প্রকাশিত: ০৪ জুন ২০২৬, ০৫:৫০ পিএম
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় রসায়ন বিভাগ ও ন্যানোপ্রযুক্তি সেন্টারের যৌথ উদ্যোগে ডিসেমিনেশন কর্মশালা আজ (৪ জুন ২০২৬) বৃহস্পতিবার মোকাররম হোসেন খন্দকার বিজ্ঞান ভবনের সেমিনার রুমে অনুষ্ঠিত হয়েছে। কর্মশালায় ন্যানোপ্রযুক্তি বিষয়ক গবেষণার ফলাফল প্রকাশ করা হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের রুটিন দায়িত্বে নিয়োজিত প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি)-এর অর্থায়নে এই কর্মশালা আয়োজন করা হয়।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় রসায়ন বিভাগের চেয়ারপার্সন ও ন্যানোপ্রযুক্তি সেন্টারের পরিচালক অধ্যাপক ড. ফরিদা বেগমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. মোফাজ্জল হোসেন বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের যৌথ গবেষণা প্রকল্পের প্রিন্সিপাল ইনভেস্টিগেটর অধ্যাপক ড. মো. আবু বিন হাসান সুসান ‘Ionic Liquids- Neoteric Medium for Development of Nanomaterials’ শীর্ষক বক্তব্য প্রদান করেন। কো-প্রিন্সিপাল ইনভেস্টিগেটর প্রভাষক মো. আকিব হাসান স্বাগত বক্তব্য দেন। গবেষণা প্রকল্পের রিসার্চ ফেলো মো. নাঈমুর রহমান মূল প্রবন্ধ এবং গবেষণার ফলাফল উপস্থাপন করেন। অধ্যাপক ড. মো. এমরান কাইয়ুম ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। ৪র্থ বর্ষের শিক্ষার্থী মির্জা রাইয়ান মোস্তফা অনুষ্ঠান সঞ্চালন করেন।
প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম বলেন, গবেষণার সুফল সাধারণ মানুষের কাছে পৌছে দেওয়ার উপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, এক্ষেত্রে ডিসেমিনেশন কর্মশালা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক র্যাঙ্কিংয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থান সম্মানজনক পর্যায়ে উন্নীত করতে মানসম্মত পাবলিকেশন ও নিয়মিত সাইটেশন হালনাগাদ করতে হবে। সেক্ষেত্রে গবেষণার তথ্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে নিয়মিতভাবে আপলোড করার জন্য তিনি শিক্ষকদের প্রতি আহ্বান জানান। এ ধরনের কর্মশালা তরুণ গবেষকদের অনুপ্রাণিত করবে এবং শিক্ষা ও গবেষণার সার্বিক অগ্রগতিতে সহায়ক হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
কর্মশালায় টেকসই জ্বালানি এবং বৈজ্ঞানিক আলোচনা সম্প্রসারণের উপর গুরুত্বারোপ করা হয়। আলোচনা শেষে প্রশ্নোত্তর পর্ব অনুষ্ঠিত হয়।
উল্লেখ্য, শিল্প ও সেবাখাতে ন্যানোপ্রযুক্তির প্রয়োগ, অভিযোজন,সম্প্রসারণ এবং উদ্ভাবনের মাধ্যমে বাংলাদেশের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিগত স্বনির্ভরতা অর্জনের লক্ষ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ন্যানোপ্রযুক্তি সেন্টার কাজ করছে। ন্যানোপ্রযুক্তি নির্ভর গবেষণায় বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে এই সেন্টার কার্যকর ভূমিকা পালন করবে বলে আশা করা যাচ্ছে।
