প্রকাশিত: ২০ মে ২০২৬, ০১:২১ পিএম
রাজধানীর পল্লবীতে দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী রামিসা আক্তার হত্যাকাণ্ডে নতুন নতুন তথ্য সামনে আসছে। মঙ্গলবার (১৯ মে) সকালে পল্লবীর একটি বাসা থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে একই ফ্ল্যাটের বাথরুম থেকে তার মাথা উদ্ধার করা হয়। নিহত রামিসা স্থানীয় একটি স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।
পুলিশ জানিয়েছে, ময়নাতদন্ত ও কেমিক্যাল পরীক্ষার রিপোর্ট পাওয়ার পর ঘটনার বিস্তারিত জানা যাবে। এ ঘটনায় পল্লবী থানায় হত্যা মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে। ঘটনার পর অভিযুক্ত স্বপ্নাকে ফ্ল্যাট থেকে আটক করা হয়। তবে তার স্বামী জাকির হোসেন পালিয়ে যান। পরে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় নারায়ণগঞ্জ থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
মঙ্গলবার রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে পুলিশের মিরপুর বিভাগের উপকমিশনার এস এন নজরুল ইসলাম বলেন, “প্রাথমিকভাবে আমাদের ধারণা, শিশুটির সঙ্গে কোনো বিকৃত যৌন আচরণ বা ধর্ষণ করা হয়েছে। রক্তক্ষরণ বা বিষয়টি টের পেয়ে যাওয়ার ভয়েই শিশুটিকে মেরে ফেলে ডেড বডিটা গুম করার পরিকল্পনা করা হয়।”
তদন্ত সংশ্লিষ্টরা জানান, রামিসার পরিবার দীর্ঘদিন ধরে ওই ভবনে বসবাস করলেও অভিযুক্ত দম্পতি মাত্র দুই মাস আগে সেখানে ভাড়া ওঠেন। ঘটনার সময় রামিসার মা শিশুটিকে খুঁজতে গিয়ে অভিযুক্তদের ফ্ল্যাটের সামনে তার স্যান্ডেল দেখতে পান। পুলিশের ধারণা, দরজার ভেতরেই তখন ঘটনাটি ঘটছিল এবং মূল আসামিকে পালানোর সুযোগ করে দিতে দীর্ঘ সময় দরজা খোলা হয়নি।
