শুক্রবার ০৩, এপ্রিল ২০২৬

শুক্রবার ০৩, এপ্রিল ২০২৬ -- : -- --

স্বাধীনতা দিবসকে ঘিরে গোবিপ্রবি শিক্ষার্থীদের মতামত ও প্রত্যাশা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৬ মার্চ ২০২৬, ০৬:২৯ পিএম

ফাইল ফটো

স্বাধীনতা দিবস শুধু একটি স্মরণীয় দিন নয়; এটি একটি প্রেরণার উৎস। এই দিন আমাদের অতীতের ত্যাগ ও সংগ্রামের কথা স্মরণ করিয়ে দেয় এবং ভবিষ্যতের জন্য নতুন স্বপ্ন দেখায়।মহান স্বাধীনতা দিবসকে ঘিরে গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ভাবনা তুলে ধরেছেন,গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির কার্যনির্বাহী সদস্য আব্দুল্লাহ আর রাফি। 

"বাঙালি জাতির আত্নত্যাগের অবিনাশী স্মারক "স্বাধীনতা"

স্বাধীনতা দিবস(২৬শে মার্চ) বাঙালি জাতির আত্মমর্যাদা ও চরম আত্মত্যাগের অবিনাশী স্মারক। ‘স্বাধীনতা’ কেবল একটি মানচিত্র বা পতাকার অধিকার নয়; বরং এটি মানুষের মৌলিক মানবাধিকার, নিজের ভাগ্য নিজে নির্ধারণের স্বাধিকার এবং একটি শোষণমুক্ত ইনসাফভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার।

১৯৪৭ সালের দেশভাগ আমাদের নতুন রাষ্ট্রের পরিচয় দিলেও বাঙালির প্রকৃত মুক্তি নিশ্চিত করতে পারেনি। পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর দীর্ঘ ২৩ বছরের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক বৈষম্যের বিরুদ্ধে বাঙালির প্রতিবাদ ভাষা আন্দোলন, ৬৬-এর ছয় দফা ও ৬৯-এর গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে চূড়ান্ত রূপ পায় ১৯৭১-এর মহান মুক্তিযুদ্ধে। এ দেশের সাধারণ মানুষ বারবার প্রমাণ করেছে যে, স্বাধীনতার প্রশ্নে তারা আপসহীন। একাত্তরে জীবন দিয়ে দেশ স্বাধীন করা থেকে শুরু করে পরবর্তী সময়ে গণতন্ত্র ও ন্যায়বিচারের দাবিতে প্রতিটি লড়াইয়ে এ দেশের মানুষই স্বাধীনতার অতন্দ্র প্রহরী হিসেবে কাজ করেছে।

বর্তমান প্রজন্মের কাছে স্বাধীনতা রক্ষার সংগ্রামের ধরন বদলেছে । আজ জ্ঞান, সততা ও সুদৃঢ় দায়িত্ববোধের মাধ্যমে দেশকে এগিয়ে নেওয়াই আমাদের প্রধান কর্তব্য। বিশেষ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের উচিত মুক্তিযুদ্ধের অসাম্প্রদায়িক চেতনাকে ধারণ করে দুর্নীতি ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়া। নতুন প্রজন্ম যদি দেশপ্রেম ও ন্যায়বোধকে নিজের কর্মে প্রতিফলিত করতে পারে, তবেই স্বাধীনতার প্রকৃত সার্থকতা ভবিষ্যৎ বাংলাদেশে বাস্তব রূপ লাভ করবে।

মোহাঃ আমানুল্লাহ ইসলাম নাইম
আইনবিভাগ, গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়।

 

"সার্বভৌমত্ত্ব টিকিয়ে রাখার লড়াই চলমান থাকুক" 

"স্বাধীনতা" শব্দটির নিগুঢ়তা এতটাই বেশি যে এটি পৃথিবীর কোনো ভাষায় প্রকাশ করা সম্ভবপর নয়। এটি এমন এক অনুভুতি যেথায় সকালের সূর্যটা ওঠে দাসত্বের কালো মেঘ ছাপিয়ে রক্তিম বর্ণে ভোরের পাখি ডাকা মুক্তির গান নিয়ে। সেই স্বাধীনতার গোড়াপত্তন হয় অত্যাচারিত মানুষের টগবগে রক্তের লাভা থেকে। আমাদেরও সেরকম এক আগ্নেয়গিরির অগ্নুৎপাত থেকে স্বাধীনতার চেতনা জাগ্রত হয়। বাংলার স্বাধীনতা কামী জনগণ সহ্যসীমার সমাপ্তি ঘটিয়ে মুক্তির আকাঙ্ক্ষায় দাবানলের মতো ছড়িয়ে পরে।

 ২৬শে মার্চ ১৯৭১ এ দেশের জনগণ এক মহানায়কের ডাকে স্বাধীনতা যুদ্ধে ঝাপিয়ে পরেছিল। এটি বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস, যা বাঙালির আত্মপরিচয়, শৃঙ্খল মুক্তি ও অসীম ত্যাগের প্রতীক । এটি কেবল একটি দিবস নয়, বরং শহিদদের রক্তের ঋণে একটি ন্যায়ভিত্তিক, বৈষম্যহীন ও উন্নত বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকারের দিন । সার্বভৌমত্ত্ব টিকিয়ে রাখার লড়াইয়ের শুভ সূচনা হয় এই দিনে। বহিরাগত শত্রুদের কড়ালগ্রাস থেকে দেশের সীমারেখা অক্ষয় রাখতে এই দিনের চেতনা সর্বদাই ধারণ করতে হবে। 

দেশের পতাকা রক্ষা, দীর্ঘায়ু কামনা, প্রতি ইঞ্চি জমি এ দেশের মানুষ কারুর চোখ রাঙানো ছাড়াই যেন বসবাস করতে পারে এটাই কাম্য। 

আব্দুল্লাহ আর রাফি
আইন বিভাগ, গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়।

 

"সত্যিকার অর্থে নারীর স্বাধীনতা চাই"

স্বাধীনতা মানে শুধু শৃঙ্খলমুক্ত হওয়া নয়, এটি নিরাপদ, সম্মানজনক ও স্বাধীন জীবনযাপনের অধিকার। যেখানে মানুষ নিজের চিন্তা, বিশ্বাস ও স্বপ্নকে অবাধে প্রকাশ করতে পারে। তাই বলে স্বাধীনতা মানে যা ইচ্ছা তাই করার ক্ষমতা নয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বাড়ি থেকে দূরে পড়তে এসে যে অবাধ স্বাধীনতা পায়, তার অপব্যবহার করা কখনোই উচিত নয়।স্বাধীনতা তখনই অর্থবহ হয়, যখন তা আইন ও নীতি-নৈতিকতার সীমার মধ্যে থেকে সঠিকভাবে চর্চা করা হয়।  

আমাকে যদি প্রশ্ন করা হয় স্বাধীনতা দিবসে আমার চাওয়া কি? তাহলে আমি বলবো “সত্যিকার অর্থে স্বাধীনতা চাই” বাঙালি জাতীর স্বাধীনতা লাভের দুঃসাহসিক স্বপ্ন দেখার রাত ছিল ১৯৭১ এর ২৬ এ মার্চ।কখোনো ভেবে দেখেছেন? আমরা তো সেই ১৯৭১ থেকেই স্বাধীন ছিলাম। তবে কেন জুলাই অভ্যুত্থানের প্রয়োজন হলো? ঠিক এই কারণেই , কারণ আমাদের স্বাধীনতা ছিল, কিন্তু প্রকৃত স্বাধীনতা ছিল না। আমাদের চারপাশে যেন এক অদৃশ্য শক্তি ঘিরে রেখেছিল, যা আমাদের মুক্ত আকাশে স্বাধীনভাবে উড়তে দিচ্ছিল না। সেই অদৃশ্য শৃঙ্খল ভেঙে সত্যিকারের স্বাধীনতা অর্জনের আকাঙ্ক্ষাই জুলাই বিপ্লবের জন্ম দিয়েছিল।

একজন নারী শিক্ষার্থী হিসেবে স্বাধীনতা মানে শুধু বাড়ির বাইরে যেয়ে পড়াশোনা করার অনুমতি নয়, বরং ভয় , আশংকা এবং হুমকিমুক্ত পরিবেশে বাঁচার নিশ্চয়তা।আজকের বাংলাদেশে অনেক নারী ঘর থেকে বের হওয়ার আগে মনে মনে এক অদৃশ্য প্রার্থনা করে “আমি যেন নিরাপদে ফিরে আসতে পারি।” এই প্রার্থনা কি একটি স্বাধীন দেশের নাগরিকের জন্য স্বাভাবিক? ধর্ষণ ও নারীদের প্রতি সহিংসতার মতো অপরাধ নারীদের স্বাধীনতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করে!নারী যেখানেই যায় তাকে ঘিরে আবর্তন করে এক অদৃশ্য হিংস্র কালো ছায়া। আমরা তো এমন স্বাধীনতা চাইনি! যেখানে নারীদের প্রতি বৈষম্য, অসম্মান আর অসমতা থাকবে,যেখানে চার বছরের শিশু মানুষরূপী পশুদের হাত থেকে রক্ষা পায় না। 

আমরা এমন স্বাধীনতা চেয়েছি, যেখানে নারীদের সম্মান থাকবে। যে স্বাধীনতা নারীদের মুক্ত আলোয় বাঁচার সাহস দেবে। আমি চাই, নারীদের প্রতি অন্যায়ের বিচার হোক, নারীরা নির্ভয়ে বাঁচুক।

জুলাই অভ্যুত্থানে হাজারো প্রতিভাবান তরুণ শিক্ষার্থীদের তাজা প্রাণের বলিদানের মাধ্যমে আমরা যে প্রকৃত স্বাধীনতার স্বাদ অনুভব করার সম্ভাবনা সৃষ্টি করেছি, তা যেন আর হারিয়ে না যায় বাংলাদেশের ৫৫তম স্বাধীনতা দিবসে এটাই আমার প্রত্যাশা।

নায়িমা আখতার
আইন বিভাগ।গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়।

 

"বৈষম্যের বিরুদ্ধে আজন্ম লড়াই থাকুক"

সাহসী জাতির আত্মপরিচয়ের শুদ্ধতম প্রকাশ ‘স্বাধীনতা’-  এক অনির্বচনীয় অনুভব, রক্তে লেখা অমোঘ উপাখ্যান, যা জাতির আত্মায় অনুরণিত হয় প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে। স্বাধীনতা শুধুমাত্র একটি ঐতিহাসিক অর্জনের নাম কিংবা ভৌগোলিক মুক্তির প্রতীক নয়; বরং এটি চিন্তার স্বাধিকার, ন্যায়বোধের দীপ্তি এবং স্বদেশপ্রেমের চেতনাকে ধারণ করার নাম । 

যে স্বাধীনতা অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রশ্ন করতে শেখায়, বৈষম্যের বিরুদ্ধে উচ্চারণে নির্ভীক করে এবং বিভেদের অন্ধকার পেরিয়ে সহমর্মিতার আলোকবর্তিকা জ্বালায়- সেই স্বাধীনতাই তো আজন্ম প্রত্যাশিত । মহান স্বাধীনতা দিবস আমাদের সেই অস্তিত্বের গভীরে প্রশ্ন করতে শেখায়- প্রকৃতই আমার দেশ কতটা স্বাধীন?কতটা দায়িত্ববান এই দেশমাতৃকার সন্তানেরা? সত্যের পক্ষে কতটা অবিচল বা ন্যায়বোধে কতখানি দীপ্ত দেশের তরুণ শক্তিরা ? 

তাই একজন বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া শিক্ষার্থী হিসেবে আমি এই মহান দিবসকে শুধুমাত্র স্মৃতিচারণের আচার কিংবা দিবস কেন্দ্রীক আনুষ্ঠানিকতা হিসেবে দেখি না; বরং দেখি আত্মজিজ্ঞাসার আয়নায় নিজেকে পুনরাবিষ্কারের সুযোগ হিসেবে। স্বদেশপ্রেমের চেতনা ধারণ করে, অন্যায় আর নিপীড়নের বিরুদ্ধে গর্জে ওঠা বজ্রকণ্ঠ হিসেবে। আজ স্বাধীনতা এক শাশ্বত চেতনা, চিরায়ত সৃষ্টিপ্রক্রিয়া, যেখানে প্রতিটি সৃজন চিন্তা, প্রতিটি নৈতিক অবস্থান, প্রতিটি সাহসী পদক্ষেপ ভবিষ্যৎ লাল- সবুজের পতাকা  রচনা করে।

স্বাধীনতা, আজ তোমাকে পাবার জন্য হোক সকল অসাম্য- অবিচার-অজ্ঞতার বিরুদ্ধে নিরন্তর লড়াই। সার্বভৌম বাংলাদেশ রক্ষায়, সাহসিকতার চর্চায় ও স্বদেশব্রতে প্রতিনিয়ত নবায়িত হও তুমি। মহান স্বাধীনতা দিবসে তাই মুক্ত আকাশ বাতাসে ধ্বনিত হোক - একটি আলোকিত, ন্যায়নিষ্ঠ ও মানবিক বাংলাদেশের স্বপ্নকে বাস্তব রূপ দেওয়ার অবিচল প্রতিজ্ঞা।

নাঈমা সুলতানা, 
পরিবেশ বিজ্ঞান ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগ।গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়।

 

"অর্থনৈতিক মুক্তি ও সম্পদের সুষম বন্টন"

২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার ৫৫তম বার্ষিকী। ১৯৭১ সালের এই দিনে হাজার বছরের সংগ্রামী বাঙালি জাতি, পরাধীনতার শৃঙ্খল ভেঙে স্বাধীনতা অর্জন করে। বহুবার বিভিন্ন ভাবে, স্বাধীনতা রক্ষা মুখ থুবড়ে পরেছে কিন্তু জাতীয় ঐক্য তা প্রতিরোধ করতেও সক্ষম হয়েছে, স্বাধীনতার ৫৫তম বর্ষে পদার্পণের এই মাহেন্দ্রক্ষণে আমার প্রধান প্রত্যাশা হলো সেই আদি ও অকৃত্রিম 'ভিত্তি'গুলোর পুনরুদ্ধার। "স্বাধীনতার অন্যতম প্রধান ভিত্তি ছিল অর্থনৈতিক মুক্তি। তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান থেকে পশ্চিম পাকিস্তানে সম্পদ পাচারের যে শৃঙ্খল, তা ভেঙে ফেলাই ছিল ৭১-এর প্রধান চ্যালেঞ্জ।

আজ আমাদের জাতীয় আয় বা জিডিপি বাড়লেও, সেই উন্নয়নের সুফল সবার কাছে পৌঁছানো তথা 'সম্পদের সুষম বণ্টন' নিশ্চিত করা আমাদের বড় লক্ষ্য। প্রকৃত স্বাধীনতা তখনই সার্থক হবে, যখন সমাজের প্রান্তিক কৃষক, শ্রমিক বা দিনমজুরের মৌলিক চাহিদাগুলো অনায়াসে মিটবে। তাই অর্থনৈতিক বৈষম্য দূর করে প্রতিটি নাগরিকের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি করাই হোক আমাদের আগামীর অঙ্গীকার। তাছাড়াও, আমাদের সাংস্কৃতিক সার্বভৌমত্ব ও শেকড়ের সন্ধান করতে হবে। কারণ, ​একটি জাতি স্বাধীন হিসেবে টিকে থাকতে হলে, শুধু ভৌগোলিক সীমানা রক্ষা করলেই চলে না, প্রয়োজন নিজস্ব সংস্কৃতির সুরক্ষা।

বর্তমান বিশ্বায়নের যুগে ভিনদেশী সংস্কৃতির প্রবল জোয়ারে আমাদের নিজস্ব লোকজ ঐতিহ্য, ভাষা ও কৃষ্টি ধরে রাখা একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাই সাংস্কৃতিক আগ্রাসন থেকে নিজেদের শিল্প-সাহিত্য ও মূল্যবোধকে রক্ষা করা আমাদের স্বাধীনতার একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। প্রযুক্তিগত স্বাধীনতা ও পরিবেশগত সুরক্ষাও প্রাধান্যে রাখতে হবে। স্বাধীনতা অর্জন যেমন সাহসের কাজ, তা রক্ষা করা তেমনি প্রজ্ঞার কাজ। বর্তমান সময়ের চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলা করতে হলে আমাদের প্রয়োজন, যেকোনো দলীয় সংকীর্ণতার ঊর্ধ্বে উঠে জাতীয় ঐক্য। দুর্নীতিমুক্ত শাসনব্যবস্থা, আইনের শাসন এবং যোগ্যতার মূল্যায়ন নিশ্চিত করতে পারলে স্বাধীনতার সুফল প্রতিটি ঘরে পৌঁছাবে। ২৬শে মার্চের এই দিনে আমাদের শপথ হওয়া উচিত—আমরা এমন একটি বাংলাদেশ গড়ব, যা হবে উন্নত, আধুনিক ও মানবিক এবং মূল স্লোগান হবে, সবকিছুর উর্ধ্বে বাংলাদেশের জাতীয় জনস্বার্থ। 

ইমন হোসেন 
আইনবিভাগ।গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়।
Link copied!