মঙ্গলবার ০৯, জুন ২০২৬

মঙ্গলবার ০৯, জুন ২০২৬ -- : -- --

মাতামুহুরীতে ডাকাতি শেষে গৃহবধূ ও কিশোরীকে ধর্ষণ, আটক ৬

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০৯ জুন ২০২৬, ০৮:৩৮ পিএম

মাতামুহুরীতে ডাকাতি শেষে গৃহবধূ ও কিশোরীকে ধর্ষণ, আটক ৬

কক্সবাজারের নবগঠিত মাতামুহুরী উপজেলায় ডাকাতির ঘটনার পর গৃহবধূ ও তাঁর কিশোরী মেয়েকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। সোমবার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে এ ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছে স্থানীয় সূত্র।

ঘটনার পরপরই অভিযান চালিয়ে ছয়জনকে আটক করেছে পুলিশ। আটকরা হলেন—রেজাউল করিম (৩৬), তোফাজ্জল হোসেন (২৩), কেফায়েত হোসেন (২৭), মোহাম্মদ তানজিদ (২৪), মেহেদী হাসান (২৪) ও মোহাম্মদ তারেক (২৬)। তাঁদের সবাই একই উপজেলার বাসিন্দা।

পুলিশ ও স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, গৃহবধূর স্বামী চট্টগ্রাম নগরে কর্মরত। বাড়িতে তিনি তাঁর দুই মেয়ে—১৫ ও ৭ বছর বয়সী—নিয়ে বসবাস করতেন। ঘটনার রাতে ৮ থেকে ১০ জনের একটি ডাকাত দল ঘরের জানালার গ্রিল কেটে ভেতরে প্রবেশ করে। পরে তারা ঘরের আলমারি থেকে স্বর্ণালংকার ও নগদ অর্থ লুট করে এবং গৃহবধূ ও তাঁর কিশোরী মেয়েকে সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

ওই গৃহবধূর ছোট ভাই প্রথম আলোকে বলেন, ‘ডাকাত দলের সদস্যরা চলে যাওয়ার পর খবর পেয়ে আমরা সেখানে যাই। তখন আমার বোন ও ভাগনি জড়সড় হয়ে দুজন দুটি কক্ষে বসে ছিলেন। ঘটনার বর্ণনা শুনে তাঁদের উদ্ধার করে রাত চারটার দিকে চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। পরে সেখান থেকে দুজনকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।’

গৃহবধূর মা (৬৫) বলেন, ‘এমন বর্বর ঘটনা এ এলাকায় আগে ঘটেনি। কারও কাছেও শুনিনি। আমার মেয়ে ও নাতনির ওপর যারা পাশবিক নির্যাতন চালিয়েছে, তাদের চিহ্নিত করে ফাঁসি দেওয়া হোক। আর কোনো চাওয়া নেই।’

চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মনির হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, ‘পুলিশ ভোরে অভিযান চালিয়ে ছয়জনকে আটক করেছে। এর মধ্যে চারজনকে ভুক্তভোগী ব্যক্তিরা ঘটনার সঙ্গে জড়িত বলে শনাক্ত করেছেন।’

 
 
Link copied!