প্রকাশিত: ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:২৯ পিএম
লিডিং ইউনিভার্সিটি সোশ্যাল সার্ভিসেস ক্লাবের উদ্যোগে (৩ অক্টোবর) বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্য্যাম্পাসে ইকো ফেস্ট ২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে। জ্ঞান, টেকসই উন্নয়ন ও উদ্ভাবনকে কেন্দ্র করে সাজানো এবারের ইকো ফেস্টে সিলেটের বিভিন্ন স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের ৭০০-এর বেশি শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে।
এসডিজি, পরিবেশ ও জলবায়ু বিষয়ে সচেতনতা তৈরির লক্ষ্যে অনুষ্ঠানে দুটি প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। জেনারেল নলেজ কম্পিটিশনে তিনটি পর্যায়ের শিক্ষার্থীরা নিজ নিজ সিলেবাসের ভিত্তিতে এমসিকিউ পরীক্ষায় অংশ নেয়। পোস্টার প্রেজেন্টেশন: আইডিয়াস, রিসার্চ অ্যান্ড ইনোভেশনে কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা পরিবেশ ও টেকসই উন্নয়নবিষয়ক প্রকল্প, ধারণা ও গবেষণা উপস্থাপন করে এবং বিচারকদের প্রশ্নের উত্তর দেয়। পাশাপাশি এবারের আয়োজনে দিনব্যাপী ছিল ইকো-ফ্রেন্ডলি বিভিন্ন স্টল।
সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে জেনারেল নলেজ কম্পিটিশনের হাই স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে এবং পোস্টার প্রেজেন্টেশনে প্রতিটি বিভাগে চ্যাম্পিয়ন, ১ম রানার-আপ ও ২য় রানার-আপকে পুরস্কৃত করা হয়।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইকো ফেস্ট ২০২৬ অনুষ্ঠানে লিডিং ইউনিভার্সিটির উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ তাজ উদ্দিন বলেন, পরিবেশ ও টেকসই উন্নয়নবিষয়ক জ্ঞানার্জনে ইকো ফেস্ট গুরুত্বপূর্ণ।তিনি শিক্ষার্থীদের পরিবেশ সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান এবং ক্যাম্পাসকে পরিস্কার পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য সকলের সহযোগিতা কামনা করেন। এ আয়োজনের জন্য লিডিং ইউনিভার্সিটির সোশ্যাল সার্ভিসেস ক্লাবকে ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি তরুণ প্রজন্মের মধ্যে পরিবেশ বিষয়ে সচেতনতা সৃষ্টি এবং পরিবেশ সংরক্ষণে তাদের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে এ ধরনের উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে উল্লেখ করেন।
অনুষ্ঠানে লিডিং ইউনিভার্সিটির ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. বশির আহমেদ ভূঁইয়া, কলা ও আধুনিক ভাষা অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মো. রেজাউল করিম, লিডিং ইউনিভার্সিটি সোশ্যাল সার্ভিসেস ক্লাবের উপদেষ্টা মিসেস রুম্পা শারমিন, সহ-উপদেষ্টা ইঞ্জিনিয়ার অমিত চক্রবর্তী, বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী বিভিন্ন স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
প্রতিযোগিতার বিভিন্ন ইভেন্টের মধ্যে জেনারেল নলেজ কম্পিটিশন, স্কুল পর্যায়য়ে চ্যাম্পিয়ন তায়েবা তাসনিম (স্কলারসহোম, পাঠানটুলা), ১ম রানার-আপ নওরিন আঞ্জুম (সিলেট ক্যাডেট কলেজ ক্যাম্পাস হাই স্কুল) এবং ২য় রানার-আপ মোহাম্মদ জাওয়াদ চৌধুরী (ব্রিটিশ বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল স্কুল)।
কলেজ পর্যায়ে চ্যাম্পিয়ন জান্নাতুন নাঈমা (আম্বরখানা গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ), ১ম রানার-আপ নুসরাত সুরাইয়া এমিশা (স্কলারসহোম, পাঠানটুলা) এবং ২য় রানার-আপ শবনম মালিক (স্কলারসহোম)। বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে চ্যাম্পিয়ন নুরুল ইসলাম নাহিদ (লিডিং ইউনিভার্সিটি), ১ম রানার-আপ আমিন উদ্দিন খান (নর্থ ইস্ট ইউনিভার্সিটি) এবং ২য় রানার-আপ ফাতেমা ইসলাম (মুরারিচাঁদ কলেজ)।
পোস্টার প্রেজেন্টেশনে চ্যাম্পিয়ন ফ্ল্যাশ-ফ্লাড অ্যালার্ট প্রোগ্রাম (লিডিং ইউনিভার্সিটি)। এতে দলের সদস্য ছিল এস এ এম হাসানুল বান্না, সামায়া জাহান এবং মাফরুহা আলম মুন। ১ম রানার-আপ জলবায়ু পরিবর্তন ও মানব অভিবাসন (সেন্ট্রাল উইমেন্স কলেজ)। এতে দলের সদস্য ছিল মাহিয়া তাসনিম নূরা, মাজেদা চৌধুরী এবং ইসমত জামান চৌধুরী। ২য় রানার-আপ পাতি-পাতা: চা বাগানের বর্জ্যকে টেকসই প্যাকেজিং সমাধানে রূপান্তর (এআইবিএ)। এতে দলের সদস্য ছিল মাহদি ইসলাম সৌরভ, শেখ জারিন তাসনিম অনি এবং সুমাইয়া আক্তার বৃষ্টি।
