বুধবার ২৬, আগস্ট ২০২৬

বুধবার ২৬, আগস্ট ২০২৬ -- : -- --

কৃষিকে প্রযুক্তিনির্ভর করার আহ্বান নোবিপ্রবি উপাচার্যের

নোবিপ্রবি থেকে রাকিব মোহাম্মদ আরজু

প্রকাশিত: ২৫ আগস্ট ২০২৬, ১১:০৮ পিএম

নোবিপ্রবির এগ্রিকালচার বিভাগের ৯ম ব্যাচের বিদায়ী শিক্ষার্থীদের হাতে সনদ ও ক্রেস্ট তুলে দেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী। ছবি: ক্যাম্পাস রিপোর্ট

নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) এগ্রিকালচার বিভাগের ৯ম ব্যাচের শিক্ষার্থীদের গ্র্যাজুয়েশন-পরবর্তী বিদায় সংবর্ধনায় কৃষিকে আরও প্রযুক্তিনির্ভর, উৎপাদনমুখী ও সহনশীল করার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী।

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের বীরশ্রেষ্ঠ শহিদ মোহাম্মদ রুহুল আমিন অডিটোরিয়ামে আয়োজিত ওই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী বলেন, “বাংলাদেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার অন্যতম প্রধান ভিত্তি হচ্ছে কৃষি। একটি দেশের মানুষের জন্য পর্যাপ্ত, নিরাপদ ও পুষ্টিকর খাদ্যের নিশ্চয়তা শুধু অর্থনৈতিক বিষয় নয়; এটি খাদ্য নিরাপত্তা ও রাষ্ট্রীয় স্থিতিশীলতার সঙ্গেও সংশ্লিষ্ট। তাই ভবিষ্যতের কৃষিকে হতে হবে আরও প্রযুক্তিনির্ভর, উৎপাদনমুখী ও সহনশীল।”

বিদায়ী শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “তোমরা শুধু কৃষির শিক্ষার্থী নও, তোমরা বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ খাদ্য নিরাপত্তার অন্যতম কারিগর। তোমাদের অর্জিত জ্ঞানকে মাঠপর্যায়ে কৃষকের কাছে পৌঁছে দিতে হবে এবং কৃষির বিদ্যমান সমস্যাগুলোর টেকসই সমাধান খুঁজে বের করতে হবে।”

উপাচার্য আরও বলেন, কৃষির গুরুত্ব বিবেচনায় নোবিপ্রবিতে কৃষি অনুষদ ও কৃষিবিষয়ক গবেষণার জন্য পর্যাপ্ত সুযোগ-সুবিধা সৃষ্টি করা হবে। শিক্ষার্থীদের অর্জিত জ্ঞান ও গবেষণাকে দেশের কৃষি উন্নয়নে কাজে লাগানোর ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের জীববিজ্ঞান অনুষদের ডিন ও এগ্রিকালচার বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. গাজী মো. মহসিন।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম বিদায়ী শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানান। তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের শিক্ষা ও অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে দেশের কৃষি ও জাতীয় উন্নয়নে অবদান রাখতে হবে। কৃষির আধুনিকায়ন ও প্রযুক্তির সঙ্গে শিক্ষার্থীদের নিজেদের দক্ষতা সমন্বয় করার আহ্বান জানান তিনি।

বিশেষ অতিথি বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. হাসান উদ্দীন বলেন, শিক্ষাজীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় শেষ করে শিক্ষার্থীরা এখন কর্মজীবন ও বাস্তব জীবনে প্রবেশ করছে। অর্জিত জ্ঞান, মূল্যবোধ ও দক্ষতার মাধ্যমে তারা দেশের মানুষের কল্যাণে কাজ করবে, এটাই প্রত্যাশা।

অনুষ্ঠানে বিদায়ী শিক্ষার্থীদের হাতে সনদ ও ক্রেস্ট তুলে দেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী। এ সময় বিভাগের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে বিদায়ী শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয় ও বিভাগের সঙ্গে কাটানো সময়ের স্মৃতিচারণ করেন। একই সঙ্গে ভবিষ্যৎ জীবনে সফলতার জন্য সবার দোয়া ও শুভকামনা কামনা করেন।

Link copied!