সোমবার ২৮, সেপ্টেম্বর ২০২৬

সোমবার ২৮, সেপ্টেম্বর ২০২৬ -- : -- --

মানসিক সুস্থতা ও জীবনবোধে প্রতিদিন ২০ পৃষ্ঠা বই পড়ার আহ্বান চিত্ত মিডিয়ার জুয়েলের 

ক্যাম্পাস প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৪৯ পিএম

ছবি | ক্যাম্পাস রিপোর্ট

নিয়মিত বই পড়াকে ওষুধের সাথে তুলনা করে দৈনন্দিন জীবনের ব্যস্ততা ও মানসিক অবসাদ কাটিয়ে উঠতে তরুণ প্রজন্মকে প্রতিদিন অন্তত ২০ পৃষ্ঠা বই পড়ার আহবান জানিয়েছেন কৃষি, প্রকৃতি এবং প্রান্তিক মানুষের গল্প তুলে ধরে দেশব্যাপী সাড়া ফেলে দেওয়া জনপ্রিয় কন্টেন্ট ক্রিয়েটর চিত্ত মিডিয়ার প্রতিষ্ঠাতা জুয়েল রানা। 

শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) দুপুর ৩ টার দিকে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান মিলনায়তনে ইয়াস বাংলাদেশ (International Association of Students in Agricultural and Related Sciences) ইবি শাখার উদ্যোগে এবং কামারুন এগ্রো ফার্মের সহযোগিতায় আয়োজিত Future Harvest Summit – 2026 এ কী-নোট স্পিকারের বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। 

নিজস্ব জীবনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে জুয়েল রানা বলেন, "আমি প্রত্যেক দিন এমনি মেডিসিন খাই, আর আরেকটা মেডিসিনের সাথে যুক্ত করে নিয়েছি, তা হচ্ছে ২০ পৃষ্ঠা বই পড়া। যেটাই হোক, পড়তে হবে। আপনার যা ভালো লাগে পড়েন। আমি শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায় এখন পড়ছি, আপনিও পড়েন। দেখবেন, এই পড়াটা কোন দিন আপনার কাজে লাগবে, আপনি নিজেও বুঝতে পারবেন না। এই অভ্যাস মানুষের চিন্তাভাবনা ও জীবনযাত্রায় ইতিবাচক পরিবর্তন আনে।

উপস্থিত শিক্ষার্থীদের সতর্ক করে তিনি অনুরোধ করে বলেন, জীবনে যা-ই ঘটুক না কেন, তা সবসময় ফেসবুকে দিবেন না। জীবনের ছোট কোনো ঘটনা, আপনার মন খারাপ হতে পারে। কিন্তু সবাই যেন বুঝে না যায় যে আপনার মন খারাপ হয়েছে। ফেসবুকে প্রতিনিয়ত পোস্ট করে করে নিজেকে সবার কাছে সস্তা করবেন না। নিজেকে কিছু কিছু জায়গায় একটু নিজের মতো করে রাখেন। মানুষ ফেসবুকে যা করছে, আপনার সেটাতে লোভ হওয়া উচিত না। কারণ সেগুলো টোটালি ফেক। তারা শুধু ভালোটা দেখায়, কিন্তু তাদের জীবন ওরকম না। কেও ১২ মাস বসন্ত উপভোগ করছে, জীবনে শুধু কোকিল ডাকছে -  এরকম সম্ভব না। 

এদিন, তরুণ কৃষি উদ্যোক্তা, ভবিষ্যৎ কৃষির সম্ভাবনা, উদ্ভাবন, গবেষণা ও টেকসই পদ্ধতি অনুসন্ধানের লক্ষ্য নিয়ে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে ইয়াস বাংলাদেশ ইবি শাখার উদ্যোগে এবং কামারুন এগ্রো ফার্মের সহযোগিতায় "Future Harvest Summit–2026" অনুষ্ঠিত হয়। এতে তরুণদের উদ্যোক্তা হতে উৎসাহিত করতে এবং কৃষি ক্ষেত্রের ভবিষ্যত সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করা হয়। এছাড়াও অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা সামিটে পোস্টার প্রেজেন্টেশন এবং পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করেন। 

সামিটে উপস্থিত ছিলেন গ্লোবাল ইউথ পার্লামেন্টের সার্ক অঞ্চলের ডেপুটি কো-অর্ডিনেটর প্রকৌশলী হাসান মাহমুদ, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) মাইক্রোবায়োলজি ও হাইজিন বিভাগের অধ্যাপক ড. মোছাঃ মিনারাতুন খাতুন এবং কাজী কনসালট্যান্টসের অধ্যাপক এস. এম আরিফুজ্জামান, কামারুন এগ্রো ফার্মের চেয়ারম্যান জোবাইদ হোসেন জিহান। সম্মেলনে বক্তারা আধুনিক প্রযুক্তিভিত্তিক কৃষি উদ্ভাবন, টেকসই কৃষিব্যবস্থা এবং নেটওয়ার্কিং নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। 

Link copied!