প্রকাশিত: ১৪ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:৫২ পিএম
প্রায় দেড় যুগ পর দেশে পুনরায় শুরু হচ্ছে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা। দীর্ঘ বিরতির পর আগামী ১৫ এপ্রিল থেকে শুরু হয়ে ১৮ এপ্রিল পর্যন্ত চলবে এই পরীক্ষা।
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় ইতোমধ্যে পরীক্ষার রুটিন ও পূর্ণাঙ্গ নীতিমালা প্রকাশ করেছে। এতে পরীক্ষার্থীদের জন্য ১০টি বিশেষ নির্দেশনা এবং পরীক্ষা চলাকালীন আচরণবিধি নির্ধারণ করা হয়েছে।
প্রকাশিত সূচি অনুযায়ী, ১৫ এপ্রিল বাংলা, ১৬ এপ্রিল ইংরেজি, ১৭ এপ্রিল প্রাথমিক গণিত এবং ১৮ এপ্রিল বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় ও প্রাথমিক বিজ্ঞান পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে বেলা সাড়ে ১২টা পর্যন্ত পরীক্ষা নেওয়া হবে।
তবে পার্বত্য তিন জেলা—রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানে পরীক্ষার সূচিতে পরিবর্তন আনা হয়েছে। এসব জেলায় ১৭ এপ্রিল গণিত, ১৮ এপ্রিল বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় ও বিজ্ঞান, ১৯ এপ্রিল বাংলা এবং ২০ এপ্রিল ইংরেজি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।
বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের জন্য অতিরিক্ত ৩০ মিনিট সময় বরাদ্দ রাখা হয়েছে।
নীতিমালা অনুযায়ী, ট্যালেন্টপুল ও সাধারণ—এই দুই ক্যাটাগরিতে বৃত্তি প্রদান করা হবে। মেধা তালিকায় ছাত্র ও ছাত্রীর সংখ্যা সমান রাখা হবে। মোট বৃত্তির ৮০ শতাংশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য এবং ২০ শতাংশ বেসরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে।
পরীক্ষার্থীদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রবেশপত্রসহ হলে উপস্থিত থাকতে হবে। পরীক্ষার হলে মোবাইল ফোন, ক্যালকুলেটরসহ কোনো অননুমোদিত ডিভাইস আনা যাবে না। উত্তরপত্রে নির্ধারিত নিয়ম মেনে তথ্য পূরণ করতে হবে এবং পরীক্ষার শৃঙ্খলা বজায় রাখতে হবে।
পরীক্ষা চলাকালে কোনো ধরনের অসদুপায় অবলম্বন বা একে অন্যের সঙ্গে যোগাযোগ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ থাকবে। পরীক্ষা শেষে ইনভিজিলেটরের কাছে উত্তরপত্র জমা দিয়ে পরীক্ষার্থীদের হল ত্যাগ করতে হবে।
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর জানিয়েছে, সুষ্ঠু ও নির্বিঘ্ন পরিবেশে পরীক্ষা গ্রহণে প্রয়োজনীয় সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, সর্বশেষ ২০০৮ সালে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এরপর ২০০৯ সালে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা (পিইসি) চালু করা হয় এবং এর ফলাফলের ভিত্তিতে বৃত্তি প্রদান করা হতো।
