প্রকাশিত: ০৮ জুলাই ২০২৬, ০৬:২২ এএম
নেপালে অনুষ্ঠিত ‘২য় ইন্টারন্যাশনাল ক্লাইমেট ক্যাম্প (আইসিসি) ২০২৬’-এ যুব নেতৃত্বের প্রতিনিধি হিসেবে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক তোফায়েল আহমদ তোফা।
তোফায়েল রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল ও পরিবেশবিদ্যা বিভাগের ২০২০–২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। আজ মঙ্গলবার (৭ জুলাই) থেকে ১১ জুলাই পর্যন্ত নেপালের কাঠমান্ডু ও পোখরায় অনুষ্ঠিত পাঁচ দিনব্যাপী এই আন্তর্জাতিক আয়োজনে তিনি ‘যুব নেতৃত্ব’ বিভাগে অংশ নিচ্ছেন। এতে দক্ষিণ এশিয়াসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের শতাধিক তরুণ নেতা, গবেষক, শিক্ষার্থী, পরিবেশকর্মী ও জলবায়ু বিশেষজ্ঞ অংশগ্রহণ করছেন।
ক্যাম্পে অংশগ্রহণ প্রসঙ্গে তোফায়েল আহমদ তোফা বলেন, “আন্তর্জাতিক এই প্ল্যাটফর্মে বাংলাদেশের যুব নেতৃত্বের প্রতিনিধিত্ব করতে পারা আমার জন্য অত্যন্ত গর্বের বিষয়। জলবায়ু পরিবর্তন বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ, বিশেষ করে বাংলাদেশের মতো জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ দেশের জন্য এটি অস্তিত্বের লড়াই।”
তিনি আরও বলেন, “এই ক্যাম্পে অংশ নিয়ে আমি আমাদের দেশের পরিবেশগত সংকট এবং তরুণ প্রজন্মের উদ্ভাবনী সমাধানগুলো আন্তর্জাতিক মহলে তুলে ধরার চেষ্টা করব। পাশাপাশি বিভিন্ন দেশের বিশেষজ্ঞদের কাছ থেকে অর্জিত জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা দেশে ফিরে পরিবেশ সংরক্ষণ এবং জলবায়ু সচেতনতা তৈরির কাজে লাগাতে চাই।”
আয়োজকরা জানান, পাঁচ দিনব্যাপী ক্যাম্পে জলবায়ু পরিবর্তন, টেকসই উন্নয়ন, যুব নেতৃত্ব, ন্যায়সঙ্গত জ্বালানি রূপান্তর, পরিবেশ সংরক্ষণ, কমিউনিটিভিত্তিক জলবায়ু কার্যক্রম এবং নীতিনির্ধারণী সংলাপ বিষয়ে কর্মশালা ও একাডেমিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া অ্যাকশন ল্যাব, গবেষণা উপস্থাপন, মাঠপর্যায়ের অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিদের সঙ্গে সাংস্কৃতিক ও পেশাগত নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার সুযোগ থাকবে। এসব কার্যক্রমের মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীরা জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় কার্যকর নেতৃত্ব, অভিজ্ঞতা ও উদ্ভাবনী ধারণা বিনিময়ের সুযোগ পাবেন।
‘২য় ইন্টারন্যাশনাল ক্লাইমেট ক্যাম্প ২০২৬’ যৌথভাবে আয়োজন করছে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্টার ফর ক্লাইমেট চেঞ্জ অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল রিসার্চ (C3ER), ওয়াটারকিপার্স বাংলাদেশ, এশিয়ান পিপলস মুভমেন্ট অন ডেট অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (APMDD), ল্যান্ড আওয়ার ফিউচার নেপাল, সেন্টার ফর অ্যাটমোস্ফেরিক পলিউশন স্টাডিজ (CAPS) এবং মিশন গ্রিন বাংলাদেশ।
এ আয়োজনের সহযোগী হিসেবে রয়েছে ব্র্যাক ক্লাইমেট চেঞ্জ প্রোগ্রাম, LEDARS বাংলাদেশ, OCREEDS, সাসটেইনেবল রিসার্চ অ্যান্ড কনসালটেন্সি লিমিটেড (SRCL), পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউট ফর ইকুইটেবল ডেভেলপমেন্ট (PRIED), রুরাল রিকনস্ট্রাকশন নেপাল (RRN), ক্লাইমেট অ্যাকশন নেটওয়ার্ক সাউথ এশিয়া (CANSA), SheRAA নেটওয়ার্ক, নেদারল্যান্ডস দূতাবাস, বিঙ্কস ইনস্টিটিউট অব সাসটেইনেবিলিটি (ডান্ডি বিশ্ববিদ্যালয়, স্কটল্যান্ড), পোখারা বিশ্ববিদ্যালয়, কাঠমান্ডু বিশ্ববিদ্যালয়, ত্রিভুবন বিশ্ববিদ্যালয়, স্ট্যামফোর্ড ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ, ক্লিন এনার্জি নেপাল, গ্লোবাল ইয়ুথ প্ল্যাটফর্ম, এমপাওয়ার হার নেপাল, SAAPE নেপাল, এলডিসি ওয়াচ, NYCA পোখারা, INSHA এগ্রো অ্যান্ড রিসার্চ সেন্টার, ইকো ফিউচার মার্কেট, ইনোগ্লোব এবং বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স।
