প্রকাশিত: ১১ নভেম্বর ২০২৫, ১১:১৫ এএম
বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর উপাচার্য, উপ-উপাচার্য এবং কোষাধ্যক্ষের নিয়োগে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে নতুন প্রস্তাবনা এসেছে। বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) খসড়া “বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইন-২০২৫ (সংশোধিত)” এ এই নিয়ম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
প্রস্তাবিত খসড়ায় বলা হয়েছে, ইউজিসির চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে সাত সদস্যের একটি সার্চ কমিটি গঠন করা হবে। উন্মুক্ত বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে প্রার্থী আবেদন আহ্বান করা হবে, যাচাই-বাছাই শেষে প্রতিটি পদে তিনজন প্রার্থীর নাম রাষ্ট্রপতির কাছে সুপারিশ করা হবে।
নতুন আইনের অধীনে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ভর্তি ও ফি কাঠামো ইউজিসির অনুমোদন সাপেক্ষে নির্ধারণ করতে হবে। আইন লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ৫ বছরের কারাদণ্ড এবং ৫০ লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানা আরোপের প্রস্তাব রয়েছে। এছাড়া, জাল সনদ তৈরি বা অনুমোদনবিহীন ক্যাম্পাস পরিচালনার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষাব্যবস্থা ন্যূনতম দুই বছর বন্ধ রাখার বিধান রাখা হয়েছে।
বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের জন্য নতুন শর্তে বলা হয়েছে, ভবনের আয়তন ২৫ থেকে ৫০ হাজার বর্গফুট এবং জমি ১ থেকে ৫ একর হতে হবে।
বর্তমানে দেশে মোট ১১৬টি অনুমোদিত বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে, যেখানে প্রায় ৩ লাখ ৫৮ হাজার শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করছেন। সংশোধিত খসড়া শিগগিরই চূড়ান্ত করা হয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে।
প্রস্তাবিত এই পদক্ষেপ শিক্ষার্থী ও জনসাধারণের প্রতি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের জবাবদিহিতা বাড়ানোর পাশাপাশি নিয়োগ প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিশ্চিত করবে। সার্চ কমিটি গঠনের মাধ্যমে প্রশাসনিক পদে যোগ্য প্রার্থী বাছাই করা হবে এবং তা রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের মাধ্যমে চূড়ান্ত করা হবে।
