মৌলভীবাজার থেকে রাজন হোসেন তৌফিক
প্রকাশিত: ০৮ আগস্ট ২০২৬, ১২:০৬ পিএম
রবিবার ০৯, আগস্ট ২০২৬ -- : -- --
ছবি। ক্যাম্পাস রিপোর্ট
মুরগির ডিম নয়, দেখছেন উটপাখির ডিম। ওজন দেড় কেজির বেশি। আর এমুর ডিম সবুজাভ-নীল রঙের, আকারেও বিশাল।
দেশের একমাত্র বার্ড পার্কে দুই দৈত্যাকার পাখির ডিম পাড়ার খবর ছড়াতেই মৌলভীবাজারের আজমেরু গ্রামে এখন দর্শনার্থীর ঢল।
মৌলভীবাজার সদরের মোস্তফাপুর ইউনিয়নের আজমেরু গ্রামে অবস্থিত বার্ড পার্ক অ্যান্ড ইকো ভিলেজ। সম্প্রতি পার্কের দুটি উটপাখি ২টি ধূসর রঙের ডিম এবং একটি এমু পাখি ১টি সবুজাভ-নীলচে রঙের ডিম পেড়েছে।
বিশেষ ব্যবস্থাপনায় ডিমগুলো সংরক্ষণ করে রাখা হয়েছে। খবর পেয়েই বিশাল এই পাখিদের বিশাল ডিম দেখতে ভিড় করছেন ছোট-বড় সবাই।
পৃথিবীর সবচেয়ে বড় ও ভারী পাখি। উচ্চতা ৮-১০ ফুট, ওজন ৬৩-১৪৫ কেজি। উড়তে পারে না, তবে ঘণ্টায় ৭০ কিমি বেগে দৌড়াতে পারে।
এর একটি ডিমের ওজনই দেড় কেজির বেশি। যা প্রায় দুই ডজন দেশি মুরগির ডিমের সমান।
এমু পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম পাখি। আদি নিবাস অস্ট্রেলিয়া। উচ্চতা ৫-৬ ফুট, ওজন ৪০-৬০ কেজি। ঘণ্টায় ৫০ কিমি বেগে দৌড়ায়।
এমুর ডিম গাঢ় সবুজ বা নীলাভ-সবুজ রঙের। ওজন ৫০০-৬০০ গ্রাম। মজার বিষয় হলো, এমুর ডিমে পুরুষ পাখিই তা দেয়।
দর্শনার্থী কামরুল ইসলাম বলেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেখলাম বার্ড পার্কে উটপাখি ও এমু ডিম দিয়েছে। সবচেয়ে বড় প্রজাতির পাখি তাই ডিমও বড়। বড় ডিম দেখে অনেক কৌতূহল লাগছে।
প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক জাহেদ আহমেদ চৌধুরী বলেন, পার্কে উটপাখি ও এমুর ডিম দেওয়ার ঘটনাটি অত্যন্ত আনন্দের। আমরা কৃত্রিম উপায়ে বা প্রাকৃতিক নিয়মে এসব ডিম থেকে বাচ্চা ফুটিয়ে তোলার আশা করছি। দর্শনার্থীদের আকর্ষণ বাড়াতে ডিমগুলো বর্তমানে বিশেষভাবে সংরক্ষণ করা হয়েছে।
দেশের অন্যতম বৃহৎ পরিবেশবান্ধব এই পাখি উদ্যানে উটপাখি ও এমু ছাড়াও রয়েছে -
ময়ূর, টার্কি, ব্ল্যাক সোয়ান, চিত্রা হরিণ, রাজহাঁস, চীনাহাঁসহ দেশি-বিদেশি প্রায় ৭০ প্রজাতির পাখি ও প্রাণী।