সোমবার ২৭, এপ্রিল ২০২৬

সোমবার ২৭, এপ্রিল ২০২৬ -- : -- --

দ্যা এশিয়া র‍্যাংকিংয়ে যৌথভাবে পঞ্চম মাভাবিপ্রবি

সাব্বির,মাভাবিপ্রবি প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ১০:৪৫ পিএম

ছবি। ক্যাম্পাস রিপোর্ট

আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত শিক্ষা মূল্যায়ন সংস্থা টাইমস হায়ার এডুকেশন প্রকাশিত এশিয়া বিশ্ববিদ্যালয় র‍্যাঙ্কিং ২০২৬-এ প্রথমবারের মতো স্থান পেয়েছে মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (মাভাবিপ্রবি)।

২৩ এপ্রিল প্রকাশিত এ তালিকায় বিশ্ববিদ্যালয়টি ৬০১–৮০০ ব্যান্ডে অবস্থান করেছে। এর ফলে দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে মাভাবিপ্রবি যৌথভাবে পঞ্চম স্থান অর্জন করেছে, যা একটি উল্লেখযোগ্য অর্জন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

এবারের র‍্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশ থেকে মোট ১৯টি বিশ্ববিদ্যালয় স্থান পেয়েছে। প্রথমবার অংশ নিয়েই মাভাবিপ্রবির এই সাফল্য বিশেষ গুরুত্ব বহন করছে। একই ব্যান্ডে থাকা অন্যান্য পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে রয়েছে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়, নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, মিলিটারি ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়। এছাড়া গুচ্ছভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে মাভাবিপ্রবি দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে।

প্রকাশিত সূচক অনুযায়ী, বিশ্ববিদ্যালয়টির শিক্ষাদান স্কোর ১৬.৭, গবেষণা পরিবেশে ১০.৬, গবেষণার মানে ৫৭.৩, শিল্পখাত থেকে আয় ১৯.৬ এবং আন্তর্জাতিক দৃষ্টিভঙ্গিতে ৪৬.৮। সার্বিক স্কোর ২৩.৩ থেকে ৩০.৮-এর মধ্যে রয়েছে। আন্তর্জাতিক দৃষ্টিভঙ্গি সূচকে দেশের মধ্যে নবম স্থান অর্জন করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

এ বিষয়ে উপাচার্য ড. আনোয়ারুল আজিম আখন্দ বলেন,“এই অর্জন কেবল একটি ধাপ। আমাদের লক্ষ্য আরও অনেক দূর এগিয়ে যাওয়া। ঐক্য, পরিশ্রম ও উদ্ভাবনের মাধ্যমে আমরা শিক্ষা ও গবেষণায় নতুন দিগন্ত উন্মোচন করতে চাই।”

তিনি এই সাফল্যের জন্য সংশ্লিষ্ট শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং র‍্যাঙ্কিং সংশ্লিষ্টদের অভিনন্দন জানান।

র‍্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। অন্যদিকে, এশিয়ার শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে ছিংহুয়া বিশ্ববিদ্যালয়, যা টানা অষ্টমবারের মতো প্রথম স্থানে রয়েছে। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে পেকিং বিশ্ববিদ্যালয়।

টাইমস হায়ার এডুকেশন র‍্যাঙ্কিংয়ে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর অবস্থান নির্ধারণ করা হয় শিক্ষার মান, গবেষণা পরিবেশ, গবেষণার প্রভাব, শিল্প-একাডেমিয়া সংযোগ এবং আন্তর্জাতিকীকরণসহ বিভিন্ন সূচকের ভিত্তিতে।

Link copied!