মঙ্গলবার ২০, অক্টোবর ২০২৬

মঙ্গলবার ২০, অক্টোবর ২০২৬ -- : -- --

পানাম নগরী ও জামদানি পল্লি ঘুরে দেখলেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৫৬ পিএম

সোনারগাঁয়ের পানাম নগরী ঘুরে মুগ্ধ মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে ঐতিহাসিক পানাম নগরী ও বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন পরিদর্শন করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন। পানাম নগরীর প্রাচীন স্থাপত্য, পরিবেশ ও পরিচ্ছন্নতা দেখে সন্তোষ প্রকাশ করেন তিনি। পাশাপাশি স্থানীয় কারুশিল্পীদের হাতে তৈরি জামদানি শাড়ি ও নকশিকাঁথার নান্দনিক কারুকাজও ঘুরে দেখেন।

আজ সোমবার সকাল সাড়ে আটটার দিকে পরিবারের সদস্য ও প্রতিনিধিদল নিয়ে পানাম নগরীতে পৌঁছান মার্কিন রাষ্ট্রদূত। নগরীর ৩৩ নম্বর ভবন পরিদর্শনের মধ্য দিয়ে তাঁর ঘোরাঘুরি শুরু হয়। এরপর ঐতিহাসিক নগরীর বিভিন্ন পুরোনো ভবন ও স্থাপনা ঘুরে দেখেন তিনি। অল্প সময় অবস্থান করলেও পানাম নগরীর পরিবেশ ও পরিচ্ছন্নতা নিয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন রাষ্ট্রদূত।

পানাম নগরীর সহকারী কাস্টোডিয়ান তানজিলুর রহমান জানান, মার্কিন রাষ্ট্রদূত পরিবারের সদস্যদের নিয়ে সেখানে এসেছিলেন। এটি ছিল তাঁর পারিবারিক সফর।

পানাম নগরী পরিদর্শন শেষে সকাল নয়টার দিকে বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশনে যান ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন। সেখানে তিনি কারুপল্লির নকশিকাঁথা তৈরির কাজ এবং জামদানি পল্লি ঘুরে দেখেন। তাঁতিদের হাতে বোনা জামদানি শাড়ির নকশা ও কারুশিল্পের সূক্ষ্মতা তাঁকে আকৃষ্ট করে। একই সঙ্গে নকশিকাঁথার নকশা ও সেলাইয়ের কাজও দেখেন তিনি।

তবে সময়ের সীমাবদ্ধতার কারণে ফাউন্ডেশনের জাদুঘর ও বড় সরদারবাড়ি পরিদর্শন করা হয়নি তাঁর।

বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশনের পরিচালক কাজী মাহবুবুল আলম বলেন, মার্কিন রাষ্ট্রদূত জামদানি পল্লিতে তাঁতিদের হাতে বোনা শাড়ির কারুকাজ দেখেছেন। নকশিকাঁথা ও জামদানি শাড়ির কারুকাজ দেখে তিনি মুগ্ধ হন। পরে আবারও এখানে আসবেন বলে জানিয়েছেন রাষ্ট্রদূত।

পরিদর্শনকালে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের প্রতিনিধিদলে ছিলেন তাঁর ব্যক্তিগত দেহরক্ষী দেলোয়ার হোসাইন, রাজনৈতিক কর্মকর্তা অ্যালিস কেনেডি, দূতাবাসের মুখপাত্র পূর্ণিমা রায়, নিরাপত্তা কর্মকর্তা অ্যারিক ওয়েলস এবং মার্কিন দূতাবাসের ফরেন সার্ভিস ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেটর শেখ শিবলীসহ অন্যরা।

এ ছাড়া সোনারগাঁ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মহম্মদ আবদুল বারিকসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

Link copied!