বুধবার ৩০, সেপ্টেম্বর ২০২৬

বুধবার ৩০, সেপ্টেম্বর ২০২৬ -- : -- --

ছাত্রলীগ সম্পৃক্ততার অভিযোগে চবিতে একই দিনে দুই শিক্ষার্থী আটক

ক্যাম্পাস প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:১০ পিএম

ছবি| ক্যাম্পাস রিপোর্ট

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগে দুই শিক্ষার্থীকে আটক করে হাটহাজারী থানায় সোপর্দ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

গতকাল সোমবার ( ২৮ সেপ্টেম্বর) রাত ১০টা'র দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী হাসিবুল ইসলাম অপুকে সন্দেহজনকভাবে শাখা ছাত্রশিবিরের কয়েকজন নেতাকর্মী আটক করে জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের সাথে সম্পৃক্ততার প্রমাণ পায়।আটককৃত শিক্ষার্থীর পিতা শাহজাহান মিয়া,বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের সেকশন অফিসার। 

এসময়,তার ফোন থেকে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের চবি শাখা'র সাবেক সহ-সভাপতি আবরার শাহরিয়ারের সাথে যোগাযোগের প্রমাণ মেলে।জিজ্ঞাসাবাদকালীন তার ফোনে আবরার শাহরিয়ারের ভিডিও কল আসে বলে জানান শাখা শিবিরের নেতৃবৃন্দ।পরে তাকে বিশ্ববিদ্যালয় নিরাপত্তা দপ্তরে হস্তান্তর করা হলে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তাকে হাটহাজারী থানায় সোপর্দ করে। 

এর আগে সেদিনই(২৮ সেপ্টেম্বর) সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের এ এফ রহমান হল থেকে রাজনীতি বিজ্ঞান বিভাগের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের আরেক শিক্ষার্থী মুনতাছির মারজুকে আটক করে প্রক্টর কার্যালয়ে নেওয়া হয়। পরে তাকে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

প্রশাসন ও চাকসু নেতৃবৃন্দ সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি চাকসু ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের নেতৃবৃন্দের মোটরসাইকেলে টহলের একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। পরে একটি পোস্টে ছাত্রলীগের সাবেক সহসভাপতি আবরার শাহরিয়ারের বক্তব্যের স্ক্রিনশট ব্যবহার করে চাকসু ও শিবির নেতৃবৃন্দকে উদ্দেশ্য করে হুমকিসূচক বক্তব্য দেওয়া হয়। ওই পোস্টে মুনতাছির ‘লাভ’ রিঅ্যাক্ট দেওয়ায় তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। পরে তার মুঠোফোন পরীক্ষা করে আবরার শাহরিয়ারের সঙ্গে দীর্ঘদিনের হোয়াটসঅ্যাপ যোগাযোগ ও বিভিন্ন বার্তা পাওয়ার দাবি করেন চাকসু নেতৃবৃন্দ।

চাকসুর মুক্তিযুদ্ধ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনবিষয়ক সম্পাদক মোনায়েম শরীফ গণমাধ্যমকে বলেন, মুনতাছিরের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পোস্ট ও তার ফোনে আবরার শাহরিয়ারের সঙ্গে কথোপকথন পাওয়া যায়। সেখানে ষড়যন্ত্রমূলক বিভিন্ন তথ্য ও প্রমাণ পাওয়া গেছে। পরে তাকে প্রক্টর কার্যালয়ে নেওয়া হলে প্রক্টর এসব তথ্য ও প্রমাণ দেখে পুলিশকে জানান।

Link copied!