পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ভাস্কর চন্দ্র রায়
প্রকাশিত: ১১ আগস্ট ২০২৬, ১০:৪১ পিএম
বুধবার ১২, আগস্ট ২০২৬ -- : -- --
ছবি। ক্যাম্পাস রিপোর্ট
পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পাবিপ্রবি) স্বাধীনতা হলের এক আবাসিক শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শিক্ষার্থীদের শান্তিপূর্ণ মিছিল ও স্লোগানকে কেন্দ্র করে অশালীন, অবমাননাকর ও উসকানিমূলক মন্তব্য করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন হলের সাধারণ শিক্ষার্থীরা।
মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) স্বাধীনতা হলের প্রভোস্ট বরাবর দেওয়া এক লিখিত আবেদনে শিক্ষার্থীরা এ দাবি জানান। আবেদনে অভিযুক্ত শিক্ষার্থী হিসেবে মো. রাসেলের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।
লিখিত আবেদনে বলা হয়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত একটি পোস্ট ও সংশ্লিষ্ট মন্তব্যের স্ক্রিনশট শিক্ষার্থীদের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। সেখানে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের একটি শান্তিপূর্ণ মিছিল ও স্লোগানকে কেন্দ্র করে অশালীন, অবমাননাকর ও উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের মিছিলকে কেন্দ্র করে হামলা বা হিংসার মতো বক্তব্যও দেওয়া হয়েছে বলে আবেদনে উল্লেখ করা হয়।
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, এ ধরনের বক্তব্য বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পারস্পরিক সম্মান, নিরাপত্তা ও শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের পরিবেশকে বিঘ্নিত করতে পারে। বিশেষ করে আবাসিক হলের একজন শিক্ষার্থীর এমন মন্তব্য সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ ও নিরাপত্তাহীনতা তৈরি করতে পারে বলেও তারা উল্লেখ করেন।
আবেদনে সংশ্লিষ্ট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পোস্ট ও মন্তব্যের সত্যতা যাচাই করে বিষয়টি তদন্তের দাবি জানানো হয়। পাশাপাশি ওই বক্তব্য বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রচলিত শৃঙ্খলা ও আবাসিক হলের নীতিমালা লঙ্ঘন করেছে কি না, তা যাচাইয়েরও অনুরোধ জানানো হয়েছে।
অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রচলিত বিধি অনুযায়ী যথাযথ শাস্তিমূলক ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে এ ধরনের অশালীন, উসকানিমূলক বা সহিংসতামূলক বক্তব্যের মাধ্যমে ক্যাম্পাসের শান্তিপূর্ণ পরিবেশ যাতে বিঘ্নিত না হয়, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান তারা।
শিক্ষার্থীদের দাবির মধ্যে রয়েছে অভিযুক্ত শিক্ষার্থীকে আজীবনের জন্য হল থেকে বহিষ্কার এবং ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হিসেবে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়ার ব্যবস্থা করা।
উল্লেখ্য, আবেদনের অনুলিপি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর এবং ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরেও দেওয়া হয়েছে।