মঙ্গলবার ১১, আগস্ট ২০২৬

মঙ্গলবার ১১, আগস্ট ২০২৬ -- : -- --

ইবিতে ভর্তি জালিয়াতি : তদন্ত কমিটির মেয়াদ শেষ হলেও জমা হয়নি প্রতিবেদন

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তাওহিদ ইসলাম

প্রকাশিত: ১০ আগস্ট ২০২৬, ০৯:৫০ পিএম

ছবি। ক্যাম্পাস রিপোর্ট

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) ২০২৪-২০২৫ শিক্ষাবর্ষের প্রথম বর্ষ (সম্মান) শ্রেণিতে ইংরেজি বিভাগে জালিয়াতির মাধ্যমে ভর্তির ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনা তদন্তে গঠিত কমিটির মেয়াদ শেষ হলেও এখনো জমা পড়েনি প্রতিবেদন।

জানা যায়, গত ২৭ জুলাই ভর্তি সংক্রান্ত ঘটনা তদন্তে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। এতে, শামীমা আক্তারের ভর্তি সংক্রান্ত সার্বিক তথ্য পর্যালোচনা করে এ ঘটনায় দায়ী ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ০৭ কর্মদিবসের সময় বেঁধে দেয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান। তবে, ৯ কর্মদিবস চলে গেলেও তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে পারেনি সংশ্লিষ্ট তদন্ত কমিটি। এ নিয়ে নানা শঙ্কা সৃষ্টি হয়েছে সংশ্লিষ্টদের মধ্যে। 

গঠিত কমিটির আহ্বায়ক মেহেরপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও ইবির আরবি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহা. তোজাম্মেল হোসেন এবং সদস্য সচিব বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-রেজিস্ট্রার মো. বদিউজ্জামান। এছাড়া কমিটিতে সদস্য হিসেবে রয়েছেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের অ্যাডভোকেট ও ইবির আইন উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন। 

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ইবির ইংরেজি বিভাগের ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের ২৪১০১০৪ রোলধারী শিক্ষার্থী শামিমা আক্তার জালিয়াতির মাধ্যমে ভর্তি হয়ে নিয়মিত ক্লাস ও পরীক্ষা সম্পন্ন করে। রেজাল্ট তৈরি করতে গিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রদত্ত সফটওয়্যারে তার রোল নাম্বার খুঁজে পাওয়া যায় না। তখন বিষয়টি নিয়ে অনুসন্ধান করতে গিয়ে জালিয়াতির ঘটনার কথা জানতে পারে সংশ্লিষ্ট পরীক্ষা কমিটি। পরে, গত ১১ জুলাই বিষয়টি নিয়ে বৈঠক করে পরীক্ষা কমিটি। মিটিং পরবর্তী বিষয়টি বিভাগীয় সভাপতিকে জানালে একইদিনে জরুরি মিটিং ডাকা হয়। জরুরি মিটিংয়ে বিষয়টি উত্থাপন করেন বিভাগের সভাপতি। উক্ত জরুরি সভায় অভিযুক্ত শিক্ষার্থীর ভর্তি সংক্রান্ত কোনো নথি বিভাগীয় ও একাডোমিক শাখায় না পাওয়ায় তার পরীক্ষা বাতিলের সুপারিশের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এছাড়া বিভাগের সংশ্লিষ্ট স্টাফদের আরও সতর্কতার সাথে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেওয়া হয়।

তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মোহাঃ তোজাম্মেল হোসেন বলেন, ‘আমি একসপ্তাহ অতিরিক্ত সময় আগেই চেয়ে নিয়েছি। এতো ব্যস্ততার মধ্যে ওই সাতদিনে তদন্ত শেষ করা কোনোভাবেই সম্ভব ছিলনা। আমরা প্রায় কাছাকাছি শেষ করে ফেলেছি। আগামী সপ্তাহেই প্রতিবেদন জমা দিবো।’

Link copied!