গণ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মারুফ হাসান
প্রকাশিত: ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:২৮ পিএম
বৃহস্পতিবার ১৫, অক্টোবর ২০২৬ -- : -- --
ছবি। ক্যাম্পাস রিপোর্ট
গণ বিশ্ববিদ্যালয়ে (গবি) ভেটেরিনারি এন্ড এনিমেল সায়েন্সেস অনুষদের ২১ ও ২২তম ব্যাচের নবীন শিক্ষার্থীদের বরণ এবং ১২তম ব্যাচের বিদায়ী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (১৪ অক্টোবর) অনুষদের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে বর্ণিল ফ্ল্যাশমবের ছন্দে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়।
পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রান্সপোর্ট চত্বরে অনুষদের অধিকর্তা অধ্যাপক ড. মো. জহিরুল ইসলাম খানের সভাপতিত্বে নবীন শিক্ষার্থীদের বরণ ও বিদায়ী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দেওয়া হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আবুল হোসেন।
আয়োজিত অনুষ্ঠানের শুরুতেই নবীন শিক্ষার্থীরা তাদের বক্তব্যে অনুষদের প্রতি আশা-প্রত্যাশার কথা বলেন এবং বিদায়ী শিক্ষার্থীরা ভবিষ্যতে তাদের অর্জিত জ্ঞানকে দেশের প্রাণিসম্পদ খাতের উন্নয়নে কাজে লাগানোর প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে গবির মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও ছাত্র উপদেষ্টা সহকারী অধ্যাপক শাহ আলম বলেন, ‘আমাদের ল্যাব ব্যবহার করেই ভেটেরিনারি অনুষদের যাত্রা শুরু। এরপর থেকেই এগিয়ে চলেছে ভেটেরিনারি অনুষদ। ভেটেরিনারি অনুষদের একটি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন আছে। তাদের প্রতি অনুরোধ থাকবে, ভবিষ্যতে সব শিক্ষার্থীর পথচলায় যেন তারা সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেয়।’
উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আবুল হোসেন বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় একটি আপন জায়গা, আবেগের জায়গা। বলা হয়, বিশ্ববিদ্যালয় একটি মুক্ত জায়গা, এখানে সবকিছু সহজলভ্য। তবে সব সময় ভালো দিকটি বেছে নেওয়া দরকার। নবীন শিক্ষার্থীদের বলবো তোমাদের যদি কোনো সমস্যা হয়, তাহলে শিক্ষক আছেন, বড় ভাইয়েরা আছেন। তাঁদের সঙ্গে কথা বলে সমস্যার সমাধান করে নেবে। তোমাদের পরিবারের মানুষ এখন তারাই। যা অর্জন করবে, যা শিখবে, তাই তোমাদের অর্জন।’
অনুষদের অধিকর্তা অধ্যাপক জহিরুল ইসলাম বলেন, ‘ভেটেরিনারি বিশ্ব চিকিৎসা ও স্বাস্থ্যে অবদান রেখে আসছে। বাংলাদেশের শিক্ষার্থীরাও এ ক্ষেত্রে অবদান রাখছেন। একসময় এমন পরিস্থিতি ছিল না। আমাদের পরিশ্রমের ফলে আমরা ভেটেরিনারি পেশাকে এ পর্যায়ে আনতে পেরেছি। আর আমাদের অনুষদে অনেক উন্নত মানের ল্যাব হয়েছে, ক্লাসরুমের পরিবর্তন হয়েছে, মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম রয়েছে। আমাদের চাহিদার ৯০ শতাংশ পূরণ হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় একটি জ্ঞানচর্চার জায়গা, গবেষণার জায়গা। গবেষণার জন্য আমাদের যা যা দরকার হয়, আমরা ব্যবস্থা করব।’
অনুষ্ঠানে কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের ভিপি ইয়াছিন আল মৃদুল দেওয়ান, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের ডিন ও বিভাগীয় প্রধান, শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অনুষদের শিক্ষার্থীদের নাচ, গান, আবৃত্তি, কৌতুক ইত্যাদি পরিবেশনার মধ্য দিয়ে আয়োজনের সমাপ্তি ঘটে।