রবিবার ০৬, সেপ্টেম্বর ২০২৬

রবিবার ০৬, সেপ্টেম্বর ২০২৬ -- : -- --

পাবিপ্রবিতে ‘ডেটা সায়েন্স’ যুক্ত হলো স্ট্যাটিস্টিক্স বিভাগের নামে

ছবি। ক্যাম্পাস রিপোর্ট

পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পাবিপ্রবি) বিজ্ঞান অনুষদের অধীন স্ট্যাটিস্টিক্স (Statistics) বিভাগের নাম পরিবর্তন করা হয়েছে। বিভাগের নতুন নাম করা হয়েছে ‘স্ট্যাটিস্টিক্স অ্যান্ড ডেটা সায়েন্স’।

বিভাগের নাম পরিবর্তনের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। এর আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার দপ্তর থেকে জারি করা এক চিঠিতে এ তথ্য বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের চেয়ারম্যান ও সংশ্লিষ্ট সবাইকে অবহিত করা হয়।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, বিভাগের একাডেমিক কমিটির সিদ্ধান্ত এবং বিজ্ঞান অনুষদের অষ্টম সভার সুপারিশের পর বিভাগের নাম পরিবর্তনের উদ্যোগ নেওয়া হয়। এ বিষয়ে গত ২৮ জুন অনুষ্ঠিত একাডেমিক কাউন্সিলের ৫৬তম সভায় আলোচনা হয়। পরে ২৯ জুন অনুষ্ঠিত রিজেন্ট বোর্ডের ৭৬তম সভায় বিষয়টি উপস্থাপন করা হয়। সভার ৭৬.৩ নম্বর সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বিভাগের নাম পরিবর্তনের প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়া হয়।

নাম পরিবর্তনের বিষয়টি পর্যালোচনার জন্য চার সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়। কমিটি বর্তমানে অধ্যয়নরত এবং ভবিষ্যতে ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীদের জন্য বিভাগের নাম ‘Statistics and Data Science’ করার সুপারিশ করে প্রতিবেদন দেয়।

পরে কমিটির প্রতিবেদন একাডেমিক কাউন্সিলে উপস্থাপন করা হলে তা অনুমোদন করা হয়। এর মধ্য দিয়ে পাবিপ্রবির বিজ্ঞান অনুষদের Statistics বিভাগের নতুন নাম ‘Statistics and Data Science’ হিসেবে কার্যকর হলো।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. নজরুল ইসলাম বলেন, “আমাদের সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে এগিয়ে যেতে হবে। বর্তমানে আমরা বিগ ডেটার যুগে প্রবেশ করেছি। শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ কর্মক্ষেত্রের উপযোগী করে গড়ে তুলতে বিভাগের নাম পরিবর্তনের প্রস্তাব করা হয়। পরে এ বিষয়ে একটি কমিটি গঠন করে বিষয়টি মূল্যায়ন করা হয়। কমিটির পর্যালোচনায় দেখা যায়, বর্তমানে বিভাগে যেসব কোর্স পড়ানো হয়, সেগুলোর অনেক বিষয়ই ডেটা সায়েন্সের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট। তাই বিভাগের নামের সঙ্গে ডেটা সায়েন্স যুক্ত করে নাম পরিবর্তন করা হয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, “ভবিষ্যতে শিক্ষার্থীদের আরও দক্ষ করে তুলতে পর্যায়ক্রমে ডেটা সায়েন্স-সংশ্লিষ্ট আরও কিছু কোর্স সিলেবাসে যুক্ত করা হবে। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর ও ডেটাভিত্তিক কর্মক্ষেত্রের জন্য আরও ভালোভাবে প্রস্তুত হতে পারবে।”

Link copied!