প্রকাশিত: ০৬ মে ২০২৬, ০১:১৯ পিএম
জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান নিয়োগ পরীক্ষা বাতিলের দাবি জানিয়েছে ‘সচেতন শিক্ষক সমাজ’।
বুধবার (৬ মে) অনুষ্ঠিত এ সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটির আহ্বায়ক অধ্যাপক আব্দুল আউয়াল লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন। তিনি বলেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা একটি প্রতিষ্ঠানের চালিকা শক্তি হিসেবে কাজ করেন। দক্ষ ও অভিজ্ঞ প্রধান থাকলে প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার মান উন্নত হয় এবং শিক্ষার্থীরা উপযুক্ত শিক্ষা লাভ করে।
সংগঠনটির নেতারা অভিযোগ করেন, বিগত সরকারের সময়ে অদক্ষ ও অযোগ্য শিক্ষকদের প্রতিষ্ঠান প্রধান হিসেবে নিয়োগ দেওয়ায় শিক্ষাক্ষেত্রে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। এছাড়া সরকার পরিবর্তনের পর থেকে প্রতিষ্ঠান প্রধান নিয়োগ কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়ায় শিক্ষার অগ্রগতি ব্যাহত হচ্ছে।
তাদের দাবি, দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী প্রিন্সিপাল, ভাইস প্রিন্সিপাল, প্রধান শিক্ষক ও সহকারী প্রধান শিক্ষকদের নিয়োগের ক্ষমতা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের গভর্নিং বডি বা ম্যানেজিং কমিটির হাতে ন্যস্ত। কিন্তু বর্তমানে ম্যানেজিং কমিটি গঠনের সুযোগ না দিয়ে অ্যাডহক কমিটির মাধ্যমে প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করা হচ্ছে, ফলে তারা নিয়োগ দিতে পারছে না।
অন্যদিকে এনটিআরসিএ (এনটিআরসিএ) ম্যানেজিং কমিটি ছাড়াই প্রতিষ্ঠান প্রধান ও সহ-প্রধান নিয়োগের উদ্যোগ নিয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে আরও জানানো হয়, এনটিআরসিএর এ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ১১৯ জন শিক্ষক যৌথভাবে হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন। পরবর্তীতে হাইকোর্ট প্রতিষ্ঠান প্রধান নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিতের পক্ষে রায় দেন। তবে পরে চেম্বার জজ আদালত ১৭ এপ্রিল ওই রায় স্থগিত করেন এবং এনটিআরসিএ ১৮ এপ্রিল পরীক্ষা গ্রহণ করে।
সংগঠনটির নেতারা দাবি করেন, যথাযথ নীতিমালা ও প্রস্তুতি ছাড়া পরীক্ষা গ্রহণ করা হয়েছে, যা শিক্ষকদের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। তারা দ্রুত এনটিআরসিএর সিদ্ধান্ত বাতিল করে ম্যানেজিং কমিটির মাধ্যমে নিয়োগ প্রক্রিয়া পুনর্বহালের আহ্বান জানান।
