বুধবার ০৬, মে ২০২৬

বুধবার ০৬, মে ২০২৬ -- : -- --

ইএসজি দক্ষতা উন্নয়নে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি ও সুইসকন্ট্যাক্টের যৌথ উদ্যোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০৫ মে ২০২৬, ১০:৫৭ পিএম

সেমিনারে ইএসজি বিষয়ে ৬০ ঘণ্টার পেশাগত সার্টিফিকেট কোর্স সম্পন্নকারী

বাংলাদেশের শিল্পখাতকে টেকসই ও প্রতিযোগিতামূলক করতে ইএসজি (এনভায়রনমেন্টাল, সোশাল অ্যান্ড গভর্ন্যান্স) দক্ষতা উন্নয়নে যৌথভাবে কাজ করছে BRAC University ও Swisscontact। এ লক্ষ্যে সম্প্রতি “স্ট্রেনথেনিং লোকাল ক্যাপাসিটি ফর সাসটেইনেবল ইন্ডাস্ট্রি” শীর্ষক একটি সেমিনার আয়োজন করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের মেরুল বাড্ডা ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত এ সেমিনারে বিভিন্ন খাতের অংশীজনরা অংশ নেন।

বর্তমান বৈশ্বিক বাজারে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে পণ্যের মানের পাশাপাশি উৎপাদন প্রক্রিয়ার দায়িত্বশীলতাও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে কার্বন নিঃসরণ, শ্রমমান, সুশাসন ও টেকসই উন্নয়ন প্রতিবেদন এখন আন্তর্জাতিক ক্রেতা ও বিনিয়োগকারীদের কাছে অগ্রাধিকার পাচ্ছে। ফলে ইএসজি এখন স্থানীয় শিল্পের জন্য কেবল একটি ধারণা নয়, বরং রপ্তানি সক্ষমতা ও বিনিয়োগ আকর্ষণের অন্যতম শর্ত।

অনুষ্ঠানে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির ডিপার্টমেন্ট অব ইকোনোমিকস অ্যান্ড সোশাল সায়েন্সেস পরিচালিত একটি জরিপের ফলাফল উপস্থাপন করা হয়। তৈরি পোশাক, টেক্সটাইল, ব্যাংকিং ও উৎপাদন খাতের ১০৬ জন পেশাজীবীর ওপর পরিচালিত এ জরিপে ইএসজি বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি প্রশিক্ষণের চাহিদা স্পষ্টভাবে উঠে আসে। একই সঙ্গে ইএসজি রিপোর্টিং, কার্বন হিসাবায়ন, ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা ও টেকসই অর্থায়নে দক্ষতার ঘাটতিও চিহ্নিত হয়।

সেমিনারে ইএসজি বিষয়ে ৬০ ঘণ্টার পেশাগত সার্টিফিকেট কোর্স সম্পন্নকারী ২৪ জনকে সনদ প্রদান করা হয়, যা ছিল এ কোর্সের প্রথম ব্যাচ। কোর্সটি প্রস্তুত করেছে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি এবং সুইসকন্ট্যাক্টের “প্রগেস” উদ্যোগের সহায়তায় বাস্তবায়িত হয়েছে। এতে সুইডেন ও সুইজারল্যান্ডের দূতাবাসও সহযোগিতা করছে।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্যে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির ট্রেজারার আরিফুল ইসলাম বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়টি ইএসজি শিক্ষাকে আরও এগিয়ে নিতে এবং একাডেমিয়া-ইন্ডাস্ট্রি সহযোগিতা জোরদারে কাজ করছে।

এতে বক্তব্য দেন প্রফেসর ড. শহিদুর রহমান, প্রফেসর ড. সৈয়দ এ. মামুন, এবি লিনডেক্সের গ্লোবাল সাসটেইনেবিলিটি ম্যানেজার কাজী মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন, সুইডেন দূতাবাসের সিনিয়র প্রোগ্রাম অফিসার ইকরামুল এইচ সোহেল এবং প্রগ্রেস প্রকল্পের টিম লিডার ফারজানা আমিনসহ বিভিন্ন খাতের প্রতিনিধিরা।

সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেন, এ ধরনের উদ্যোগ স্থানীয় প্রেক্ষাপটে ইএসজি জ্ঞান ও দক্ষতা বাড়িয়ে বাংলাদেশকে একটি সবুজ ও টেকসই শিল্প ব্যবস্থার দিকে এগিয়ে নিতে সহায়ক হবে।

Link copied!