প্রকাশিত: ৩১ মার্চ ২০২৬, ০৪:৩৫ পিএম
‘আগাম সতর্কতা ও সচেতনতাই পরিহারযোগ্য মৃত্যু রোধের মূল চাবিকাঠি’ প্রতিপাদ্য সামনে রেখে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিহারযোগ্য মৃত্যু রোধে আন্তর্জাতিক সচেতনতা দিবস পালিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) এ উপলক্ষে আয়োজিত র্যালি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবন চত্বর থেকে শুরু হয়ে কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে গিয়ে শেষ হয়। এতে আর্থ অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্সেস অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. হুমায়ুন কবীর, বিভাগীয় চেয়ারম্যান ড. মো. রবিউল আউয়াল, সহযোগী অধ্যাপক ড. ফাতিমা আক্তারসহ শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা অংশ নেন।
এর আগে র্যালির উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম।
এসময় উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম দুর্যোগ মোকাবিলা ও ঝুঁকি হ্রাসে আগাম সতর্কবার্তা প্রাপ্তির উপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, আগাম সতর্কতা, কার্যকর যোগাযোগ ও সবার অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে পারলে অনেকক্ষেত্রেই জান-মালের ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ হ্রাস করা সম্ভব। দুর্যোগপূর্ণ এলাকাগুলোতে সারাবছর সচেতনতামূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করতে হবে।
জনসচেতনতা বাড়াতে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার জন্য তিনি সকলের প্রতি আহ্বান জানিয়ে উপাচার্য বলেন, স্বাস্থ্যঝুঁকি, সময়মতো চিকিৎসা না পাওয়া, নিরাপদ আশ্রয়ের অভাব, বন্যার পানিতে ডোবা, সাপে কাটা, আগুন লাগা কিংবা যথাযথ তথ্যের অভাবে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে না পারার কারণে অনেক মৃত্যু ঘটে। সময়োপযোগী পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমে এ ধরনের পরিহারযোগ্য মৃত্যু রোধ করা সম্ভব। এক্ষেত্রে জনসচেতনতা বাড়াতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক শিক্ষার্থীদের অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে। আমি আশা করি, সচেতনতামূলক কার্যক্রম শুধু একাডেমিক পরিসরে সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং এটি নীতি নির্ধারণ, মাঠপর্যায়ের কার্যক্রম এবং জাতীয় উন্নয়নের সঙ্গেও যুক্ত হবে।
