন্নয়ন কাজ চলছে, যার অংশ হিসেবে ওয়েট প্রসেস ইঞ্জিনিয়ারিং ল্যাব ইতোমধ্যে সংস্কার করা হয়েছে। অন্যান্য ল্যাবেও আধুনিক যন্ত্রপাতি সংযোজন করা হয়েছে এবং ভবিষ্যতে সব ল্যাব উন্নত প্রযুক্তির আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে।
বাজেট স্বল্পতার ব্যাপারটি উল্লেখ করে তিনি বলেন, বাজেটের সীমাবদ্ধতার কারণে সব উন্নয়ন একসাথে করা সম্ভব হচ্ছে না। তবে শিগ্গিরই বাকী ল্যাব গুলোতেও কাজ শুরু হবে বলে আশা করছি।
যদিও সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, কনভেনশনাল মেশিন মৌলিক ধারণা বোঝাতে সহায়ক কেননা এই কনভেনশনাল মেশিনগুলো শিক্ষার্থীদের মৌলিক ধারণা স্পষ্টভাবে বুঝতে সহায়তা করে। মেশিনের ভেতরের গঠন, কাজের ধাপ এবং প্রতিটি অংশের কার্যকারিতা সরাসরি দেখা ও শেখার সুযোগ তৈরি হয়। পাশাপাশি, নতুন প্রযুক্তি শেখার ভিত্তি তৈরি করতেও এই মেশিনগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে তবে তবুও আধুনিক প্রযুক্তির অভাব অস্বীকার করার সুযোগ নেই।
সার্বিকভাবে, বুটেক্সের বিভিন্ন ল্যাবে আধুনিক যন্ত্র সংযোজন, অবকাঠামো উন্নয়ন ও নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের দাবি জোরালো হয়ে উঠেছে। ব্যবহারিক শিক্ষার মান উন্নত করতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া সময়ের দাবি বলে মনে করছেন।