বুধবার ০৬, মে ২০২৬

বুধবার ০৬, মে ২০২৬ -- : -- --

নরসিংদীতে ‘হানিট্র্যাপ’ চক্রের ৪ সদস্য গ্রেপ্তার

জেলা প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ০৬ মে ২০২৬, ০৯:২৯ পিএম

ছবি।ক্যাম্পাস রিপোর্ট

সাইফুল ইসলাম রুদ্র, নরসিংদী

নরসিংদীতে নারীদের ব্যবহার করে প্রেমের ফাঁদে ফেলে অপহরণ, নির্যাতন ও ব্ল্যাকমেইলের অভিযোগে একটি সংঘবদ্ধ ‘হানিট্র্যাপ’ চক্রের চার সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোযন্দো পুলিশ (ডিবি)। আজ বুধবার বিকেলে জেলা পুলিশের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয।

গ্রেপ্তাররা হলেন পলাশ উপজেলার জিনারদী এলাকার অহিদ মিযার মেযে শারমিন আক্তার ওরফে বৃষ্টি (২৪), নরসিংদী সদরের হাজীপুর এলাকার হিরণ মিযার মেযে স্মৃতি আক্তার (২০), উত্তর বাগহাটা গ্রামের আরমান মিযার ছেলে মো. কাইযুম (২৫) ও খাটেহারা গ্রামের জসিম মিযার ছেলে ফযসাল মিযা (৩৪)।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয, নরসিংদী পুলিশ সুপার মো. আবদুল্লাহ্-আল-ফারকের নির্দেশনায ডিবি পুলিশের একটি দল গতকাল মঙ্গলবার রাতে অভিযান চালিযে সাহেপ্রতাপ ও রেলস্টেশন এলাকা থেকে হানি ট্র্যাপ চক্রের চার সদস্যকে গ্রেপ্তার করে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তাররা জানায চক্রটি দীর্ঘদিন ধরে নারীদের মাধ্যমে বিভিন্ন ব্যক্তিকে প্রেমের ফাঁদে ফেলত। পরে দেখা করার কথা বলে নির্জন স্থানে ডেকে নিযে অপহরণ ও শারীরিক নির্যাতন করা হতো।

অনেক ক্ষেত্রে ভুক্তভোগীদের বিবস্ত্র করে নারী সদস্যদের সঙ্গে ভিডিও ধারণ করে তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছডযিে দেওযার ভয দেখিযে মোটা অঙ্কের অর্থ আদায করা হতো। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাদের হত্যার হুমকিও দেওযা হতো। অভিযানকালে গ্রেপ্তার ফযসাল মিযার কাছ থেকে এক ভুক্তভোগীর ব্যবহৃত মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হযেেছ। এ ছাডা ফযসাল মিযা আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিযেেছন বলে জানিযেেছ পুলিশ।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয, গ্রেপ্তার স্মৃতি আক্তারের বিরদ্ধে অপহরণ ও চুরিসহ একাধিক মামলা রযেেছ। অন্যদিকে, ফযসাল মিযার বিরদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিযন্ত্রণ আইন, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, মাদক ও চুরিসহ নরসিংদী ও চট্টগ্রামের বিভিন্ন থানায অন্তত সাতটি মামলা রযেেছ।

নরসিংদীর গোযন্দো পুলিশের পরিদর্শক (নিরস্ত্র) এরশাদ উল্লাহ বলেন, ‘সম্প্রতি শহরের নাগরিযাকান্দা এলাকায এক যুবক হানিট্র্যাপের শিকার হয। বিষযটি আমাদের নজরে আসলে আমরা অভিযান চালিযে এই চক্রের চার জনকে গ্রেপ্তার করি। বাকিদের গ্রেপ্তারে আমাদের অভিযান চলছে। এ ঘটনায নরসিংদী মডেল থানায একটি মামলা দাযরে করা হযেেছ। আসামিদের ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন করে আদালতে পাঠানো হযেেছ।’

Link copied!