প্রকাশিত: ১৪ জুন ২০২৬, ০১:১১ পিএম
জামালপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবিপ্রবি) ফিফা বিশ্বকাপ ফুটবল উপলক্ষে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে। শিক্ষার্থীদের আগ্রহ ও দাবির পরিপ্রেক্ষিতে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে বড় পর্দায় বিশ্বকাপের ম্যাচ সম্প্রচারের আয়োজন করেছে জাবিপ্রবি শাখা ছাত্রদল। এর ফলে শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি স্থানীয় ক্রীড়াপ্রেমীরাও একসঙ্গে খেলা উপভোগ করার সুযোগ পাচ্ছেন।
আয়োজকরা জানান, শুক্রবার (১২ জুন) থেকে শুরু হওয়া এই আয়োজন বিশ্বকাপের পুরো আসরজুড়ে অব্যাহত থাকবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবন চত্বরে বড় পর্দা স্থাপন করে দর্শকদের জন্য খেলা দেখার ব্যবস্থা করা হয়েছে।
বিশ্বকাপকে ঘিরে ইতোমধ্যে ক্যাম্পাসে ছড়িয়ে পড়েছে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা। বিভিন্ন আবাসিক হলের ছাদে শিক্ষার্থীরা নিজেদের সমর্থিত দলের পতাকা উত্তোলন করেছেন। নানা দেশের পতাকায় সজ্জিত হয়ে উঠেছে হল এলাকা। এছাড়া খেলা দেখতে আসা অনেক শিক্ষার্থী নিজ নিজ প্রিয় দলের জার্সি পরে উপস্থিত হওয়ায় পুরো পরিবেশে ফুটবল উৎসবের আমেজ আরও বেড়েছে।
বৃহস্পতিবার (১১ জুন) অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী ম্যাচ ঘিরেও ছিল শিক্ষার্থীদের ব্যাপক আগ্রহ। ম্যাচ শুরু হওয়ার আগেই প্রশাসনিক ভবন প্রাঙ্গণে জড়ো হন অসংখ্য শিক্ষার্থী। প্রিয় দলের পতাকা, জার্সি ও স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে পুরো এলাকা। ম্যাচ শেষে শিক্ষার্থীরা এমন উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়ে ভবিষ্যতেও এ ধরনের আয়োজন অব্যাহত রাখার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
আয়োজক সূত্রে জানা যায়, গত বুধবার (১০ জুন) জাবিপ্রবি ছাত্রদল বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে বড় পর্দায় বিশ্বকাপ ম্যাচ প্রদর্শনের অনুমতি চেয়ে আবেদন করে। প্রশাসনের সম্মতি পাওয়ার পরপরই প্রশাসনিক ভবনের সামনে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয় এবং দর্শকদের জন্য উপযুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করা হয়।
এ বিষয়ে জাবিপ্রবি ছাত্রদলের সদস্য সচিব যীনাত মিয়া আজিজুল বলেন, “বিশ্বকাপ ফুটবল শিক্ষার্থীদের কাছে অন্যতম আকর্ষণীয় একটি আয়োজন। দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসে বড় পর্দায় একসঙ্গে খেলা দেখার প্রত্যাশা করছিল। আমরা সেই প্রত্যাশা পূরণের চেষ্টা করেছি। শিক্ষার্থীদের স্বার্থে ও তাদের আনন্দঘন অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল, জাবিপ্রবি শাখা সবসময় কাজ করে যাচ্ছে।”
শিক্ষার্থীদের মতে, বড় পর্দায় খেলা দেখার এই আয়োজন শুধুমাত্র বিনোদনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; বরং এটি পারস্পরিক সৌহার্দ্য, সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্ববোধ জোরদার করার একটি অনন্য সুযোগ তৈরি করেছে। বিশ্বকাপের প্রতিটি ম্যাচ ঘিরে ক্যাম্পাসে উৎসবের আবহ আরও প্রাণবন্ত হয়ে উঠবে বলেও তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
