শুক্রবার ১৭, এপ্রিল ২০২৬

শুক্রবার ১৭, এপ্রিল ২০২৬ -- : -- --

চবির স্যাটেলাইট ওশান অবজারভেশন সেন্টার পরিদর্শনে উপাচার্য

চবি প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:১৫ পিএম

উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আল্-ফোরকান

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে স্থাপিত স্যাটেলাইট ওশান অবজারভেশন অ্যান্ড ডাটা ইনোভেশন সেন্টার পরিদর্শন করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আল্-ফোরকান।

শুক্রবার (১৭ এপ্রিল ২০২৬) সকাল ১০টায় তিনি সেন্টারটি পরিদর্শন করেন। এসময় সেন্টারের পরিচালক ও ওশানোগ্রাফি বিভাগের প্রফেসর ড. মোহাম্মদ মোসলেম উদ্দিন মুন্না উপাচার্যকে সার্ভার, অ্যান্টেনা, ল্যাব স্পেস ও ডিসপ্লে রুমসহ বিভিন্ন স্থাপনা ও যন্ত্রপাতি ঘুরিয়ে দেখান এবং এর কার্যক্রম সম্পর্কে বিস্তারিত তুলে ধরেন।

পরিদর্শন শেষে উপাচার্য সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, “এ সেন্টার চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি বড় সম্পদ। এটি পুরোদমে কার্যকর হলে পুরো দেশ এর সুফল পাবে।”

তিনি আরও বলেন, “চীনের প্রাকৃতিক সম্পদ মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ রাষ্ট্রীয় সমুদ্র গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেকেন্ড ইন্সটিটিউট অব ওশানোগ্রাফি এর টেকনিক্যাল ও ইন্সট্রুমেন্টাল সহায়তায় চবি ক্যাম্পাসে স্থাপিত অত্যাধুনিক সমুদ্র গবেষণার এ অবকাঠামো ও প্রয়োজনীয় সুবিধাসমূহ বঙ্গোপসাগরের নানা তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহে বিশেষ অবদান রাখবে।”

উপাচার্য আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, “এই তথ্য ব্যবহার করে আমাদের শিক্ষার্থীরা ব্লু ইকোনমি উন্নয়নে গবেষণা করতে সক্ষম হবে এবং দেশ ও জাতি এর সুফল ভোগ করবে।”

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ওশান স্যাটেলাইট গ্রাউন্ড স্টেশন প্রকল্প বাস্তবায়নে ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে চীনের সেকেন্ড ইন্সটিটিউট অব ওশানোগ্রাফির সঙ্গে একটি ওয়ার্কিং এগ্রিমেন্ট স্বাক্ষরিত হয়। পরবর্তীতে ২০২৫ সালের ২৬ মার্চ অবকাঠামো নির্মাণ কাজ শুরু হয়।

২০২৬ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেটের ৫৬৬তম সভায় এটিকে “Satellite Ocean Observation and Data Innovation Center, University of Chittagong” নামে স্বতন্ত্র সেন্টার হিসেবে অনুমোদন দেওয়া হয়। সেন্টারের পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন প্রফেসর ড. মোহাম্মদ মোসলেম উদ্দিন।

সেন্টারের পরিচালক জানান, “স্যাটেলাইট ওশান অবজারভেশন এন্ড ডাটা ইনোভেশন সেন্টারের কাজ প্রায় সম্পন্ন হয়েছে। বর্তমানে টার্গেটকৃত স্যাটেলাইট থেকে ডাটা ডাউনলোড, প্রসেসিং প্রোগ্রামিং ও অ্যালগরিদম উন্নয়নের কাজ চলমান রয়েছে, যা মে ২০২৬ এর মধ্যে সম্পন্ন হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।”

তিনি আরও বলেন, “সব কিছু ঠিক থাকলে আগামী জুনের প্রথম সপ্তাহে মাননীয় উপাচার্যের সাথে আলোচনা সাপেক্ষে চূড়ান্ত অপারেশনের উদ্বোধন করার পরিকল্পনা রয়েছে।”

পরিদর্শনকালে ইনোভেশন সেন্টারের গবেষক ও শিক্ষার্থীরা উপাচার্যকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান। উপাচার্য তাদের ধন্যবাদ জানিয়ে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।

Link copied!