প্রকাশিত: ২৪ জুন ২০২৬, ০৯:৫২ পিএম
আন্তর্জাতিক মানের উচ্চশিক্ষা নিশ্চিতকরণ এবং প্রাতিষ্ঠানিক মানোন্নয়নের ধারাবাহিক প্রয়াসের অংশ হিসেবে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের কিইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাস্যুরেন্স সেল (IQAC) আয়োজিত চার দিনব্যাপী কর্মশালার তৃতীয় দিনে “Submission of ‘Intent to Apply’ for BAC Accreditation” কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (২৪ জুন) দুপুর ১২ টায় কেন্দ্রীয় লাইব্রেরিতে এ কর্মশালার আয়োজন করা হয়।
কর্মশালায় আইকিউএসি’র পরিচালক অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ নাজিমুদ্দিন এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ. কে. এম. মতিনুর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম. এয়াকুব আলী এবং কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম। কর্মশালার রিসোর্স ব্যক্তি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন আইকিউএসি- এর অতিরিক্ত পরিচালক অধ্যাপক ড. আসাদ উদ-দৌলা।
কর্মশালায় রিসোর্স পারসন অধ্যাপক ড. আসাদ উদ-দৌলা বলেন, BAC অ্যাক্রেডিটেশনের আবেদন প্রক্রিয়া, প্রয়োজনীয় নথিপত্র প্রস্তুতি এবং মানদণ্ডসমূহ নিয়ে বিস্তারিত উপস্থাপনা করেন। তিনি অংশগ্রহণকারীদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন এবং আবেদন প্রক্রিয়ার বিভিন্ন দিক নিয়ে দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।
অনুষ্ঠানে বিভিন্ন বিভাগীয় প্রধান ও শিক্ষক অংশগ্রহণ করেন।
অপর বিশেষ অতিথি কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম বলেন, “প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং শিক্ষার মান উন্নয়নের ক্ষেত্রে BAC অ্যাক্রেডিটেশন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই প্রক্রিয়ার সফল বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ও আর্থিক সহায়তা নিশ্চিত করা হবে। সকল অংশীজনের সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমেই কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জন সম্ভব।”
বিশেষ অতিথি উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম. এয়াকুব আলী বলেন, “অ্যাক্রেডিটেশন কেবল একটি আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া নয়, বরং এটি একটি ধারাবাহিক মানোন্নয়নের যাত্রা। শিক্ষা, গবেষণা এবং প্রশাসনিক কার্যক্রমের প্রতিটি ক্ষেত্রে উৎকর্ষতা অর্জনের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়কে সুসংগঠিত পরিকল্পনার মাধ্যমে এগিয়ে যেতে হবে।”
প্রধান অতিথি উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ. কে. এম. মতিনুর রহমান বলেন, “উচ্চশিক্ষার গুণগত মান নিশ্চিত করতে অ্যাক্রেডিটেশন এখন সময়ের দাবি। বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিল (BAC)-এর স্বীকৃতি অর্জনের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয় জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তার গ্রহণযোগ্যতা আরও বৃদ্ধি করতে সক্ষম হবে। এজন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে আন্তরিকতা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করতে হবে।”
