বৃহস্পতিবার ১২, মার্চ ২০২৬

বৃহস্পতিবার ১২, মার্চ ২০২৬ -- : -- --

বড়দিন নিয়ে রাবিপ্রবি শিক্ষার্থীদের ভাবনা

রাবিপ্রবি থেকে আয়নুল ইসলাম

প্রকাশিত: ২৫ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৮:০৯ এএম

ফাইল ফটো

খ্রিস্টধর্মাবলম্বীদের অন্যতম প্রধান উৎসব বড়দিন। সারা বিশ্বের মতো বাংলাদেশেও ২৫ ডিসেম্বর যথাযথ ধর্মীয় মর্যাদা ও বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে পালিত হয় খ্রিস্টধর্মের প্রবর্তক যিশু খ্রিস্টের জন্মদিন বা বড়দিন। 

যিশু খ্রিস্টের শান্তির বাণী সবার মাঝে ছড়িয়ে দেওয়ার লক্ষ্যে এ দিন প্রার্থনা করেন পুণ্যার্থীরা। রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবিপ্রবি) খ্রিস্টধর্মাবলম্বী শিক্ষার্থীরাও এই দিনটি পালন করেন আনন্দের সাথে। বড়দিন নিয়ে রাবিপ্রবি শিক্ষার্থীদের ভাবনা তুলে ধরেছেন প্রতিদিনের বাংলার বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক। 

কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থী অর্জন চাকমা জানান, সবাইকে শুভ বড়দিনের শুভেচ্ছা। ঈশ্বরকে ধন্যবাদ দিই, তিনি আমাদেরকে আরেকটিবার বড়দিন উৎযাপন করার সুন্দর সুযোগ করে দিয়েছেন।  আর তিনি ২০২৫ সাল আগে জন্মগ্রহণ করে আমাদের  পাপের জন্য নিজের জীবন দিয়ে আমাদেরকে পাপ থেকে মুক্ত করেছেন, যার জন্য আমি ঈশ্বরের নিকট চিরকৃতজ্ঞ। আমি চাই ঈশ্বর আমাদের জন্য যে ত্যাগ স্বীকার করেছেন এই সুখরবটা যেন সারা পৃথিবীর মানুষ জেনে তাকে বিশ্বাস করে।

একই বিভাগের আরেক শিক্ষার্থী সুজন ত্রিপুরা জানান বড়দিন নিয়ে তার অনুভূতি, "বড়দিন খ্রিষ্টধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ও আনন্দের একটি দিন। কেননা এই দিনে মুক্তিদাতা যীশু জন্মগ্রহণ করেছেন। বছর ঘুরে আবারো এসেছে বড়দিন। তাই সবাইকে জানাই বড়দিনের শুভেচ্ছা ও অশেষ ভালোবাসা। এবছরের বড়দিন বাংলাদেশসহ, সংঘাতময় পৃথিবীতে শান্তি বয়ে আনুক এই কামনা করি।"

অন্যদিকে ম্যানেজমেন্ট বিভাগের শিক্ষার্থী কেথি বম জানান, বড়দিন শুধু একটি উৎসব নয়, এটি ভালোবাসা, শান্তি আর ক্ষমার বার্তা। যীশু খ্রিস্টের জন্মদিন আমাদের মনে করিয়ে দেয়—আলো সবসময় অন্ধকারকে জয় করে, আর ভালোবাসা ঘৃণার চেয়েও শক্তিশালী। একটি সাধারণ গোয়ালঘরে জন্ম নিয়েও যীশু খ্রিস্ট পৃথিবীকে শিখিয়েছেন মানবতা, ত্যাগ ও নি:স্বার্থ ভালোবাসার সংজ্ঞা। তাঁর জীবন আমাদের বলে দেয়—অহংকার নয়, বিনয়ই আসল শক্তি; প্রতিশোধ নয়, ক্ষমাই সবচেয়ে বড় গুণ। ক্রিসমাস এর দিনে চারপাশে আলো ঝলমল করে, কিন্তু আসল আলোটা জ্বলে মানুষের হৃদয়ে। পরিবার, বন্ধু, আর প্রিয়জনদের সাথে সময় কাটানো, অসহায়দের পাশে দাঁড়ানো—এই ছোট ছোট কাজের মধ্যেই এর প্রকৃত অর্থ লুকিয়ে আছে। এই উৎসব আমাদের জীবনে নিয়ে আসুক শান্তি, আশার আলো আর মানুষের প্রতি ভালোবাসা। সবাইকে বড়দিন এর শুভেচ্ছা।

ট্যুরিজম এন্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের শিক্ষার্থী রুথিনা বেসরা জানান, সবাইকে বড়দিনের শুভেচ্ছা। পরিবারের সবার সাথে বড়দিন কাটুক হাসি আনন্দ এবং ভালবাসায়। এবারের বড়দিনে ছোট বেলার মতনই অনেক আনন্দ অনুভব করছি এবং আশা করছি এবারের বড়দিন অনেক ভালো কাটবে।

Link copied!