প্রকাশিত: ০৮ জুন ২০২৬, ০৮:০২ এএম
নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড টেলিকমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসটিই) বিভাগের শিক্ষার্থী মো. নিশাদ আহমেদ জীবন বিশ্বের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ বিজ্ঞানভিত্তিক প্রতিযোগিতা বিমলাইন ফর স্কুলস ২০০৬ এ বাংলাদেশকে ঐতিহাসিক সাফল্য এনে দেওয়ায় অভিনন্দন জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী।
এক অভিনন্দন বার্তায় উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী বলেন, “ইউরোপীয় পারমাণবিক গবেষণা সংস্থা (সার্ন ) আয়োজিত প্রতিযোগিতায় বৈশ্বিক বিজয়ী দলের কোচ হিসেবে নোবিপ্রবির সিএসটিই বিভাগের শিক্ষার্থী মো. নিশাদ আহমেদ জীবনের এই অসাধারণ অর্জন আমাদের জন্য অত্যন্ত গৌরবের। বিশ্বের ৮৯টি দেশের শত শত গবেষণা প্রস্তাবনার মধ্য থেকে বাংলাদেশের টিম পোলারিশ এর বিজয় আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের বিজ্ঞানচর্চা ও গবেষণা সক্ষমতার উজ্জ্বল স্বীকৃতি। এই সাফল্য শুধু নোবিপ্রবির জন্য নয়, সমগ্র বাংলাদেশের বিজ্ঞানচর্চা ও গবেষণার জন্য এক অনন্য মাইলফলক। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের তরুণ গবেষকদের সক্ষমতা ও সম্ভাবনার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন মো. নিশাদ আহমেদ জীবন এবং তার দল।"
উপাচার্য আরও বলেন, “একই সঙ্গে জীবনের তত্ত্বাবধানে গঠিত আরেকটি দল বিশ্বের সেরা ৫০টি দলের মধ্যে স্থান লাভ করায় তার মেধা, নেতৃত্ব ও গবেষণামুখী চিন্তার প্রতিফলন ঘটেছে। এই অর্জন নোবিপ্রবির শিক্ষার্থীদের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে এবং গবেষণাভিত্তিক শিক্ষা ও উদ্ভাবনে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে।”
এছাড়াও উপাচার্য মো. নিশাদ আহমেদ জীবন এবং টিম পোলারিশ এর সকল সদস্যকে আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়ে তাদের উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করেন। একইসঙ্গে তিনি আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতেও তারা বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করে দেশের ভাবমূর্তি আরও উজ্জ্বল করবেন।
প্রসঙ্গত, BL4S বা বিমলাইন ফর স্কুলস হলো সার্ন এর উদ্যোগে ২০১৪ সালে চালু হওয়া একটি আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান ভিত্তিক প্রতিযোগিতা। বিজয়ী দল তাদের প্রস্তাবিত গবেষণা বাস্তবায়নের জন্য CERN এবং জার্মানির আন্তর্জাতিক মানের পার্টিকেল অ্যাক্সিলারেটর গবেষণা কেন্দ্র DESY ও ELSA-তে কাজ করার সুযোগ পাবে।
বিজয়ী টিম পোলারিশ আগামী আগস্টে জার্মানির ইউনিভার্সিটি অব বন-এর ELSA Particle Accelerator-এ তাদের গবেষণা বাস্তবায়নের সুযোগ পাবে এবং সার্ন পরিদর্শনেরও সুযোগ পাবে। বিশ্বের শীর্ষ গবেষকদের সঙ্গে কাজের এই সুযোগ তাদের জন্য একটি বিরল অর্জন হিসেবে দেখা হচ্ছে।
