রাশেদুজ্জামান রাশেদ,জবি প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:৪৯ পিএম
শনিবার ২৬, সেপ্টেম্বর ২০২৬ -- : -- --
ফাইল ফটো
সরকারি চাকরিতে রাজনৈতিক পরিচয় বা মতাদর্শের ভিত্তিতে কোনো ধরনের বৈষম্য বন্ধ করে সম্পূর্ণ মেধা, যোগ্যতা ও প্রতিযোগিতার ভিত্তিতে নিয়োগ নিশ্চিত করার জোরালো দাবি জানিয়েছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু)। সম্প্রতি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগসহ বিভিন্ন সরকারি চাকরিতে পুলিশ ভেরিফিকেশন ও অন্যান্য যাচাইপ্রক্রিয়াকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট অনিশ্চয়তা ও অভিযোগের প্রেক্ষাপটে এই দাবি জানানো হয়।
শুক্রবার জকসুর পক্ষ থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ দাবি জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, দীর্ঘদিনের প্রস্তুতি ও কঠোর প্রতিযোগিতার পর চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হয়েও অনেক চাকরিপ্রার্থী বর্তমানে নিয়োগপত্রের অপেক্ষায় চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। বিশেষ করে প্রার্থীর রাজনৈতিক পরিচয় বা মতাদর্শের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অজুহাতে নিয়োগে বাধা সৃষ্টি করা হলে তা সংবিধানসম্মত সমান সুযোগ ও ন্যায়সংগত অধিকারের পরিপন্থী।
এ বিষয়ে জকসুর ভিপি রিয়াজুল ইসলাম বলেন, “রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোতে নিয়োগের মূল ভিত্তি হওয়া উচিত একমাত্র মেধা, যোগ্যতা ও দক্ষতা। কোনো নাগরিকের বৈধ রাজনৈতিক মতাদর্শ বা পরিচয় তার চাকরির যোগ্যতা নির্ধারণের মাপকাঠি হতে পারে না। যদি সুনির্দিষ্ট কোনো অপরাধের প্রমাণ থাকে, তবে তা প্রচলিত আইন অনুযায়ী বিচার করা হোক; কিন্তু রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে কোনো মেধাবী ও যোগ্য প্রার্থীকে তার অধিকার থেকে বঞ্চিত করা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।”
তিনি আরও বলেন, “ভেরিফিকেশন প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা, নিরপেক্ষতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি, যেন কোনো নিরপরাধ চাকরিপ্রত্যাশী রাজনৈতিক প্রতিহিংসা বা পক্ষপাতিত্বের শিকার না হন।”
এদিকে জকসুর জিএস আব্দুল আলিম আরিফ বলেন, “বৈষম্যহীন নতুন বাংলাদেশে তরুণ ও মেধাবীদের প্রধান ভরসাস্থল হলো সরকারি চাকরি। কিন্তু যাচাইপ্রক্রিয়ার নামে অযথা কালক্ষেপণ ও রাজনৈতিক পরিচয়ের ট্যাগ লাগিয়ে চাকরিপ্রার্থীদের অনিশ্চয়তায় ফেলা অত্যন্ত দুভার্গ্যজনক। আমরা স্পষ্ট বলতে চাই, মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত প্রতিটি প্রার্থীর দ্রুত নিয়োগ নিশ্চিত করতে হবে।”
বিজ্ঞপ্তিতে মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত সকল প্রার্থীর নিয়োগ দ্রুত সম্পন্ন করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি জোর দাবি জানিয়েছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু)।