প্রকাশিত: ১০ জুন ২০২৬, ০৮:২৫ পিএম
২০২৭-২৮ সালে নতুন কারিকুলামের আলোকে প্রাথমিকের শিক্ষার্থীদের পাঠদান করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। তিনি বলেন, ২০২৭ সালে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চতুর্থ শ্রেণির জন্য শিল্প ও সংস্কৃতি পাঠ্যবইয়ে চারটি অধ্যায়ে চারু ও কারুকলা, সংগীত, নৃত্যকলা এবং নাট্যকলা অন্তর্ভুক্ত থাকবে।
বুধবার (১০ জুন) প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগীত, নৃত্যকলা, নাট্যকলা ও চারুকলা বিভাগের শিক্ষক ও সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় এ কথা বলেন তিনি।
ববি হাজ্জাজ বলেন, প্রাথমিক শিক্ষায় সংগীত, নৃত্যকলা ও ক্রীড়াভিত্তিক শিক্ষা সম্প্রসারণের ফলে ভবিষ্যতে বিপুলসংখ্যক বিশেষায়িত শিক্ষক ও প্রশিক্ষকের প্রয়োজন হবে। এতে সংগীত, নৃত্যকলা, চারুকলা, নাট্যকলা ও ক্রীড়া বিষয়ে শিক্ষিত তরুণ-তরুণীদের জন্য নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। এসব বিষয়ে একটি টেকসই ক্যারিয়ার পাথওয়ে গড়ে উঠবে।
আগামী পাঁচ বছরে এ খাতে প্রায় ৫০-৬০ হাজার নতুন কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হবে বলে জানান তিনি।তিনি বলেন, সরকারের নির্বাচনি ইশতেহার এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ঘোষিত শিক্ষা-দর্শন অনুযায়ী দেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে এমনভাবে গড়ে তোলা হবে। এতে শিক্ষার্থীরা বৈশ্বিক নাগরিক হিসেবে বিকশিত হওয়ার পাশাপাশি ভবিষ্যৎ কর্মজীবনের জন্য প্রয়োজনীয় দক্ষতাও অর্জন করতে পারবে।
বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সহযোগিতা চেয়ে শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমরা চাই আপনাদের শিক্ষার্থীরা ভবিষ্যতে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক হিসেবে যুক্ত হওয়ার সুযোগ যেন পায়। তাদেরকে উপযুক্ত হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে আমরা একসঙ্গে কাজ করতে চাই।
কারিকুলাম উন্নয়নের পাশাপাশি দক্ষ শিক্ষক তৈরির বিষয়েও এখন থেকেই পরিকল্পনা গ্রহণ করা হচ্ছে বলে জানান শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী।
