রবিবার ৩১, মে ২০২৬

রবিবার ৩১, মে ২০২৬ -- : -- --

তামাকের বিরুদ্ধে সম্মিলিত উদ্যোগ চান রাষ্ট্রপতি

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত: ৩১ মে ২০২৬, ০৯:০৩ এএম

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন, ছবি: সংগৃহীত

তামাকের ভয়াবহ ক্ষতি থেকে জনস্বাস্থ্যকে সুরক্ষা দিতে প্রশাসন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, পরিবার ও সমাজের সব স্তরের মানুষের সম্মিলিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। 

রোববার (৩১ মে) বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে তিনি বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মকে তামাকের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে সচেতন করে তুলতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান। দিবসটির এ বছরের প্রতিপাদ্য ‘প্রলোভনের মুখোশ উন্মোচন করি, তামাক ও নিকোটিনের আসক্তি প্রতিরোধ করি’।

মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, ‘তামাক চাষ, প্রক্রিয়াজাতকরণ এবং তামাকজাত পণ্যের ব্যবহার জনস্বাস্থ্য, পরিবেশ ও অর্থনীতির জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। তামাক পণ্যের ব্যবহার ক্যান্সার, হৃদরোগ, স্ট্রোক, ডায়াবেটিসসহ বিভিন্ন জটিল ও প্রাণঘাতী রোগের ঝুঁকি বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়। বাংলাদেশে প্রতি বছর তামাকজনিত রোগে প্রায় ২ লাখ মানুষ মৃত্যুবরণ করে। পরিবারের কর্মক্ষম মানুষের অসুস্থতা ও অকাল মৃত্যুতে পরিবারগুলো নিঃস্ব হয়ে পড়ে। জাতীয় উন্নয়ন ও অগ্রগতি ব্যাহত হয়।’

রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘কিন্তু পক্ষান্তরে, তামাক ও তামাকজাত পণ্য বিপণনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর ভ্রান্ত প্রলোভনের আকর্ষণীয় প্রচারণার ফাঁদে পড়ে অনেক তরুণ ও যুবক তামাক ও ধূমপানে আসক্ত হয়ে পড়ছে। পরবর্তীতে অনেকে জড়িয়ে পড়ছে মাদকের মরণ নেশায়। এজন্য ব্যাপক জনসচেতনতা ও আইনের কঠোর প্রয়োগ জরুরি।’

তিনি আরও বলেন, ‘সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে বাংলাদেশ ২০০৩ সালে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ‘ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশন অন টোব্যাকো কন্ট্রোল’-এ স্বাক্ষর এবং ‘ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) আইন, ২০০৫’ প্রণয়ন করে-যা ছিল তামাকের ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ ও জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় এক গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। এরই ধারাবাহিকতায় বর্তমান সরকার ‘ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) (সংশোধন) আইন, ২০২৬’ প্রণয়ন করেছে। আমি বিশ্বাস করি, এই আইনের সঠিক বাস্তবায়ন ও কঠোর প্রয়োগ তামাকের করাল গ্রাস থেকে নারী, শিশু ও তরুণ প্রজন্মকে রক্ষা করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।’

তামাক ও ধূমপান নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত সব আইন ও বিধি-বিধানের সঠিক প্রতিপালন নিশ্চিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন বলেও আশা প্রকাশ করেন রাষ্ট্রপতি।

Link copied!