প্রকাশিত: ৩১ মে ২০২৬, ০৮:৫৭ পিএম
সামাজিক উন্নয়ন, মানবসেবা ও প্রজন্ম গঠনের লক্ষ্যে কাজ করা স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন প্রজন্ম ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ঈদ পুনর্মিলনী ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (৩০ মে) সকাল ১০টায় জগদল গ্রামে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে সংগঠনের সদস্যরা অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে সদস্যদের পরিচয় পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। পরে সংগঠনের প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে বর্তমান কার্যক্রম, অর্জন এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়ে উন্মুক্ত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।
আলোচনায় অংশ নিয়ে সদস্যরা সংগঠনের কার্যক্রম আরও সম্প্রসারণ ও কার্যকর করার লক্ষ্যে বিভিন্ন মতামত ও পরামর্শ তুলে ধরেন। বক্তারা বলেন, সদস্যদের অভিজ্ঞতা ও গঠনমূলক মতামত সংগঠনের ভবিষ্যৎ কার্যক্রম পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
সভায় বক্তারা বলেন, “এসো মানবতার কল্যাণে কাজ করি, মিলে মিশে সুন্দর সমাজ গড়ি”—এই মূলমন্ত্রকে ধারণ করে প্রজন্ম ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন শিক্ষা, সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি, মানবিক সহায়তা এবং যুব উন্নয়নমূলক বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। ভবিষ্যতেও সমাজের সুবিধাবঞ্চিত ও অসহায় মানুষের পাশে থেকে কাজ করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন তারা।
অনুষ্ঠানকে প্রাণবন্ত করতে সদস্যদের জন্য বিভিন্ন আয়োজন করা হয়। স্মারক হিসেবে প্রত্যেক সদস্যকে একটি করে চাবির রিং প্রদান করা হয়। এছাড়া লটারির মাধ্যমে ১০ জন সদস্যকে বিশেষ পুরস্কার দেওয়া হয়। সদস্যদের অংশগ্রহণে কুইজ প্রতিযোগিতা ও র্যাফেল ড্র অনুষ্ঠিত হলে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। পরে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।
দিনব্যাপী আয়োজনে সদস্যদের জন্য নাস্তা ও মধ্যাহ্নভোজের ব্যবস্থা করা হয়। এতে সদস্যদের মধ্যে পারস্পরিক সৌহার্দ্য, ভ্রাতৃত্ববোধ ও সাংগঠনিক বন্ধন আরও সুদৃঢ় হয়।
উল্লেখ্য, গত ২৭ মে সংগঠনের উদ্যোগে ‘প্রজন্ম পাঠাগার’-এর শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে। স্থানীয় শিক্ষার্থী, পাঠক ও তরুণদের মধ্যে জ্ঞানচর্চা ও পাঠাভ্যাস বৃদ্ধিতে পাঠাগারটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা প্রকাশ করেন সংশ্লিষ্টরা।
পাঠাগারের উদ্বোধনের ধারাবাহিকতায় আয়োজিত এই ঈদ পুনর্মিলনী ও মতবিনিময় সভা সংগঠনের কার্যক্রমে নতুন গতি সঞ্চার করবে বলে মনে করছেন সদস্যরা।
অনুষ্ঠান শেষে সদস্যরা সংগঠনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। মানবিক মূল্যবোধ, শিক্ষা ও সামাজিক উন্নয়নের মাধ্যমে একটি সচেতন, সুন্দর ও সমৃদ্ধ সমাজ বিনির্মাণে ভূমিকা রাখার আশাবাদও ব্যক্ত করা হয়।
