প্রকাশিত: ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:২১ পিএম
পেপারলেস অফিস প্রতিষ্ঠার অংশ হিসেবে ডি-নথির (ডিজিটাল নথি) সঙ্গে যুক্ত হলো সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়। সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (সিকৃবি) ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাস্যুরেন্স সেল (আইকিউএসি) এর উদ্যোগে কেন্দ্রীয় লাইব্রেরী ভবনের ই-রিসোর্স সেন্টারে সিকৃবি শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের দুই দিন ব্যাপি “ডি-নথির ব্যবহার ও বাস্তবায়ন বিষয়ক দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ” এর সমাপনী দিনে ৩৭ তম বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে ডি-নথির কার্যক্রম শুরু করেছে সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়।
৫ সেপ্টেম্বর (শনিবার) সিকৃবি আইকিউএসির পরিচালক প্রফেসর ড. এম. রাশেদ হাসনাতের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ আলিমুল ইসলাম ।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, ইউজিসির আইসিটি বিভাগের পরিচালক জনাব মোঃ ওমর ফারুখ, সিকৃবি রেজিস্ট্রার প্রফেসর ড. মোঃ আসাদ-উদ-দৌলা, আইসিটি সেলের পরিচালক প্রফেসর ডা. মোঃ রফিকুল ইসলাম।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সিকৃবি ভিসি প্রফেসর ড. মোঃ আলিমুল ইসলাম বলেন, বর্তমান বিশ্ব তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর। সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানসহ উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতেও প্রশাসনিক কার্যক্রমকে আরও দ্রুত, স্বচ্ছ, দক্ষ ও জবাবদিহিমূলক করার জন্য ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহার অপরিহার্য হয়ে উঠেছে। এই বাস্তবতায় ডি-নথি ব্যবস্থার কার্যকর ব্যবহার আমাদের দাপ্তরিক কার্যক্রমে একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনবে।
ডি-নথির মাধ্যমে নথি ব্যবস্থাপনা সহজ, দ্রুত ও সুশৃঙ্খল হবে। একই সঙ্গে সময় ও কাগজের ব্যবহার কমবে, সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত হবে । তিনি বলেন,ডি-নথির মাধ্যমে যেকোন স্থান থেকে ফাইল নিষ্পত্তি করা যায়। ফলে কোনো ফাইল নিজের ইচ্ছেমাফিক আটকে রাখার সুযোগ থাকবে না, ফলে কাজের গতি বৃদ্ধি পাবে। এতে দাপ্তরিক কাজে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির সংস্কৃতি তৈরি হবে। ডি নথির ব্যবহার বিশ্ববিদ্যালয়ে দাপ্তরিক কাজে গতিশীলতা নিশ্চিত করবে। তিনি সবাইকে গতানুগতিক মানসিকতা পরিহার করে প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।
