নোবিপ্রবি থেকে রাকিব মোহাম্মদ আরজু
প্রকাশিত: ১৮ জুন ২০২৬, ০৮:৫৩ পিএম
বৃহস্পতিবার ১৮, জুন ২০২৬ -- : -- --
প্রতীকী ছবি।
নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (নোবিপ্রবি) একাডেমিক গবেষণায় অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ডিনস অ্যাওয়ার্ড ফর টিচার্স পাচ্ছেন ২৬ জন শিক্ষক।
বুধবার (১৭ জুন) বিশ্ববিদ্যালয়ের রিসার্চ সেল এ সম্মাননা পাওয়া শিক্ষকদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রকাশ করেছে।
প্রকাশিত তালিকা অনুযায়ী, মোস্ট প্রোডাকটিভ রিসার্চার অ্যাওয়ার্ড, হাইস্ট পাবলিশিং স্কলার অ্যাওয়ার্ড, রিসার্চ কন্ট্রিবিউটিং অ্যাওয়ার্ড এবং বেস্ট রিসার্চার অ্যাওয়ার্ড—এই চারটি ক্যাটাগরিতে সম্মাননা দেওয়া হবে। প্রভাষক ও সহকারী অধ্যাপক পদে একটি এবং সহযোগী অধ্যাপক ও অধ্যাপক পদে একটি করে প্রতিটি ক্যাটাগরিতে অনুষদভিত্তিক মোট আটটি করে সম্মাননা প্রদানের বিধান রয়েছে। তবে নির্ধারিত ন্যূনতম স্কোর অর্জন করতে না পারলে সংশ্লিষ্ট কোনো শিক্ষক পুরস্কারের জন্য মনোনীত হবেন না।
ডিনস অ্যাওয়ার্ডের আওতায় থাকা অনুষদগুলো হলো কলা ও সামাজিক বিজ্ঞান, বিজনেস স্টাডিজ, বিজ্ঞান, আইন, প্রকৌশল ও প্রযুক্তি, জীববিজ্ঞান এবং শিক্ষা বিজ্ঞান অনুষদ।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, বেস্ট রিসার্চার অ্যাওয়ার্ড ক্যাটাগরিতে প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদে ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. অপূর্বা অধিকারী এবং ইলেকট্রিক অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. এস এম সোহেল রানা সম্মাননা পেয়েছেন। বিজ্ঞান অনুষদে সমুদ্র বিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আব্দুল মোমিন সিদ্দিকী, পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক জাকিউল ইসলাম এবং পরিবেশ বিজ্ঞান ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক নিগার সুলতানা এ পুরস্কার লাভ করেন।
এ ছাড়া কলা ও সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ইনস্টিটিউট অব ইনফরমেশন সায়েন্সের সহকারী অধ্যাপক মোহাম্মদ আতিকুজ্জামান, বিজনেস স্টাডিজ অনুষদের ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগের অধ্যাপক ড. আব্দুল কাইয়ুম মাসুদ ও ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেম বিভাগের সহকারী অধ্যাপক শাহরিয়ার সেতু, জীববিজ্ঞান অনুষদের ফুড টেকনোলজি অ্যান্ড নিউট্রিশন সায়েন্স বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. তৌহিদ হাসান এবং বায়োটেকনোলজি অ্যান্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. শিপন দাস গুপ্তা বেস্ট রিসার্চার অ্যাওয়ার্ড অর্জন করেছেন।
মোস্ট প্রোডাকটিভ রিসার্চার অ্যাওয়ার্ড ক্যাটাগরিতে প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদের ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. অপূর্বা অধিকারী ও ইলেকট্রিক অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. এস এম সোহেল রানা, বিজ্ঞান অনুষদের সমুদ্র বিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আব্দুল মোমিন সিদ্দিকী এবং পরিবেশ বিজ্ঞান ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক নিগার সুলতানা সম্মাননা পেয়েছেন।
একই ক্যাটাগরিতে কলা ও সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ইনস্টিটিউট অব ইনফরমেশন সায়েন্সের সহকারী অধ্যাপক মোহাম্মদ আতিকুজ্জামান, বিজনেস স্টাডিজ অনুষদের ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগের অধ্যাপক ড. আব্দুল কাইয়ুম মাসুদ এবং ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেম বিভাগের সহকারী অধ্যাপক শাহরিয়ার সেতুও সম্মাননা অর্জন করেছেন।
রিসার্চ কন্ট্রিবিউটিং অ্যাওয়ার্ড ক্যাটাগরিতে প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদের অ্যাপ্লায়েড কেমিস্ট্রি অ্যান্ড কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আশরাফুল আলম, বিজ্ঞান অনুষদের সমুদ্র বিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আব্দুল মোমিন সিদ্দিকী এবং কলা ও সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ইনস্টিটিউট অব ইনফরমেশন সায়েন্সের সহকারী অধ্যাপক মোহাম্মদ আতিকুজ্জামান স্বীকৃতি পেয়েছেন।
এ ছাড়া বিজনেস স্টাডিজ অনুষদের ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের সহকারী অধ্যাপক তানভীর আহমেদ, জীববিজ্ঞান অনুষদের ফুড টেকনোলজি অ্যান্ড নিউট্রিশন সায়েন্স বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. তৌহিদ হাসান এবং ফিশারিজ অ্যান্ড মেরিন সায়েন্স বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. শ্যামল কুমার পাল এ ক্যাটাগরিতে পুরস্কৃত হয়েছেন।
হাইস্ট পাবলিশিং স্কলার অ্যাওয়ার্ড ক্যাটাগরিতে বিজ্ঞান অনুষদের সমুদ্র বিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আব্দুল মোমিন সিদ্দিকী ও পরিবেশ বিজ্ঞান ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক নিগার সুলতানা, কলা ও সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ইনস্টিটিউট অব ইনফরমেশন সায়েন্সের সহকারী অধ্যাপক মোহাম্মদ আতিকুজ্জামান এবং জীববিজ্ঞান অনুষদের ফুড টেকনোলজি অ্যান্ড নিউট্রিশন সায়েন্স বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. তৌহিদ হাসান ডিনস অ্যাওয়ার্ড ফর টিচার্স লাভ করেছেন।
এ বিষয়ে নোবিপ্রবির উপ-উপাচার্য ও রিসার্চ সেলের পরিচালক অধ্যাপক ড. শফিকুল ইসলাম বলেন, “গত বছর যেটি রিসার্চ অ্যাওয়ার্ড ছিল এবার সেটি নাম পরিবর্তিত হয়ে ডিনস অ্যাওয়ার্ড ফর টিচার্স করা হয়েছে। আমরা মোট চারটি ক্যাটাগরিতে ২৬ জন শিক্ষককে সম্মাননা জানাতে পারছি। এছাড়াও গবেষণায় অবদানের জন্য থাকছে তিনটি ভাইস চ্যান্সেলর এ্যাওয়ার্ড।”