প্রকাশিত: ০২ আগস্ট ২০২৬, ০৭:৩৩ এএম
জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও এনিম্যাল সাইন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়ে (সিভাসু) আলোচনা সভা, তথ্যচিত্র প্রদর্শনসহ বিভিন্ন কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। শনিবার (১ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের অডিটোরিয়ামে আয়োজিত অনুষ্ঠানে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে দিবসটি পালন করা হয়।
অনুষ্ঠানের শুরুতে বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থানকে কেন্দ্র করে নির্মিত পৃথক দুটি তথ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়। পরে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন সিভাসুর উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ লুৎফুর রহমান।
আলোচনা সভায় মুখ্য আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম-১০ আসনের সংসদ সদস্য সাঈদ আল নোমান। এছাড়া বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ প্রফেসর ড. মো. নূরুল হক, পরিচালক (বহিরাঙ্গন কার্যক্রম) প্রফেসর ড. এ. কে. এম. সাইফুদ্দিন, ছাত্রকল্যাণ বিষয়ক পরিচালক প্রফেসর ড. মোহাম্মদ রাশেদুল আলম, সিভাসু অফিসার সমিতির সভাপতি খলিলুর রহমান এবং সিভাসু শাখা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক শাহরিয়ার হোসেন তালুকদার। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সহকারী অধ্যাপক নাঈমা ফেরদৌসী হক ও ড. মেহের নাহিদ।
অনুষ্ঠানে মুখ্য আলোচক সাঈদ আল নোমান বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে কোনোভাবেই কলুষিত হতে দেওয়া যাবে না। তিনি শিক্ষা ব্যবস্থাকে আলোকিত সমাজ গঠনের অন্যতম ভিত্তি উল্লেখ করে বলেন, আন্তর্জাতিক মানের স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সুস্থ পরিবেশ নিশ্চিত করতে শিক্ষক, প্রশাসক ও নীতিনির্ধারকদের সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মূল চেতনা ছিল সমাজ পরিবর্তনের মাধ্যমে জাতি গঠন। বিশ্ববিদ্যালয়কে শুধু সনদ প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান নয়, বরং জ্ঞান সৃষ্টি, গবেষণা এবং আলোকিত মানুষ গড়ে তোলার কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে। এ ক্ষেত্রে সিভাসু গবেষণা ও শিক্ষার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখে এগিয়ে যাচ্ছে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
সভাপতির বক্তব্যে উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ লুৎফুর রহমান জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা ধারণ করে শিক্ষা, গবেষণা ও মানবিক মূল্যবোধে সমৃদ্ধ সমাজ গঠনে বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের সম্মিলিত ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী এবং বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাস ও তাৎপর্য নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারীরা মত প্রকাশ করেন।
