শনিবার ১৯, সেপ্টেম্বর ২০২৬

শনিবার ১৯, সেপ্টেম্বর ২০২৬ -- : -- --

এআইটির অ্যাওয়ার্ড পেলেন পাবিপ্রবি প্রো-ভিসি নজরুল ইসলাম

অধ্যাপক ড. মো. নজরুল ইসলাম

উচ্চশিক্ষা, গবেষণা এবং বিশ্ববিদ্যালয় উন্নয়নে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ এশিয়ান ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির (এআইটি) ‘ডিস্টিংগুইশড এআইটি অ্যালামনাই অ্যাওয়ার্ড-২০২৬’ অর্জন করেছেন পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পাবিপ্রবি) উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. নজরুল ইসলাম।

এআইটি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন একাডেমিক ও গবেষণা ক্ষেত্রে দীর্ঘদিনের অবদানের জন্য তাঁকে এ সম্মাননা প্রদান করেছে।

অধ্যাপক ড. নজরুল ইসলাম ২০০২ সালে এশিয়ান ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি (এআইটি) থেকে পাল্প অ্যান্ড পেপার টেকনোলজি বিষয়ে দ্বিতীয় মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করেন। পরে ২০০৮ সালে জাপানের টোকিও ইউনিভার্সিটি অব অ্যাগ্রিকালচার অ্যান্ড টেকনোলজি (টিইউএটি) থেকে পিএইচডি ডিগ্রি লাভ করেন। এছাড়া তিনি জাপান, কানাডা ও মালয়েশিয়াসহ বিভিন্ন দেশের বিশ্ববিদ্যালয়ে পোস্ট-ডক্টরাল গবেষণা সম্পন্ন করেছেন।

অ্যাওয়ার্ড ঘোষণায় উল্লেখ করা হয়, দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি উচ্চশিক্ষা, গবেষণা ও বিশ্ববিদ্যালয় ব্যবস্থাপনার উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছেন। টেকসই বনজ পণ্য, জৈবভিত্তিক উপকরণ, ন্যানোটেকনোলজি, জলবায়ু সহনশীলতা এবং সার্কুলার বায়োইকোনমি বিষয়ে তাঁর গবেষণা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে প্রশংসিত হয়েছে।

গবেষণা জীবনে তাঁর ১০০টির বেশি আন্তর্জাতিক গবেষণা প্রকাশনা এবং পাঁচটি পেটেন্ট রয়েছে। এছাড়া বিশ্বব্যাংক, ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার অর্থায়নে পরিচালিত গবেষণা প্রকল্পে নেতৃত্ব দেওয়ার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থাগুলোর গবেষণা পরামর্শক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি।

অধ্যাপক ড. নজরুল ইসলাম স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটির প্রকাশিত বিশ্বের শীর্ষ ২ শতাংশ বিজ্ঞানীর তালিকায় স্থান পেয়েছেন। গবেষণায় অবদানের জন্য তিনি এর আগে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘বেস্ট রিসার্চার অ্যাওয়ার্ড’ও অর্জন করেন।

পুরস্কারপ্রাপ্তির অনুভূতি জানিয়ে তিনি বলেন, “এআইটির এই সম্মাননা আমার জন্য অত্যন্ত গৌরবের। গবেষণার মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত জ্ঞানকে বাস্তব সমস্যার কার্যকর সমাধানে রূপান্তর করা। জলবায়ু পরিবর্তন, টেকসই উন্নয়ন ও সম্পদ ব্যবস্থাপনার মতো বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় গবেষণা ও উদ্ভাবনের বিকল্প নেই।”

তিনি আরও বলেন, “উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে ভবিষ্যতের পরিবেশগত ও উন্নয়নগত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আঞ্চলিক সহযোগিতা ও উদ্ভাবনভিত্তিক গবেষণাকে আরও শক্তিশালী করতে হবে।”

Link copied!