প্রকাশিত: ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৪১ পিএম
যুক্তরাজ্যভিত্তিক শিক্ষা সাময়িকী টাইমস হায়ার এডুকেশন (টিএইচই) প্রকাশিত ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি র্যাংকিং ২০২৭-এ বাংলাদেশের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে পঞ্চম এবং দেশের সব বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে নবম অবস্থান অর্জন করেছে ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস এগ্রিকালচার অ্যান্ড টেকনোলজি (আইইউবিএটি)।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) টিএইচইর ওয়েবসাইটে প্রকাশিত ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি র্যাংকিং ২০২৭ থেকে এ তথ্য জানা গেছে। বৈশ্বিক তালিকায় আইইউবিএটির অবস্থান ১০০১–১২০০তম।
এবারের র্যাংকিংয়ে বিশ্বের ১১৮টি দেশের ২ হাজার ২৯৭টি বিশ্ববিদ্যালয় অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর শিক্ষাদান, গবেষণার পরিবেশ, গবেষণার মান, আন্তর্জাতিক দৃষ্টিভঙ্গি এবং শিল্পখাতের সঙ্গে সম্পৃক্ততাসহ বিভিন্ন সূচকের ভিত্তিতে এ মূল্যায়ন করা হয়েছে।
বাংলাদেশের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে পঞ্চম
র্যাংকিংয়ে বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে আইইউবিএটির অবস্থান নবম। আর দেশের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে প্রতিষ্ঠানটির অবস্থান পঞ্চম।
বিশ্ববিদ্যালয়টির সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, শিক্ষার মানোন্নয়ন, গবেষণা কার্যক্রম, আন্তর্জাতিক সম্পৃক্ততা এবং শিল্পখাতের সঙ্গে যোগাযোগ বৃদ্ধির ধারাবাহিক প্রচেষ্টার প্রতিফলন এই অবস্থান।
টিএইচই ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি র্যাংকিং আন্তর্জাতিকভাবে পরিচিত বিশ্ববিদ্যালয় মূল্যায়ন ব্যবস্থাগুলোর একটি। বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষাদান ও গবেষণার পরিবেশের পাশাপাশি গবেষণার প্রভাব, আন্তর্জাতিক সম্পৃক্ততা এবং শিল্পের সঙ্গে সম্পর্কসহ একাধিক সূচক এতে বিবেচনা করা হয়।
১৯৯১ সালে প্রতিষ্ঠা
প্রখ্যাত শিক্ষাবিদ অধ্যাপক ড. আলিমুল্লাহ মিয়ান ১৯৯১ সালে আইইউবিএটি প্রতিষ্ঠা করেন। বিশ্ববিদ্যালয়টির তথ্য অনুযায়ী, এটি বাংলাদেশের প্রথম বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়।
রাজধানীর উত্তরায় অবস্থিত বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ব্যবসায় প্রশাসন, কৃষি, প্রকৌশল, কম্পিউটার বিজ্ঞান, নার্সিংসহ বিভিন্ন বিষয়ে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।
দক্ষ, নৈতিক এবং বৈশ্বিকভাবে যোগ্য গ্র্যাজুয়েট তৈরি করাকে বিশ্ববিদ্যালয়টির অন্যতম লক্ষ্য হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি প্রায়োগিক শিক্ষা, গবেষণা, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ও সমাজসম্পৃক্ত কার্যক্রমের ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
সবুজ ক্যাম্পাস ও গবেষণায় গুরুত্ব
উত্তরার সবুজ ক্যাম্পাস, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা এবং গবেষণা ও সমাজসম্পৃক্ত বিভিন্ন কার্যক্রম আইইউবিএটির শিক্ষা কার্যক্রমের উল্লেখযোগ্য দিক হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের মতে, উচ্চশিক্ষার মানোন্নয়ন, উদ্ভাবন ও গবেষণার পরিবেশ তৈরির ধারাবাহিক প্রচেষ্টার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক পরিসরে নিজেদের অবস্থান আরও শক্তিশালী করার চেষ্টা চলছে।
টিএইচই র্যাংকিংয়ে এই অবস্থান অর্জনের পর বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সংশ্লিষ্ট শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারী, গবেষক ও অংশীজনদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছে। একই সঙ্গে শিক্ষার উৎকর্ষ, উদ্ভাবন এবং বিশ্বমানের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে আইইউবিএটির অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছে।
