প্রকাশিত: ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১০:০৮ এএম
২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির সর্বশেষ তৃতীয় ধাপের আবেদন শুরু হচ্ছে আগামীকাল সোমবার (২৬ অক্টোবর)। এ ধাপে অনলাইনে আবেদন করা যাবে ২৭ অক্টোবর রাত ৮টা পর্যন্ত। নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের ফল প্রকাশ করা হবে ৩০ অক্টোবর রাত ৮টায়।
গত শনিবার (১৭ অক্টোবর) বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আখতারুজ্জামানের স্বাক্ষরিত এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ সময়সূচি জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির ক্ষেত্রে তৃতীয় ধাপই সর্বশেষ ধাপ হিসেবে বিবেচিত হবে। এ কারণে শিক্ষার্থীদের সতর্কতার সঙ্গে কলেজের পছন্দক্রম নির্ধারণ এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, যেসব শিক্ষার্থী আগে আবেদন করেনি বা আবেদন করেও কোনো কলেজে নির্বাচিত হয়নি, তারা এ ধাপে আবেদন করতে পারবে। এ ছাড়া চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হয়েও নিশ্চায়ন করতে না পারা কিংবা নির্ধারিত সময়ে কলেজে ভর্তি হতে না পারা শিক্ষার্থীরাও আবেদনের সুযোগ পাবে। ভুল কোটা নির্বাচনের কারণে পছন্দের কলেজে ভর্তি হতে না পারা শিক্ষার্থীরাও এ ধাপে আবেদন করতে পারবে।
তৃতীয় ধাপে আবেদন করতে শিক্ষার্থীদের নির্ধারিত ভর্তি ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে নির্দেশিকা অনুসরণ করতে হবে। আবেদনের সময় কলেজের বিদ্যমান আসনসংখ্যা বিবেচনায় সর্বনিম্ন পাঁচটি এবং সর্বোচ্চ ১০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পছন্দক্রমে রাখতে হবে।
দ্বিতীয় ধাপে আবেদন করেও কোনো কলেজে নির্বাচিত না হওয়া শিক্ষার্থীদের তৃতীয় ধাপে আবেদনের জন্য ২২০ টাকা ফি দিতে হবে না। তাদের ভর্তি ওয়েবসাইটে লগইন করে কলেজ নির্বাচন বা পছন্দক্রম সম্পাদন করতে হবে।
সময়সূচি অনুযায়ী, নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের ফল প্রকাশের পর ৩১ অক্টোবর রাত ৮টা পর্যন্ত ভর্তি নিশ্চায়ন করা যাবে। মাইগ্রেশনের ফল প্রকাশ করা হবে ১ নভেম্বর রাত ৮টায়। আর নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের কলেজে ভর্তি কার্যক্রম চলবে ২ ও ৩ নভেম্বর।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, আগে নির্বাচন নিশ্চায়ন করা কোনো শিক্ষার্থী তৃতীয় ধাপে আবেদন করতে চাইলে ২৭ অক্টোবর বিকেল ৪টার মধ্যে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডে উপস্থিত হয়ে আগের নিশ্চায়ন বাতিল করতে হবে। এ ক্ষেত্রে সরকারি ছুটির দিন কার্যকর হবে না।
কোটায় আবেদনকারীদের নিজ নিজ যোগ্যতা অনুযায়ী সঠিক কোটা নির্বাচন করতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নির্বাচন নিশ্চায়ন না করলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীর নির্বাচন ও আবেদন বাতিল হয়ে যাবে। একই সঙ্গে ভুলভাবে আবেদন করা বা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম সম্পন্ন করতে ব্যর্থ হলে পরবর্তী জটিলতার দায় বোর্ড কর্তৃপক্ষ নেবে না বলেও বিজ্ঞপ্তিতে সতর্ক করা হয়েছে।
