সোমবার ০৯, মার্চ ২০২৬

সোমবার ০৯, মার্চ ২০২৬ -- : -- --

ডিআইএ কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময়ে শিক্ষামন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০৬ মার্চ ২০২৬, ০৭:৩৮ পিএম

ফাইল ফটো

শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় শৃঙ্খলা ও জবাবদিহিতার যে কাঠামো আজ প্রতিষ্ঠিত, তার ভিত্তি গড়ে দিয়েছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। তাঁর বিভিন্ন দূরদর্শী উদ্যোগের ফলেই শিক্ষা প্রশাসনে স্বচ্ছতা ও দায়িত্বশীলতার সংস্কৃতি তৈরি হয়।

বৃহস্পতিবার বিকেলে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তরের (ডিআইএ) কর্মকর্তাদের সঙ্গে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী জানান, স্বল্প সময়ের জন্য হলেও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালনকালে জিয়াউর রহমান শিক্ষকদের জন্য ৫০ শতাংশ বেতন সুবিধা চালু করেছিলেন। পাশাপাশি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে আর্থিক স্বচ্ছতা বজায় রাখতে অডিট ব্যবস্থা চালু করার উদ্যোগও নেন তিনি। এই পদক্ষেপগুলো শিক্ষা খাতে শৃঙ্খলা ও জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

তিনি বলেন, জিয়াউর রহমানের সেই দূরদর্শী চিন্তা ও নীতির ধারাবাহিকতায় দেশের শিক্ষা খাত আরও এগিয়ে যাবে বলে আশা করা যায়। তাঁরই সুযোগ্য সন্তান বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাস্তবমুখী পরিকল্পনা গ্রহণের মাধ্যমে শিক্ষা খাতে নতুন গতি আসবে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

বৈঠকে মন্ত্রী বর্তমান বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি এবং জ্বালানি সংকটের বিষয়টিও তুলে ধরেন। তিনি সরকারি দপ্তরগুলোকে ব্যয় সাশ্রয়ী হওয়ার আহ্বান জানান। অফিসিয়াল কাজে গাড়ি শেয়ারিং, বিদ্যুৎ ব্যবহারে সংযম এবং এয়ার কন্ডিশনারের তাপমাত্রা নির্ধারিত সীমার মধ্যে রাখার সরকারি নির্দেশনা অনুসরণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, শিক্ষা খাতে অনিয়ম ও দুর্নীতি প্রতিরোধে এই অধিদপ্তরের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে সততা, নিষ্ঠা ও স্বচ্ছতা বজায় রাখার আহ্বান জানান তিনি।

শিক্ষার মান উন্নয়নে নতুন উদ্যোগের কথাও উল্লেখ করেন শিক্ষামন্ত্রী। তিনি জানান, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ইতিবাচক প্রতিযোগিতা তৈরি করতে স্কুল ও কলেজের জন্য একটি র‌্যাংকিং পদ্ধতি চালুর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। শিক্ষার মান, ব্যবস্থাপনা, পরিবেশ এবং শিক্ষার্থীদের ফলাফলের মতো সূচকের ভিত্তিতে এই র‌্যাংকিং নির্ধারণ করা হবে।

সভায় কর্মকর্তাদের নিজ নিজ দপ্তরের চলমান কাজ, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা এবং শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নে প্রস্তাবনা লিখিতভাবে মন্ত্রণালয়ে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেন মন্ত্রী। পাশাপাশি তিনি নিয়মিত পরিদর্শন এবং সরাসরি আলোচনার মাধ্যমে সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দেন।

সভায় শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

Link copied!