প্রকাশিত: ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:০৮ পিএম
চট্টগ্রাম সিটি কলেজে গুপ্ত রাজনীতির বিরুদ্ধে দেয়াল লিখন করায় ছাত্রদলের নেতাকর্মীসহ শিক্ষার্থীদের উপর হামলার প্রতিবাদে দেয়াল লিখন কর্মসূচি পালন করেছে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা।
বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) বিকালে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ও সলিমুল্লাহ মুসলিম হল ছাত্রদলের সাবেক নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক মোঃ তরিকুল ইসলাম তারিকের নেতৃত্বে ঢাবির সলিমুল্লাহ মুসলিম হলে এ কর্মসূচি পালিত হয়। কর্মসূচি পালণকালে তারা চট্টগ্রাম সিটি কলেজে হামলার ঘটনায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
কর্মসূচিতে উপস্থিত ছাত্রদল নেতারা বলেন, দেশের শিক্ষাঙ্গনগুলোতে কোনো ধরনের ‘গুপ্ত রাজনীতি’ বা অপরাজনীতির স্থান হবে না। কেউ যখন এর বিরুদ্ধে সোচ্চার হচ্ছে, তখনই তাদের ওপর হামলা চালানো হচ্ছে। চট্টগ্রাম সিটি কলেজের ঘটনার প্রতিবাদে এবং শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবিতে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে তারা এই দেয়াল লিখন করেছেন।
জানতে চাইলে তারিক বলেন, ছাত্রদল সব মতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। কিন্তু একটি রাজনৈতিক গোষ্ঠী গোপন পরিচয়ে ভিন্ন রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে আবির্ভূত হচ্ছে। অনেক সময় বিভিন্ন অপকর্মের সঙ্গে জড়িত থাকছে। আমরা মনে করি একই সময়ে একাধিক সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকা নৈতিকতার পরিপন্থী। যারা সুস্থ ধারার রাজনীতি করতে চান তাদেরকে অবশ্যই নিজস্ব দলের ব্যানারে কাজ করা উচিত। এটাই গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক সৌন্দর্য।
তিনি আরো বলেন, চট্রগ্রামে হামলার নিন্দা এবং অন্তরালে পরিচালিত রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র রুখে দিতে তারা এই কর্মসূচি পালন করেছেন। নব্বইয়ের দশকের গণআন্দোলনে দেয়াল লিখনের মাধ্যমে যেভাবে জনমত গঠিত হয়েছিল, বর্তমান সময়ের ছাত্রসমাজও ঠিক সেভাবেই এই গোপন রাজনীতির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াচ্ছে। গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী এই নতুন বাংলাদেশে কোনো ধরনের অন্ধকার বা আড়ালে থাকা রাজনীতি বরদাস্ত করা হবে না। সুস্থ ও স্বচ্ছ রাজনৈতিক চর্চার স্বার্থে প্রতিটি ছাত্রসংগঠনকে তাদের নিজস্ব আদর্শ জনসম্মুখে তুলে ধরার এবং প্রকাশ্য রাজনীতি করার আহ্বান জানাচ্ছি ।
এসময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক রিয়াজ উদ্দিন, আবুল কাসেম প্রধান, রকিবুল হাসান, জুল হোসেন, সদস্য সাব্বির আহম্মেদ, কর্মী শাহ আলম, তানভীর হোসেন, রিয়া বিশ্বাস, সুরভী আক্তার স্বপ্না ও নাজমুস সাকিব, সূর্যসেন হল ছাত্রদলের যুগ্ম-আহ্বায়ক মিনহাজ উদ্দিন ও তরিকুল ইসলাম তারেক, কর্মী তারিফউল্লাহ, জোবায়ের ও আরেফিন সুলতান, বিজয় একাত্তর হলের সদস্য মো. আয়াজুর রহমান, সামি মাহমুদ সাদাফ, মাহমুদুল হাসান ও সাফওয়ান সাব্বির, সার্জেন্ট জহুরুল হক হলের ছাত্রনেতা মোঃ সামি, শেখ মুজিবুর রহমান হলের সদস্য সিয়াম রহমান, তাহমিদ হুমায়ুন তানিম, কর্মী যাররাফ রহমান রাশহা, কবি জসিম উদ্দিন হলের সদস্য মাহফুজ ইকবাল, হাজী মুহম্মদ মুহসীন হলের সদস্য সাখাওয়াত আনসারী সৈকত, বিশ্ববিদ্যালয় এবং হল শাখার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ ছাড়াও শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক হাবিব মেহেদি, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সদস্য নূর হোসেন, ঢাকা মহানগর উত্তরের ফজলে রাব্বি রাদ, মুজতবা তাহমিদ মুবিন, মো. নাজমুল হক, মো. তানভিরুল ইসলাম, মহানগর দক্ষিণের মো. জুবায়ের হোসেন ও মো. ফাহাদ হোসেন, মহানগর পূর্বের মো. জাহিদ হাসান, মো. সোয়াইবুল ইসলাম রেম্পি, মুন্তাসির হাসনাত, মহানগর পশ্চিমের মো. মাহমুদুল হাসান, তেঁজগাও কলেজের রিমন রায়হান, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাকিব হোসেন সৌরভ, আরাফাত হোসেন, ওসমান গণি, জামান মোল্ল্যা, শফিকুল ইসলাম বাবু, রুমান বেপারী ও তোফায়েল মুন্সি সহ শতাধিক নেতা-কর্মী উপস্থিত ছিলেন।
