প্রকাশিত: ২৬ এপ্রিল ২০২৬, ১০:১২ পিএম
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত আন্তর্জাতিক DNA দিবস উপলক্ষে অনুষ্ঠিত ফিউচার বায়োটেক সামিট এবং ষষ্ঠ আন্তর্জাতিক ইয়াং বায়োটেকনোলজিস্টস কংগ্রেস ২০২৬ এ দেশের সেরা এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড অর্জন করেছেন মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (মাভাবিপ্রবি) দুই সাবেক শিক্ষার্থী।
শনিবার (২৫ এপ্রিল) বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে এই সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। Network of Young Biotechnologists of Bangladesh (NYBB) আয়োজিত এই আন্তর্জাতিক সম্মেলন জীবপ্রযুক্তি, জিনোমিক্স এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নির্ভর গবেষণার ভবিষ্যৎ নিয়ে একটি বৈশ্বিক প্ল্যাটফর্ম হিসেবে বিবেচিত হয়। এবারের প্রতিপাদ্য ছিল “Omics and AI 2026”। এতে আধুনিক বায়োটেকনোলজি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সমন্বিত প্রয়োগ, গবেষণার সম্ভাবনা এবং বৈশ্বিক উদ্ভাবন ব্যবস্থায় বাংলাদেশের অবস্থান শক্তিশালী করার বিষয়গুলো গুরুত্ব পায়।
সম্মেলনে অস্ট্রেলিয়া, কোরিয়া ও চীনের গবেষকসহ বিভিন্ন দেশের বিশেষজ্ঞরা অংশ নেন। প্রায় ৭৫০ জন অংশগ্রহণকারী এতে যুক্ত হন। অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ছিলেন শিক্ষার্থী, গবেষক, তরুণ শিক্ষক ও উদ্যোক্তা। তারা দেশের ২৯টি বিশ্ববিদ্যালয়, গবেষণা প্রতিষ্ঠান এবং স্টার্টআপ থেকে অংশ নেন। ফলে এটি আন্তর্জাতিক জ্ঞান বিনিময় ও গবেষণা সহযোগিতার একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্মে পরিণত হয়।
এই আয়োজনে দেশের সেরা এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড অর্জন করেন মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়োটেকনোলজি অ্যান্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ২০০৯ থেকে ১০ সেশনের দুই সাবেক শিক্ষার্থী মো. আরিফ খান ও উজ্জ্বল হোসেন।
মো. আরিফ খান বলেন, 'রেসিডেন্ট বাংলাদেশি গবেষক ক্যাটাগরিতে ‘ইয়াং বায়োটেকনোলজিস্ট এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড ২০২৬’ অর্জন তার জন্য গর্বের। তিনি এই সাফল্যের জন্য তার মেন্টর, সহকর্মী ও পরিবারের সদস্যদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং ভবিষ্যতে দেশের কল্যাণে প্রয়োগভিত্তিক গবেষণায় আরও সক্রিয়ভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।'
অন্যদিকে উজ্জ্বল হোসেন ‘ইমার্জিং বায়োটেকনোলজিস্ট এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড ২০২৬’ অর্জনে গভীর আনন্দ প্রকাশ করেন। তিনি জানান, 'এই স্বীকৃতি তার গবেষণা জীবনে নতুন উদ্দীপনা যোগাবে। তিনি তার শিক্ষা ও কর্মস্থল ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব বায়োটেকনোলজি NIB, মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এবং University of Oxford এর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। একই সঙ্গে তিনি আশা প্রকাশ করেন, তার এই অর্জন দেশের উন্নয়ন ও গবেষণায় ইতিবাচক অবদান রাখবে।'
