বৃহস্পতিবার ১৫, অক্টোবর ২০২৬

বৃহস্পতিবার ১৫, অক্টোবর ২০২৬ -- : -- --

খুবিতে রিসার্চ এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড পেলেন ৭ শিক্ষক

ক্যাম্পাস প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৩৩ পিএম

ছবি। ক্যাম্পাস রিপোর্ট

গবেষণায় অবদান ও কৃতিত্বের স্বীকৃতিস্বরূপ খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুবি) জীববিজ্ঞান স্কুলের সাতটি ডিসিপ্লিনের সাত শিক্ষককে ‘রিসার্চ এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড-২০২৫’ দেওয়া হয়েছে। ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত গবেষণাকর্ম মূল্যায়নের ভিত্তিতে প্রথমবারের মতো এ পুরস্কার চালু করেছে জীববিজ্ঞান স্কুল।

বুধবার (১৪ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিক লিয়াকত আলী মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে শিক্ষকদের হাতে সম্মাননা স্মারক ও সনদ তুলে দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রেজাউল করিম।

অ্যাওয়ার্ডপ্রাপ্ত শিক্ষকেরা হলেন এগ্রোটেকনোলজি ডিসিপ্লিনের অধ্যাপক ড. মো. ইয়ামিন কবীর, বায়োটেকনোলজি অ্যান্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং ডিসিপ্লিনের অধ্যাপক ড. মো. মুরছালিন বিল্লাহ, এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স ডিসিপ্লিনের সহকারী অধ্যাপক সাধন চন্দ্র স্বর্ণকার, ফিশারিজ অ্যান্ড মেরিন রিসোর্স টেকনোলজি ডিসিপ্লিনের অধ্যাপক ড. অলোকেশ কুমার ঘোষ, ফরেস্ট্রি অ্যান্ড উড টেকনোলজি ডিসিপ্লিনের অধ্যাপক ড. মো. ইফতেখার শামস, ফার্মেসি ডিসিপ্লিনের সহযোগী অধ্যাপক মো. মনিরুল ইসলাম এবং সয়েল, ওয়াটার অ্যান্ড এনভায়রনমেন্ট সায়েন্স ডিসিপ্লিনের সহযোগী অধ্যাপক ড. মিল্টন হালদার।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রেজাউল করিম বলেন, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় গবেষণার মাধ্যমে দেশের উন্নয়নে অবদান রাখতে চায়। এ লক্ষ্য অর্জনে শিল্পপ্রতিষ্ঠান ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে সহযোগিতা বাড়ানোর পাশাপাশি গবেষণা খাতে বরাদ্দ বৃদ্ধি করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যতম প্রধান কাজ মৌলিক গবেষণা পরিচালনা। গবেষণাকেন্দ্রিক বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় গবেষণার উৎকর্ষ সাধনে এগিয়ে যাচ্ছে। বড় পরিসরে গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়টি হিটের আটটি প্রকল্প পেয়েছে। এ সময় শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের গবেষণায় উৎসাহিত করতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন উদ্যোগের কথাও তুলে ধরেন তিনি।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. হারুনর রশীদ খান বলেন, প্রতিটি গবেষণাই মানুষের জীবনমান উন্নয়নের সঙ্গে সম্পর্কিত। গবেষণার পথে নানা প্রতিকূলতা থাকলেও এ ধরনের পুরস্কার গবেষকদের কাজের স্বীকৃতি দেওয়ার পাশাপাশি ভবিষ্যতে আরও ভালো কাজ করতে উৎসাহিত করবে।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মো. নূরুন্নবী বলেন, যেকোনো স্বীকৃতি আনন্দ ও অনুপ্রেরণার উৎস। জীববিজ্ঞান স্কুলের এ উদ্যোগ শিক্ষকদের গবেষণায় উৎসাহিত করার পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণার সংস্কৃতি বিকাশে ভূমিকা রাখবে। গবেষণার মাধ্যমে নতুন জ্ঞান সৃষ্টি ও উদ্ভাবনের পথ উন্মুক্ত হয় বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

জীববিজ্ঞান স্কুলের ডিন অধ্যাপক ড. মো. গোলাম হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন আয়োজক কমিটির আহ্বায়ক ও ফরেস্ট্রি অ্যান্ড উড টেকনোলজি ডিসিপ্লিনের প্রধান অধ্যাপক ড. মো. নবীউল ইসলাম খান। অনুষ্ঠানে পুরস্কারপ্রাপ্ত শিক্ষকেরা নিজেদের গবেষণা নিয়ে সংক্ষিপ্ত উপস্থাপনা দেন।
এ ছাড়া জাতীয় পর্যায়ে ‘গুণী শিক্ষক সম্মাননা’ পাওয়ায় বায়োটেকনোলজি অ্যান্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং ডিসিপ্লিনের অধ্যাপক ড. মো. মুরছালিন বিল্লাহ এবং অর্থনীতি ডিসিপ্লিনের অধ্যাপক ড. মো. নাসিফ আহসানকে জীববিজ্ঞান স্কুলের পক্ষ থেকে সম্মাননা জানানো হয়।

অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সয়েল, ওয়াটার অ্যান্ড এনভায়রনমেন্ট সায়েন্স ডিসিপ্লিনের সহকারী অধ্যাপক শারমিন সুলতানা এবং ফরেস্ট্রি অ্যান্ড উড টেকনোলজি ডিসিপ্লিনের প্রভাষক নওরিন আহসান হাবিব। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন স্কুলের ডিন, ডিসিপ্লিনপ্রধান, বিভিন্ন বিভাগের পরিচালক ও শিক্ষকরা উপস্থিত ছিলেন।

Link copied!