মঙ্গলবার ০৪, আগস্ট ২০২৬

মঙ্গলবার ০৪, আগস্ট ২০২৬ -- : -- --

যৌথ শিক্ষা-গবেষণায় আগ্রহ জাপানি প্রতিনিধিদলের

ক্যাম্পাস প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ০৩ আগস্ট ২০২৬, ০৭:৩৪ পিএম

ছবি।ক্যাম্পাস রিপোর্ট

পরিবেশ সচেতনতা বৃদ্ধি এবং বাংলাদেশ-জাপান শিক্ষা সহযোগিতা জোরদারের লক্ষ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলামের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন জাপানের একটি প্রতিনিধিদল। সোমবার (৩ আগস্ট) উপাচার্যের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এ সৌজন্য সাক্ষাতে ‘ক্লিন ঢাকা ক্যাম্পেইন’ বাস্তবায়ন, যৌথ শিক্ষা ও গবেষণা এবং সাংস্কৃতিক বিনিময় কর্মসূচি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

জাপানের বৃহত্তম শিক্ষার্থী স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ইন্টারন্যাশনাল ভলান্টিয়ার ইউনিভার্সিটি স্টুডেন্ট অ্যাসোসিয়েশন এর উপ-পরিচালক জুম্পেই তানিগুচির নেতৃত্বে দুই সদস্যের প্রতিনিধিদল বৈঠকে অংশ নেয়। প্রতিনিধিদলের অপর সদস্য ছিলেন জাপানের রিটসুমেইকান বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী প্রতিনিধি কোয়ো তোকুরিকি।

এ সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউটের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক অধ্যাপক মোহাম্মদ আবছার কামাল এবং ড. মো. মনির উদ্দিন উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকে প্রতিনিধিদল জানায়, ২০২৭ সালের ১ থেকে ৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত জাপানের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩০ জন শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণে ‘ক্লিন ঢাকা ক্যাম্পেইন’ পরিচালনার পরিকল্পনা রয়েছে। এ কর্মসূচির মাধ্যমে পরিবেশ পরিচ্ছন্নতা ও জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করতে আগ্রহ প্রকাশ করেন তারা।

আলোচনায় বাংলাদেশ ও জাপানের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে যৌথ শিক্ষা ও গবেষণা কার্যক্রম সম্প্রসারণ, সেমিনার, সিম্পোজিয়াম এবং সাংস্কৃতিক বিনিময় আয়োজনের সম্ভাবনাও গুরুত্ব পায়। উভয় পক্ষই শিক্ষা, গবেষণা ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা আরও বিস্তৃত করার বিষয়ে ইতিবাচক মত প্রকাশ করেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় পরিদর্শন এবং ‘ক্লিন ঢাকা ক্যাম্পেইন’ বাস্তবায়নে আগ্রহ প্রকাশ করায় জাপানি প্রতিনিধিদলকে ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, পরিবেশবান্ধব উদ্যোগ এবং আন্তর্জাতিক শিক্ষা সহযোগিতা সম্প্রসারণে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সবসময় ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে আগ্রহী। এ কর্মসূচি বাস্তবায়নে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে সম্ভাব্য সব ধরনের সহযোগিতা প্রদান করা হবে বলেও তিনি আশ্বাস দেন।

বিশ্ববিদ্যালয় সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এ ধরনের আন্তর্জাতিক সহযোগিতা শিক্ষার্থীদের বৈশ্বিক অভিজ্ঞতা অর্জনের পাশাপাশি পরিবেশ সচেতনতা ও আন্তর্জাতিক শিক্ষা-গবেষণা নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

Link copied!