প্রকাশিত: ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৫৯ এএম
সিনিয়র-জুনিয়রের পরিচয় ও বন্ধনকে আরও দৃঢ় করতে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) কৃষি অর্থনীতি ও গ্রামীণ সমাজবিজ্ঞান অনুষদের ৬১তম ব্যাচের শিক্ষার্থীরা ৬২তম ব্যাচের শিক্ষার্থীদের জন্য আয়োজন করেছে ব্যতিক্রমী রিসেপশন অনুষ্ঠান। ‘বৃত্তায়ন ৬১ × প্রস্ফুরণ ৬২: দ্য কানেকশন ক্রনিকলস’ শিরোনামে শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের সৈয়দ নজরুল ইসলাম কনফারেন্স কক্ষে এ আয়োজন করা হয়। বিকেল ৪টায় শুরু হওয়া অনুষ্ঠানে দুই ব্যাচের প্রায় ২০০ শিক্ষার্থী অংশ নেন।
অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ ছিল একই আইডি নম্বরের দুই ব্যাচের শিক্ষার্থীদের পরিচয়পর্ব। ৬১তম ব্যাচের একজন শিক্ষার্থী ও ৬২তম ব্যাচের একই আইডি নম্বরের শিক্ষার্থী একসঙ্গে মঞ্চে এসে পরস্পরের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন। এ সময় সিনিয়র শিক্ষার্থী তাঁর জুনিয়রকে উপহার দিয়ে বরণ করে নেন।
পরিচয়পর্বের ফাঁকে দুই ব্যাচের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে একক ও দলীয় গান এবং নৃত্য পরিবেশন করা হয়। পাশাপাশি ছিল স্ট্যান্ড আপ কমেডি ও ‘ক্রিঞ্জ রিলস’ রিমেকের মতো বিনোদনমূলক আয়োজন। এসব পর্বে দুই ব্যাচের শিক্ষার্থীরাই অংশ নেন।
আয়োজনের উদ্দেশ্য সম্পর্কে ৬১তম ব্যাচের শিক্ষার্থী শাকিল বলেন, এটি তাঁদের অনুষদের একটি ঐতিহ্য। তাঁদের সিনিয়ররাও একইভাবে আয়োজন করে তাঁদের বরণ করে নিয়েছিলেন। সেই ধারাবাহিকতায় এবার তাঁরা জুনিয়রদের বরণ করে নিচ্ছেন।
তিনি বলেন, “এই ট্রেডিশনটা আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে শুধু আমাদের অনুষদেই বিদ্যমান। এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে জুনিয়রদের সঙ্গে সিনিয়রদের ভালো পরিচয় তৈরি হয়। ভালো একটি বন্ডিং তৈরির প্রত্যাশাতেই মূলত এই আয়োজন।”
অনুষ্ঠান নিয়ে ৬২তম ব্যাচের শিক্ষার্থী আশিকুর রহমান আশিক বলেন, সিনিয়রদের এমন আয়োজন তাঁদের সত্যিই অভিভূত করেছে। পুরো আয়োজনের দায়িত্ব সিনিয়ররাই নিয়েছেন এবং তাঁদের জন্যই সবকিছু করা হয়েছে।
আশিক বলেন, “এমন আয়োজনের মাধ্যমে আমরা আমাদের সিনিয়রদের সাথে ভালোভাবে পরিচিত হওয়ার সুযোগ পেয়েছি। আশাকরি আমাদের সিনিয়রদের সাথে আগের চেয়ে আরো শক্তিশালী সম্পর্ক তৈরি হবে। ”
উপস্থিত শিক্ষার্থীদের মতে, আনুষ্ঠানিক পরিচয়পর্বের পাশাপাশি সাংস্কৃতিক ও বিনোদনমূলক আয়োজনের মধ্য দিয়ে দুই ব্যাচের শিক্ষার্থীদের মধ্যে পারস্পরিক পরিচিতি ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক তৈরির সুযোগ তৈরি হয়েছে। অনুষদের এ ধারাবাহিক আয়োজন ভবিষ্যতেও সিনিয়র-জুনিয়রদের মধ্যে সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করবে বলে তাঁরা আশা প্রকাশ করেন।
