প্রকাশিত: ০২ মে ২০২৬, ০৬:১০ পিএম
ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস এগ্রিকালচার অ্যান্ড টেকনোলজি (আইইউবিএটি)-এর চারটি ইঞ্জিনিয়ারিং প্রোগ্রাম বোর্ড অফ অ্যাক্রেডিটেশন ফর ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনিক্যাল এডুকেশন (বিএইটিই) কর্তৃক আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি (অ্যাক্রেডিটেশন) অর্জন করেছে।
স্বীকৃতিপ্রাপ্ত বিভাগগুলো হলো,ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং (ইইই), কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই), পুরকৌশল (সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং) এবং মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং। বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, আগামী ৬ বছরের জন্য এই স্বীকৃতি প্রদান করা হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানায়, এবারে মোট চারটি বিভাগ অ্যাক্রেডিটেশনের জন্য আবেদন করেছিল এবং চারটি প্রোগ্রামই সফলভাবে স্বীকৃতি অর্জন করেছে। দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে আইইউবিএটি প্রথমবারের মতো একসঙ্গে সকল ইঞ্জিনিয়ারিং প্রোগ্রামের জন্য এই আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি লাভ করেছে, যা একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
এই অ্যাক্রেডিটেশন অর্জনের ফলে সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলোর শিক্ষা কার্যক্রম আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা বিদেশে উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে বাড়তি গ্রহণযোগ্যতা পাবে, স্কলারশিপ অর্জনের সুযোগ বৃদ্ধি পাবে এবং বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানে কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে প্রতিযোগিতামূলক অবস্থান তৈরি হবে। পাশাপাশি, কারিকুলাম ও শিক্ষাদানের মান নিয়মিত পর্যবেক্ষণের আওতায় থাকায় শিক্ষার সার্বিক মানোন্নয়নও নিশ্চিত হবে।
এছাড়া ভবিষ্যতে ওয়াশিংটন অ্যাকর্ডের মতো আন্তর্জাতিক চুক্তির সঙ্গে সম্পৃক্ততার সম্ভাবনা এই স্বীকৃতির মাধ্যমে আরও জোরদার হয়েছে, যা আইইউবিএটির শিক্ষার্থীদের বৈশ্বিক কর্মসংস্থান ও পেশাগত স্বীকৃতি অর্জনের পথ সুগম করবে।
বোর্ড অফ অ্যাক্রেডিটেশন ফর ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনিক্যাল এডুকেশন (বিএইটিই) দেশের প্রকৌশল ও প্রযুক্তি শিক্ষার মান নিশ্চিতকরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ইনস্টিটিউশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ (আইইবি)-এর অধীন এই সংস্থাটি বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের একাডেমিক প্রোগ্রাম মূল্যায়ন করে এবং নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ করলে অ্যাক্রেডিটেশন প্রদান করে থাকে।
উল্লেখ্য, ১৯৯১ সালে প্রতিষ্ঠিত আইইউবিএটি বাংলাদেশের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে পথিকৃৎ। প্রখ্যাত শিক্ষাবিদ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিএ-এর প্রাক্তন পরিচালক অধ্যাপক ড. এম. আলিমউল্লাহ মিয়ানের হাত ধরে প্রতিষ্ঠিত এই বিশ্ববিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠার পর থেকেই একাডেমিক উৎকর্ষ, গবেষণা ও উদ্ভাবনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে এবং জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সুনাম অর্জন করেছে।
