প্রকাশিত: ৩১ জুলাই ২০২৬, ১২:৩৬ পিএম
আন্তর্জাতিক শিক্ষা ও গবেষণায় নতুন এক মাইলফলক স্পর্শ করতে যাচ্ছে চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট)। বিশ্ববিদ্যালয় ও নরওয়ের ইউনিভার্সিটি অব আগডার যৌথভাবে পরিচালিত ক্লিন এন্ড রিনিউএবল এনার্জি প্রকল্পের আওতায় আগামী ৬ আগস্ট ২০২৬ থেকে বিভিন্ন মেয়াদে নরওয়ে যাচ্ছেন চুয়েটের চার শিক্ষার্থী।
শিক্ষার্থীদের এই আন্তর্জাতিক যাত্রাকে সামনে রেখে গত বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) চুয়েট প্রশাসনের সঙ্গে ঢাকায় নিযুক্ত রয়্যাল নরওয়েজিয়ান দূতাবাসের প্রতিনিধিদের একটি সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট কক্ষে আয়োজিত এ সভায় সভাপতিত্ব করেন চুয়েটের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েম।
সভায় উপাচার্য বলেন, “নরওয়েতে শিক্ষা ও গবেষণার এই সুযোগ শিক্ষার্থীদের আন্তর্জাতিক মানের জ্ঞান, দক্ষতা ও গবেষণার অভিজ্ঞতা অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। আমি বিশ্বাস করি, তারা অর্জিত অভিজ্ঞতা দেশে ফিরে চুয়েটের শিক্ষা, গবেষণা এবং জাতীয় উন্নয়নে কাজে লাগাবে।”
তিনি চার শিক্ষার্থীর সফলতা কামনা করে তাদের জন্য শুভকামনা জানান।
সমন্বয় সভায় চুয়েট ও নরওয়ের বিভিন্ন যৌথ প্রকল্পের অগ্রগতি, ভবিষ্যৎ গবেষণা সহযোগিতা, নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে যৌথ উদ্যোগ এবং শিক্ষার্থী বিনিময় কার্যক্রম নিয়ে আলোচনা হয়।
চুয়েটের পক্ষে সভায় উপস্থিত ছিলেন তড়িৎ ও কম্পিউটার প্রকৌশল অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. কাজী দেলোয়ার হোসেন, পুর ও পরিবেশ কৌশল অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. আসিফুল হক, ইনস্টিটিউট অব এনার্জি টেকনোলজির পরিচালক অধ্যাপক ড. জামাল উদ্দীন আহাম্মদ, রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. শেখ মোহাম্মদ হুমায়ুন কবিরসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক ও প্রশাসনিক কর্মকর্তারা।
নরওয়েজিয়ান দূতাবাসের প্রতিনিধিদলে ছিলেন হেনরিক এংমো, লিনেয়া ডাল এবং ঢাকার রয়্যাল নরওয়েজিয়ান দূতাবাসের অর্থনৈতিক ও বাণিজ্য বিষয়ক উপদেষ্টা সৈয়দ মুনতাসির বায়জিদ।
এর আগে, ২৯ জুলাই চুয়েটে পরিচালিত Bangladesh–Norway Renewable Energy Hub-এর চলমান কার্যক্রম পরিদর্শন করেন নরওয়েজিয়ান প্রতিনিধিরা। এ সময় নবায়নযোগ্য জ্বালানি, গবেষণা ও প্রযুক্তি উন্নয়ন নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে মতবিনিময় হয়।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমের নেতৃত্বে আন্তর্জাতিক সহযোগিতাভিত্তিক এসব প্রকল্প সফলভাবে এগিয়ে চলছে। সংশ্লিষ্টদের আশা, এ ধরনের উদ্যোগ চুয়েটের গবেষণা সক্ষমতা বৃদ্ধি, আন্তর্জাতিক অংশীদারিত্ব সম্প্রসারণ এবং শিক্ষার্থীদের বৈশ্বিক পর্যায়ে দক্ষতা অর্জনের নতুন সুযোগ সৃষ্টি করবে।
