প্রকাশিত: ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৫৯ পিএম
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ‘সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা-২০২৫’-এ চূড়ান্তভাবে উত্তীর্ণ হয়েও স্থায়ী বসতভিটা না থাকায় নিয়োগপত্র না পাওয়া ঝিনাইদহের মিশন আচার্যের নিয়োগের বিষয়টি চূড়ান্ত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী মো. রাশেদ খাঁনের উদ্যোগের পর শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।
রোববার (৪ অক্টোবর) সকালে শিক্ষামন্ত্রী বরাবর একটি ডিও লেটার দেন রাশেদ খাঁন। চিঠিতে তিনি উল্লেখ করেন, মিশন আচার্য ঝিনাইদহ সদর উপজেলার কলাবাগান এলাকায় জন্মলগ্ন থেকে বসবাস করছেন। বর্তমানে তিনি সেখানে ভাড়া বাসায় থাকলেও নিজস্ব স্থায়ী বসতভিটা না থাকায় প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের চূড়ান্ত প্রক্রিয়ায় নিয়োগপত্র পাননি।
ডিও লেটারে রাশেদ খাঁন আরও উল্লেখ করেন, মিশন আচার্য ছোটবেলা থেকেই পিতৃহীন অবস্থায় বেড়ে উঠেছেন। তাঁর মা কষ্ট করে তাঁকে পড়াশোনা করিয়েছেন। মিশন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগ থেকে পড়াশোনা শেষ করে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় চূড়ান্তভাবে উত্তীর্ণ হন।
এর আগে গণমাধ্যমে মিশন আচার্যের নিয়োগ আটকে যাওয়ার বিষয়টি প্রকাশিত হলে বিষয়টি আলোচনায় আসে। প্রতিবেদনে জানা যায়, ঝিনাইদহ শহরের কলাবাগান এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে ভাড়া বাসায় বসবাস করলেও তাঁর নিজস্ব বসতভিটা নেই।
রোববার দুপুর ২টার দিকে মিশন আচার্যকে সঙ্গে নিয়ে সচিবালয়ে শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন রাশেদ খাঁন। সাক্ষাতের পর সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে মিশন আচার্যের নিয়োগের বিষয়টি চূড়ান্ত করার নির্দেশনা দেন শিক্ষামন্ত্রী।
মিশন আচার্য এর আগে জানিয়েছিলেন, প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে তাঁর সঙ্গে সুপারিশপ্রাপ্ত ১৮২ জনের মধ্যে ১৮০ জন নিয়োগপত্র পেলেও স্থায়ী ঠিকানা-সংক্রান্ত জটিলতার কারণে তিনি নিয়োগপত্র পাননি।
মিশনের নিয়োগের বিষয়টি চূড়ান্ত হওয়ায় দীর্ঘদিনের অনিশ্চয়তার অবসান হতে যাচ্ছে। সংশ্লিষ্ট প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে তিনি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক হিসেবে যোগদানের সুযোগ পাবেন।
