বৃহস্পতিবার ১২, ফেব্রুয়ারি ২০২৬

বৃহস্পতিবার ১২, ফেব্রুয়ারি ২০২৬ -- : -- --

রাবিপ্রবির প্রথম বিসিএস ক্যাডার নিপ্পন দত্ত

রাবিপ্রবি থেকে আয়নুল ইসলাম

প্রকাশিত: ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৭:৪৬ পিএম

নিপ্পন দত্ত

 ​রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (রাবিপ্রবি) প্রতিষ্ঠার পর প্রথমবার বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (বিসিএস) ক্যাডার পদে সুপারিশপ্রাপ্ত হলেন নিপ্পন দত্ত।

রবিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) রাতে প্রকাশিত ৪৬তম বিসিএস পরীক্ষার চূড়ান্ত ফলাফলে তিনি শিক্ষা ক্যাডারে নিয়োগের জন্য সুপারিশপ্রাপ্ত হন।

নিপ্পন দত্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের দ্বিতীয় ব্যাচের (২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষ) শিক্ষার্থী। রাবিপ্রবি থেকে তিনিই প্রথম শিক্ষার্থী, যিনি বিসিএস ক্যাডার পদে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়ে গৌরব অর্জন করলেন।

নিপ্পন দত্তের এই অভূতপূর্ব সাফল্যে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ পুরো রাবিপ্রবি পরিবার আনন্দিত ও গর্বিত। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্য শিক্ষার্থীদের জন্য তার এই অর্জন অনুপ্রেরণার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।

নিজের অনুভূতি প্রকাশ করে নিপ্পন দত্ত বলেন, "সৃষ্টিকর্তার অশেষ কৃপায় আমার দীর্ঘ সময়ের অক্লান্ত পরিশ্রম এবং ধৈর্য সার্থক হয়েছে, একজন রাবিপ্রবিয়ান হিসেবে এইটা আমার কাছে অনেক গৌরবের। আমি আমার পিতা-মাতা, শ্রদ্ধেয় শিক্ষকগণ এবং সকল শুভাকাঙ্ক্ষী যারা আমাকে অনুপ্রেরণা যুগিয়েছেন তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি।"

​নিপ্পন দত্তের কৃতিত্ব এবারই প্রথম নয়। তিনি এর আগেও একাধিক সরকারি চাকরির পরীক্ষায় কৃতিত্বের স্বাক্ষর রেখেছেন। বর্তমানে জনতা ব্যাংক পিএলসিতে আইটি অফিসার হিসেবে কর্মরত আছেন।​ এছাড়া তিনি ইউনিভার্সিটি অব ক্রিয়েটিভ টেকনোলজি চিটাগং(ইউসিটিসি) এ কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে লেকচারার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। 

খাগড়াছড়ি জেলার মানিকছড়ি উপজেলার সন্তান নিপ্পন দত্ত। তিনি তিনটহরী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি ও মানিকছড়ি গিরিমৈত্রী ডিগ্রি কলেজ থেকে এইচএসসি পাসের পর রাবিপ্রবির সিএসই বিভাগে ভর্তি হন। 

​এদিকে, এক অভিনন্দন বার্তায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ আতিয়ার রহমান নিপ্পন দত্তের এই সফলতা অর্জনে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন।

তিনি উল্লেখ করেন, এই সাফল্য রাবিপ্রবি পরিবারের জন্য গর্বের এবং এটি বর্তমান ও ভবিষ্যৎ শিক্ষার্থীদের শ্রেষ্ঠত্ব অর্জনে অনুপ্রাণিত করবে।

Link copied!